
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে পরিচয়পত্র জমা দিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিনল্যান্ড, গুয়েতেমালা ও আয়ারল্যান্ডের অনাবাসিক রাষ্ট্রদূতরা।
আজ মঙ্গলবার ফিনল্যান্ডের অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত কিমমো লাডেভিরতা, গুয়েতেমালার অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত ওমার কাসেন্দা সোলারিস এবং আয়ারল্যান্ডের সোলারেস বঙ্গভবনের রাষ্ট্রপতির কাছে পৃথকভাবে পরিচয়পত্র জমা দেন।
নতুন রাষ্ট্রদূতদের স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের সকল দেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সম্পর্ক বৃদ্ধিতে আগ্রহী। কূটনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ এবং দু’দেশের জনগণের সাথে সম্পর্ক বৃদ্ধিকে বাংলাদেশ অগ্রাধিকার দেয়।
রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশে বিরাজমান বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূতদের দ্বিপাক্ষিক সম্ভাবনাময় খাতগুলোতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, জোরপূর্বক বাস্তচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের মানবিকতা বিবেচনায় বাংলাদেশ আশ্রয় দিলেও বর্তমানে এটি একটি আর্থ-সামাজিক সমস্যায় পরিনত হয়েছে। তিনি রোহিঙ্গাদের সম্মানজনক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে বন্ধুরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সহযোগিতা কামনা করেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূতরা নিজ নিজ দেশের সাথে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধিতে তাদের আগ্রহের কথা জানান।
তারা সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় ‘রিমাল’ এর ক্ষয়ক্ষতির জন্য দুঃখ ও সহানুভূতি প্রকাশ করেন এবং ঘুর্ণিঝড় রিমালসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের সক্ষমতা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনার ভূয়সী প্রশংসা করেন। রাষ্ট্রদূতরা তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন।
বৈঠকে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে রাষ্ট্রদূতরা বঙ্গভবনে পৌঁছালে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের একটি দল তাদের গার্ড অব অনার দেয়।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে পরিচয়পত্র জমা দিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিনল্যান্ড, গুয়েতেমালা ও আয়ারল্যান্ডের অনাবাসিক রাষ্ট্রদূতরা।
আজ মঙ্গলবার ফিনল্যান্ডের অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত কিমমো লাডেভিরতা, গুয়েতেমালার অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত ওমার কাসেন্দা সোলারিস এবং আয়ারল্যান্ডের সোলারেস বঙ্গভবনের রাষ্ট্রপতির কাছে পৃথকভাবে পরিচয়পত্র জমা দেন।
নতুন রাষ্ট্রদূতদের স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের সকল দেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সম্পর্ক বৃদ্ধিতে আগ্রহী। কূটনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ এবং দু’দেশের জনগণের সাথে সম্পর্ক বৃদ্ধিকে বাংলাদেশ অগ্রাধিকার দেয়।
রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশে বিরাজমান বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূতদের দ্বিপাক্ষিক সম্ভাবনাময় খাতগুলোতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, জোরপূর্বক বাস্তচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের মানবিকতা বিবেচনায় বাংলাদেশ আশ্রয় দিলেও বর্তমানে এটি একটি আর্থ-সামাজিক সমস্যায় পরিনত হয়েছে। তিনি রোহিঙ্গাদের সম্মানজনক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে বন্ধুরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সহযোগিতা কামনা করেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূতরা নিজ নিজ দেশের সাথে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধিতে তাদের আগ্রহের কথা জানান।
তারা সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় ‘রিমাল’ এর ক্ষয়ক্ষতির জন্য দুঃখ ও সহানুভূতি প্রকাশ করেন এবং ঘুর্ণিঝড় রিমালসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের সক্ষমতা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনার ভূয়সী প্রশংসা করেন। রাষ্ট্রদূতরা তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন।
বৈঠকে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে রাষ্ট্রদূতরা বঙ্গভবনে পৌঁছালে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের একটি দল তাদের গার্ড অব অনার দেয়।

ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৫ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৫ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৬ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
৬ দিন আগে