
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপি হিংসার আগুনে জ্বলছে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির আন্দোলন এখন হাঁসি তামাসায় পরিণত হয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবে রাজনৈতিক কর্মসূচি দেয়ার অধিকার তাদের আছে। যদি কর্মসূচির নামে ২৮ অক্টোবরের মত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, গাড়ি পোড়ানো, মানুষ পুড়িয়ে মারা জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করে তবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা যথাযত ব্যবস্থা নেবে। আমরা রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করব।
রোববার দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি।
টানা চারবার নির্বাচিত হওয়ার পর বিদেশি রাষ্ট্রের স্বীকৃতি কতটা জরুরি- এমন এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, স্বীকৃতি, এটা অভিনন্দন, এটা গণতন্ত্রের একটা রীতিনীতিতে পরিণত হয়েছে। এটা এখন নতুন প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতি হলে পৃথীবির বিভিন্ন দেশ, বন্ধু রাষ্ট্ররা অভিনন্দন জানায়। ভারতে প্রধানমন্ত্রীর বেলায় যেমন, ইংলেন্ডের প্রধানমন্ত্রীর বেলায় যেমন, এমনই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলে বাংলাদেশের যারা বন্ধুরাষ্ট্র, এবং ব্যক্তিগতভাবে প্রদানমন্ত্রীর অনুরক্ত অনেকে আছেন, তারা তাকে অভিনন্দন জানাবেন এটাইতো স্বাভাবিক।
তিনি আরও বলেন, আমি নির্বাচিত হয়েছি, আমার স্বজনরা বন্ধুরা অভিনন্দন জানাবে এটা তো স্বাভাবিক। আমরা কারও অভিনন্দনের জন্য, চাতক পাখির মত অপেক্ষায় বসে আছি, এমন দেউলিয়া একটা নির্বাচিত সরকার এমন দেউলিয়া অবস্থায় পরেছে এমন ভাবার কোনো কারণ নেই।
ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির তাদের তথাকথিত আন্দোলনের সুনির্দিষ্ট রূপ রেখা কেউ দেখেনি। তাদের আন্দোলনের বিষয়টি স্পষ্ট নয়, একবার তারা আন্দোলনের অংশ হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে আবার তারা নির্বাচন বানচালের আন্দোলন করে। আসলে তাদের তথাকথিত আন্দোলনের ডাক দিয়ে ব্যর্থ হয়ে, তারা রাজনৈতিক আন্দোলনকে হাঁসি তামাসায় পরিণত করেছে। তথাকথিত আন্দোলনের কর্মসূচিতে এখন ঘোড়াও হাসে।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, তাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে আমরা বাধা দেব না, আন্দোলনের নামে সংঘাত করতে চাইলে আমরা রাজণৈতিকভাবে মোকাবেলা করব আর আইন প্রয়োগকারী সংস্থা উদ্বেগ পরিস্থিতি মোকাবেলা করবে।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল ও উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ।

বিএনপি হিংসার আগুনে জ্বলছে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির আন্দোলন এখন হাঁসি তামাসায় পরিণত হয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবে রাজনৈতিক কর্মসূচি দেয়ার অধিকার তাদের আছে। যদি কর্মসূচির নামে ২৮ অক্টোবরের মত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, গাড়ি পোড়ানো, মানুষ পুড়িয়ে মারা জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করে তবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা যথাযত ব্যবস্থা নেবে। আমরা রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করব।
রোববার দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি।
টানা চারবার নির্বাচিত হওয়ার পর বিদেশি রাষ্ট্রের স্বীকৃতি কতটা জরুরি- এমন এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, স্বীকৃতি, এটা অভিনন্দন, এটা গণতন্ত্রের একটা রীতিনীতিতে পরিণত হয়েছে। এটা এখন নতুন প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতি হলে পৃথীবির বিভিন্ন দেশ, বন্ধু রাষ্ট্ররা অভিনন্দন জানায়। ভারতে প্রধানমন্ত্রীর বেলায় যেমন, ইংলেন্ডের প্রধানমন্ত্রীর বেলায় যেমন, এমনই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলে বাংলাদেশের যারা বন্ধুরাষ্ট্র, এবং ব্যক্তিগতভাবে প্রদানমন্ত্রীর অনুরক্ত অনেকে আছেন, তারা তাকে অভিনন্দন জানাবেন এটাইতো স্বাভাবিক।
তিনি আরও বলেন, আমি নির্বাচিত হয়েছি, আমার স্বজনরা বন্ধুরা অভিনন্দন জানাবে এটা তো স্বাভাবিক। আমরা কারও অভিনন্দনের জন্য, চাতক পাখির মত অপেক্ষায় বসে আছি, এমন দেউলিয়া একটা নির্বাচিত সরকার এমন দেউলিয়া অবস্থায় পরেছে এমন ভাবার কোনো কারণ নেই।
ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির তাদের তথাকথিত আন্দোলনের সুনির্দিষ্ট রূপ রেখা কেউ দেখেনি। তাদের আন্দোলনের বিষয়টি স্পষ্ট নয়, একবার তারা আন্দোলনের অংশ হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে আবার তারা নির্বাচন বানচালের আন্দোলন করে। আসলে তাদের তথাকথিত আন্দোলনের ডাক দিয়ে ব্যর্থ হয়ে, তারা রাজনৈতিক আন্দোলনকে হাঁসি তামাসায় পরিণত করেছে। তথাকথিত আন্দোলনের কর্মসূচিতে এখন ঘোড়াও হাসে।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, তাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে আমরা বাধা দেব না, আন্দোলনের নামে সংঘাত করতে চাইলে আমরা রাজণৈতিকভাবে মোকাবেলা করব আর আইন প্রয়োগকারী সংস্থা উদ্বেগ পরিস্থিতি মোকাবেলা করবে।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল ও উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ।

শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ অধিবেশনে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
২ দিন আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেঘমল্লার বসু ও মাঈন আহমেদের দাখিল করা পদত্যাগপত্র কেন্দ্রীয় সংসদে গৃহীত হয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় একই সঙ্গে দুটি রাজনৈতিক সংগঠনের দায়িত্ব পালন করলে সাংগঠনিক মতদ্বৈধতা বা স্বার্থের দ্বন্দ্ব (কনফ্লিক্
২ দিন আগে
বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
৩ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
৩ দিন আগে