
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

নির্বাচন কমিশনে আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। ২০২৩ সালে দলটির আয় হয়েছে ২৭ কোটি ১৪ লাখ ৪৫ হাজার। এ আয়ের পরিমাণ আগের বছরের (২০২২) প্রায় তিন গুণ। আওয়ামী লীগের বড় আয় এসেছে দলের মনোনয়ন ফরম বিক্রি করে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নমিনেশন ফরম বিক্রি থেকে এ বড় অঙ্কের আয় হয়েছে ক্ষমতাসীন দলটির। গত বছর আওয়ামী লীগের আয় ছিল ১০ কোটি ৭১ লাখ ৩৫ হাজার ৭৬৮ টাকা।
আওয়ামী লীগের ২০২৩ সালে ব্যয় হয়েছে ৯ কোটি ৮৭ লাখ ৩৬ হাজার টাকা। দলটির ২০২২ সালে ব্যয় হয়েছিল ৭ কোটি ৮৬ লাখ ৮৪ হাজার ৫৭৯ টাকা। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে ২০২২ সালের তুলনায় আয় যেমন বেশি হয়েছে তেমনি ব্যয়ও বেড়েছে।
সংসদ নির্বাচনের নমিনেশন ফরম ছাড়াও আওয়ামী লীগের ২০২৩ সালে মাসিক চাঁদা এক কোটি ৬৩ লাখ ৬৩ হাজার, মেঘনা ব্যাংকের অনুদান ১ কোটি ১ লাখ, অন্যান্য ফরম বিক্রি ২ কোটি ২৯ লাখ ৮৪ হাজার, বঙ্গবন্ধু এভিনিউর ভাড়া ১৫ লাখ ৩৫ হাজার, ব্যাংক সুদ থেকে ৪ কোটি ৮৪ লাখ ৪১ হাজার এবং অন্যান্য খাত থেকে ৩৭ লাখ ৭২ হাজার টাকা আয় হয়েছে।
বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ এইচ এন আশিকুর রহমান নিরীক্ষিত এই অডিট রিপোর্ট নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছেন। পরে নির্বাচন ভবনে তিনি জানান, ২০২৩ পঞ্জিকা বছরে ২৭ কোটি ১৪ লাখ টাকা আয়ের বিপরীতে ৯ কোটি ৮৭ লাখ ৩৬ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে।
বছরের শুরুতে ব্যাংকে জমা (১ জানুয়ারি ২০২৩) ৭৩ কোটি ২৭ লাখ ৫৪ হাজার টাকা। ২০২৩ সালে দলটির আয় হয়েছে ২৭ কোটি ১৪ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। ব্যয় হয়েছে ৯ কোটি ৮৭ লাখ ৩৬ হাজার টাকা। বছর শেষে স্থিতি (৩১ ডিসেম্বর ২০২৩) ৯০ কোট ৫৫ লাখ ৩১ হাজার টাকা।
নির্বাচন কমিশনে আসা পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ ও উপ-দফতর সম্পাদক সায়েম খান।

নির্বাচন কমিশনে আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। ২০২৩ সালে দলটির আয় হয়েছে ২৭ কোটি ১৪ লাখ ৪৫ হাজার। এ আয়ের পরিমাণ আগের বছরের (২০২২) প্রায় তিন গুণ। আওয়ামী লীগের বড় আয় এসেছে দলের মনোনয়ন ফরম বিক্রি করে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নমিনেশন ফরম বিক্রি থেকে এ বড় অঙ্কের আয় হয়েছে ক্ষমতাসীন দলটির। গত বছর আওয়ামী লীগের আয় ছিল ১০ কোটি ৭১ লাখ ৩৫ হাজার ৭৬৮ টাকা।
আওয়ামী লীগের ২০২৩ সালে ব্যয় হয়েছে ৯ কোটি ৮৭ লাখ ৩৬ হাজার টাকা। দলটির ২০২২ সালে ব্যয় হয়েছিল ৭ কোটি ৮৬ লাখ ৮৪ হাজার ৫৭৯ টাকা। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে ২০২২ সালের তুলনায় আয় যেমন বেশি হয়েছে তেমনি ব্যয়ও বেড়েছে।
সংসদ নির্বাচনের নমিনেশন ফরম ছাড়াও আওয়ামী লীগের ২০২৩ সালে মাসিক চাঁদা এক কোটি ৬৩ লাখ ৬৩ হাজার, মেঘনা ব্যাংকের অনুদান ১ কোটি ১ লাখ, অন্যান্য ফরম বিক্রি ২ কোটি ২৯ লাখ ৮৪ হাজার, বঙ্গবন্ধু এভিনিউর ভাড়া ১৫ লাখ ৩৫ হাজার, ব্যাংক সুদ থেকে ৪ কোটি ৮৪ লাখ ৪১ হাজার এবং অন্যান্য খাত থেকে ৩৭ লাখ ৭২ হাজার টাকা আয় হয়েছে।
বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ এইচ এন আশিকুর রহমান নিরীক্ষিত এই অডিট রিপোর্ট নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছেন। পরে নির্বাচন ভবনে তিনি জানান, ২০২৩ পঞ্জিকা বছরে ২৭ কোটি ১৪ লাখ টাকা আয়ের বিপরীতে ৯ কোটি ৮৭ লাখ ৩৬ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে।
বছরের শুরুতে ব্যাংকে জমা (১ জানুয়ারি ২০২৩) ৭৩ কোটি ২৭ লাখ ৫৪ হাজার টাকা। ২০২৩ সালে দলটির আয় হয়েছে ২৭ কোটি ১৪ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। ব্যয় হয়েছে ৯ কোটি ৮৭ লাখ ৩৬ হাজার টাকা। বছর শেষে স্থিতি (৩১ ডিসেম্বর ২০২৩) ৯০ কোট ৫৫ লাখ ৩১ হাজার টাকা।
নির্বাচন কমিশনে আসা পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ ও উপ-দফতর সম্পাদক সায়েম খান।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠিয়েছে। তাই তারা যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করবেন।
৬ দিন আগে
বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৬ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৬ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৮ দিন আগে