
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাঠে থাকলে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী কৌশল ভিন্ন হতো বলে মন্তব্য করেছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, জাতীয় পার্টির সঙ্গে আমাদের সমন্বয় হয়েছে। এটা আমাদের নির্বাচনী কৌশল। তবে বিএনপি নির্বাচনে থাকলে নির্বাচনী কৌশল ভিন্ন হতো।
সোমবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
কাদের বলেন, আজ দলীয় প্রার্থীসহ সব প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করছে নির্বাচন কমিশন। তারপর শুরু হচ্ছে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা। আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা আগামী ২০ ডিসেম্বর হযরত শাহজালাল ও শাহ পরানের মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে সিলেটে নির্বাচনের প্রথম জনসভা করবেন।
আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণার সময় জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমাদের নির্বাচনী ইশতেহার আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আগামী ২৭ ডিসেম্বর ঘোষণা করা হবে।
তিনি বলেন, সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী ২৭টি দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। আমরা জাতীয় পার্টির জন্য ২৬ আসন থেকে নৌকার প্রার্থী প্রত্যাহার করে নিয়েছি। শরিক দলের প্রার্থীরা ছয়টি আসনে নৌকা নিয়ে নির্বাচন করবেন। সবমিলিয়ে ২৬৩ জন আওয়ামী লীগের প্রার্থী। ১৪ দলসহ নৌকা প্রতীকে থাকছেন ২৭০ জন।
দেশের জনগণ ভোট প্রদানের জন্য উন্মুখ হয়ে আছে— মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, এখন পর্যন্ত ১৮৯৬ জন নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। স্বতন্ত্র আছে ৩৫৭ জন। নির্বাচনের সর্বাত্মক প্রস্তুতি চলছে। আশা করি, একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হবে। যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
৪০ বিশিষ্ট নাগরিক সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্বাচন দেওয়ার কথা বলেছেন- এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আসলে তারা (বুদ্ধিজীবী) বিএনপির রাজনৈতিক অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়নে ব্যস্ত। তাদের বিবৃতি দেওয়ার আগে উচিত ছিল বিএনপিকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান জানানো। যখন তাদের বিবৃতি দেওয়া উচিত ছিল তখন তারা দেয়নি। তাদের উচিত ছিল বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে না বলে তিরস্কার করা।
তিনি আরও বলেন, আমি ৪০ জন বিশিষ্ট নাগরিককে বলব, আপনারা কেন জ্বালাও-পোড়াওয়ের বিরুদ্ধে বিবৃতি দেননি? দেশে যে নাশকতা হচ্ছে, গাজীপুরের ট্রেন লাইন কেটে দেওয়া হয়েছে, পুলিশকে মারা হলো, আনসারকে মারা হলো, কোর্টের এজলাসে গিয়ে হামলা চালানো হলো, এতগুলো বাসে আগুন দেওয়া হলো, ট্রেনের ফিশপ্লেট খুলে ফেলা হলো— এসব ব্যাপারে ৪০ নাগরিক নীরব কেন?
জাতীয় পার্টির সঙ্গে আসন সমঝোতা হলে প্রতিপক্ষ কারা— জবাবে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ থেকে তারা সাপোর্ট চেয়েছে। আরও বড় সংখ্যায় আসন চেয়েছিল। আমরা ২৬টি আসনে সমঝোতা করতে পেরেছি। সেজন্য আমরা নৌকার প্রার্থী প্রত্যাহার করেছি। বাকি আসনগুলোতে তারা লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে প্রতিযোগিতা করবে। আসন সমঝোতা নতুন কিছু নয়। ২০১৪ ও ২০১৮-এর নির্বাচনেও এমন সমঝোতা হয়েছিল। তবে, এবার আমরা খুব কমই সহযোগিতা করতে পেরেছি।
জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগের ছেড়ে দেওয়া ২৬টি আসনে নৌকার প্রতীকে নির্বাচন করতে পারবে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ২৬টি আসনে নৌকা প্রত্যাহার করেছি। তারা তাদের প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবে। তারা তো নৌকা চায়নি।’
নির্বাচনে অংশ নিলে বিএনপি নেতাদের মুক্তি— কৃষিমন্ত্রীর এমন বক্তব্যে বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, তিনি যে বক্তব্য দিয়েছেন সেটা তার ব্যক্তিগত। আওয়ামী লীগ কোনো দেউলিয়া দল নয়। আওয়ামী লীগ দলীয় নিয়মনীতি ভঙ্গ করে এ ধরনের উদ্ভট প্রস্তাব বিএনপিকে দেবে, এটা সঠিক নয়। এ ধরনের কোনো প্রস্তাব আমাদের সরকারও দেয়নি, আমাদের দলও দেয়নি।

বিএনপি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাঠে থাকলে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী কৌশল ভিন্ন হতো বলে মন্তব্য করেছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, জাতীয় পার্টির সঙ্গে আমাদের সমন্বয় হয়েছে। এটা আমাদের নির্বাচনী কৌশল। তবে বিএনপি নির্বাচনে থাকলে নির্বাচনী কৌশল ভিন্ন হতো।
সোমবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
কাদের বলেন, আজ দলীয় প্রার্থীসহ সব প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করছে নির্বাচন কমিশন। তারপর শুরু হচ্ছে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা। আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা আগামী ২০ ডিসেম্বর হযরত শাহজালাল ও শাহ পরানের মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে সিলেটে নির্বাচনের প্রথম জনসভা করবেন।
আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণার সময় জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমাদের নির্বাচনী ইশতেহার আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আগামী ২৭ ডিসেম্বর ঘোষণা করা হবে।
তিনি বলেন, সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী ২৭টি দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। আমরা জাতীয় পার্টির জন্য ২৬ আসন থেকে নৌকার প্রার্থী প্রত্যাহার করে নিয়েছি। শরিক দলের প্রার্থীরা ছয়টি আসনে নৌকা নিয়ে নির্বাচন করবেন। সবমিলিয়ে ২৬৩ জন আওয়ামী লীগের প্রার্থী। ১৪ দলসহ নৌকা প্রতীকে থাকছেন ২৭০ জন।
দেশের জনগণ ভোট প্রদানের জন্য উন্মুখ হয়ে আছে— মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, এখন পর্যন্ত ১৮৯৬ জন নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। স্বতন্ত্র আছে ৩৫৭ জন। নির্বাচনের সর্বাত্মক প্রস্তুতি চলছে। আশা করি, একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হবে। যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
৪০ বিশিষ্ট নাগরিক সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্বাচন দেওয়ার কথা বলেছেন- এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আসলে তারা (বুদ্ধিজীবী) বিএনপির রাজনৈতিক অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়নে ব্যস্ত। তাদের বিবৃতি দেওয়ার আগে উচিত ছিল বিএনপিকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান জানানো। যখন তাদের বিবৃতি দেওয়া উচিত ছিল তখন তারা দেয়নি। তাদের উচিত ছিল বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে না বলে তিরস্কার করা।
তিনি আরও বলেন, আমি ৪০ জন বিশিষ্ট নাগরিককে বলব, আপনারা কেন জ্বালাও-পোড়াওয়ের বিরুদ্ধে বিবৃতি দেননি? দেশে যে নাশকতা হচ্ছে, গাজীপুরের ট্রেন লাইন কেটে দেওয়া হয়েছে, পুলিশকে মারা হলো, আনসারকে মারা হলো, কোর্টের এজলাসে গিয়ে হামলা চালানো হলো, এতগুলো বাসে আগুন দেওয়া হলো, ট্রেনের ফিশপ্লেট খুলে ফেলা হলো— এসব ব্যাপারে ৪০ নাগরিক নীরব কেন?
জাতীয় পার্টির সঙ্গে আসন সমঝোতা হলে প্রতিপক্ষ কারা— জবাবে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ থেকে তারা সাপোর্ট চেয়েছে। আরও বড় সংখ্যায় আসন চেয়েছিল। আমরা ২৬টি আসনে সমঝোতা করতে পেরেছি। সেজন্য আমরা নৌকার প্রার্থী প্রত্যাহার করেছি। বাকি আসনগুলোতে তারা লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে প্রতিযোগিতা করবে। আসন সমঝোতা নতুন কিছু নয়। ২০১৪ ও ২০১৮-এর নির্বাচনেও এমন সমঝোতা হয়েছিল। তবে, এবার আমরা খুব কমই সহযোগিতা করতে পেরেছি।
জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগের ছেড়ে দেওয়া ২৬টি আসনে নৌকার প্রতীকে নির্বাচন করতে পারবে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ২৬টি আসনে নৌকা প্রত্যাহার করেছি। তারা তাদের প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবে। তারা তো নৌকা চায়নি।’
নির্বাচনে অংশ নিলে বিএনপি নেতাদের মুক্তি— কৃষিমন্ত্রীর এমন বক্তব্যে বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, তিনি যে বক্তব্য দিয়েছেন সেটা তার ব্যক্তিগত। আওয়ামী লীগ কোনো দেউলিয়া দল নয়। আওয়ামী লীগ দলীয় নিয়মনীতি ভঙ্গ করে এ ধরনের উদ্ভট প্রস্তাব বিএনপিকে দেবে, এটা সঠিক নয়। এ ধরনের কোনো প্রস্তাব আমাদের সরকারও দেয়নি, আমাদের দলও দেয়নি।

রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
১ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
২ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
২ দিন আগে
বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে শিষ্টাচারবহির্ভূত মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, "রাজনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনকারীদের আমরা স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ার করে দিতে চাই—যুবদল রাজপথের সংগঠন। রাজপথে থেকেই আমরা অতীতে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেছি, এবারও এসব অপপ্রচারের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।"
২ দিন আগে