
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘নির্বাচনবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড করা যাবে না। যেহেতু বিজয়ের মাস, বিজয়র দিন সেজন্য কাউকে আমরা মানা করছি না, বিজয়ের আনন্দ প্রকাশ করতে। তবে নির্বাচনের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলা এবং প্রচার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।’
ঘরের রাজনীতি/আওয়ামী লীগ/ট্রেন্ডিং-৩ আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘নির্বাচনবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড করা যাবে না। যেহেতু বিজয়ের মাস, বিজয়র দিন সেজন্য কাউকে আমরা মানা করছি না, বিজয়ের আনন্দ প্রকাশ করতে। তবে নির্বাচনের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলা এবং প্রচার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।’র্বাচনবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড করা যাবে না। যেহেতু বিজয়ের মাস, বিজয়র দিন সেজন্য কাউকে আমরা মানা করছি না, বিজয়ের আনন্দ প্রকাশ করতে। তবে নির্বাচনের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলা এবং প্রচার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।’
ক্যাপশন: আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘নির্বাচনবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড করা যাবে না। যেহেতু বিজয়ের মাস, বিজয়র দিন সেজন্য কাউকে আমরা মানা করছি না, বিজয়ের আনন্দ প্রকাশ করতে। তবে নির্বাচনের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলা এবং প্রচার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।’
আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘নির্বাচনবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড করা যাবে না। যেহেতু বিজয়ের মাস, বিজয়র দিন সেজন্য কাউকে আমরা মানা করছি না, বিজয়ের আনন্দ প্রকাশ করতে। তবে নির্বাচনের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলা এবং প্রচার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।’
আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘নির্বাচনবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড করা যাবে না। যেহেতু বিজয়ের মাস, বিজয়র দিন সেজন্য কাউকে আমরা মানা করছি না, বিজয়ের আনন্দ প্রকাশ করতে। তবে নির্বাচনের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলা এবং প্রচার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।’ আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘নির্বাচনবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড করা যাবে না। যেহেতু বিজয়ের মাস, বিজয়র দিন সেজন্য কাউকে আমরা মানা করছি না, বিজয়ের আনন্দ প্রকাশ করতে। তবে নির্বাচনের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলা এবং প্রচার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।’
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকমস্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘নির্বাচনবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড করা যাবে না। যেহেতু বিজয়ের মাস, বিজয়র দিন সেজন্য কাউকে আমরা মানা করছি না, বিজয়ের আনন্দ প্রকাশ করতে। তবে নির্বাচনের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলা এবং প্রচার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।’জ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘নির্বাচনবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড করা যাবে না। যেহেতু বিজয়ের মাস, বিজয়র দিন সেজন্য কাউকে আমরা মানা করছি না, বিজয়ের আনন্দ প্রকাশ করতে। তবে নির্বাচনের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলা এবং প্রচার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।’
আজ শনিবার সকালে রাজধানীতে রাজারবাগ পুলিশ লাইনস স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে বিএনপির বিজয় র্যালি প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘(বিএনপি) বলা হয়েছে একটি রোডম্যাপ তৈরি করে বিজয়ের র্যালি করার জন্য। সে অনুযায়ী ডিএমপি কমিশনার তাদের অনুমতি দিয়েছেন। যাতে শান্তিপূর্ণ একটি র্যালি করা যায়। তারা স্থান উল্লেখ করেছেন এবং সেটি যেন অনুসরণ করেই তারা করেন।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘নির্বাচনের শিডিউল ঘোষণা করা হয়েছে। এখন নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী নিরাপত্তাবাহিনী কাজ করছে। নির্বাচন কমিশন যে নির্দেশনা দিয়েছে নিরাপত্তাবাহিনী সে অনুযায়ী কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছে।’

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘নির্বাচনবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড করা যাবে না। যেহেতু বিজয়ের মাস, বিজয়র দিন সেজন্য কাউকে আমরা মানা করছি না, বিজয়ের আনন্দ প্রকাশ করতে। তবে নির্বাচনের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলা এবং প্রচার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।’
ঘরের রাজনীতি/আওয়ামী লীগ/ট্রেন্ডিং-৩ আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘নির্বাচনবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড করা যাবে না। যেহেতু বিজয়ের মাস, বিজয়র দিন সেজন্য কাউকে আমরা মানা করছি না, বিজয়ের আনন্দ প্রকাশ করতে। তবে নির্বাচনের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলা এবং প্রচার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।’র্বাচনবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড করা যাবে না। যেহেতু বিজয়ের মাস, বিজয়র দিন সেজন্য কাউকে আমরা মানা করছি না, বিজয়ের আনন্দ প্রকাশ করতে। তবে নির্বাচনের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলা এবং প্রচার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।’
ক্যাপশন: আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘নির্বাচনবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড করা যাবে না। যেহেতু বিজয়ের মাস, বিজয়র দিন সেজন্য কাউকে আমরা মানা করছি না, বিজয়ের আনন্দ প্রকাশ করতে। তবে নির্বাচনের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলা এবং প্রচার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।’
আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘নির্বাচনবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড করা যাবে না। যেহেতু বিজয়ের মাস, বিজয়র দিন সেজন্য কাউকে আমরা মানা করছি না, বিজয়ের আনন্দ প্রকাশ করতে। তবে নির্বাচনের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলা এবং প্রচার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।’
আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘নির্বাচনবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড করা যাবে না। যেহেতু বিজয়ের মাস, বিজয়র দিন সেজন্য কাউকে আমরা মানা করছি না, বিজয়ের আনন্দ প্রকাশ করতে। তবে নির্বাচনের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলা এবং প্রচার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।’ আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘নির্বাচনবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড করা যাবে না। যেহেতু বিজয়ের মাস, বিজয়র দিন সেজন্য কাউকে আমরা মানা করছি না, বিজয়ের আনন্দ প্রকাশ করতে। তবে নির্বাচনের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলা এবং প্রচার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।’
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকমস্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘নির্বাচনবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড করা যাবে না। যেহেতু বিজয়ের মাস, বিজয়র দিন সেজন্য কাউকে আমরা মানা করছি না, বিজয়ের আনন্দ প্রকাশ করতে। তবে নির্বাচনের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলা এবং প্রচার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।’জ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘নির্বাচনবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড করা যাবে না। যেহেতু বিজয়ের মাস, বিজয়র দিন সেজন্য কাউকে আমরা মানা করছি না, বিজয়ের আনন্দ প্রকাশ করতে। তবে নির্বাচনের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলা এবং প্রচার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।’
আজ শনিবার সকালে রাজধানীতে রাজারবাগ পুলিশ লাইনস স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে বিএনপির বিজয় র্যালি প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘(বিএনপি) বলা হয়েছে একটি রোডম্যাপ তৈরি করে বিজয়ের র্যালি করার জন্য। সে অনুযায়ী ডিএমপি কমিশনার তাদের অনুমতি দিয়েছেন। যাতে শান্তিপূর্ণ একটি র্যালি করা যায়। তারা স্থান উল্লেখ করেছেন এবং সেটি যেন অনুসরণ করেই তারা করেন।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘নির্বাচনের শিডিউল ঘোষণা করা হয়েছে। এখন নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী নিরাপত্তাবাহিনী কাজ করছে। নির্বাচন কমিশন যে নির্দেশনা দিয়েছে নিরাপত্তাবাহিনী সে অনুযায়ী কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছে।’

বিএনপিও ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের পথে হাঁটা শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, এখন যারা সরকারে আছে, তারাও (বিএনপি) মজলুম ছিল। কিন্তু তারাও ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের পথে হাঁটা শুরু করেছে। সমাজের সব ক্ষেত্রে বেপরোয়া নির্লজ্জ দলীয়করণ করে দুর্নীতিকে তারা জাতীয়করণ
৩ দিন আগে
সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে আগামী পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ করে যেতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করলে বিএনপি সরকারকে আর সহযোগিতা করা হবে না।
৩ দিন আগে
শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ অধিবেশনে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
৩ দিন আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেঘমল্লার বসু ও মাঈন আহমেদের দাখিল করা পদত্যাগপত্র কেন্দ্রীয় সংসদে গৃহীত হয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় একই সঙ্গে দুটি রাজনৈতিক সংগঠনের দায়িত্ব পালন করলে সাংগঠনিক মতদ্বৈধতা বা স্বার্থের দ্বন্দ্ব (কনফ্লিক্
৪ দিন আগে