
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, নির্বাচন যেন না হতে পারে সেটাই ছিলো চক্রান্ত। কিন্তু কোনো রাজনীতিবিদ যদি ক্ষমতায় না থাকে দেশের উন্নতি হতে পারে না, এটাই প্রমাণিত সত্য।
রোববার (১৪ জানুয়ারি) কোটালীপাড়ায় আওয়ামী লীগের শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ছোট বোন শেখ রেহেনা।
সাত জানুয়ারির নির্বাচনে জনগণ ও গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, নির্বাচন বানচালে বিএনপির সমস্ত ষড়যন্ত্র জনগণ ভোট দিয়ে ধুলিস্যাৎ করে দিয়েছে।
বিএনপি যতো বার নির্বাচন বানচাল করতে চেয়েছে, ততো বার জনগণ জবাব দিয়েছে মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ২১ শতাংশ ভোট পড়েছিল। তখন নাকে খত দিয়ে তাদের বিদায় নিতে হয়েছিল। যারা গণতন্ত্রের ‘গ’ বোঝে না তারা এখন গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন করে।
তিনি বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয়ের পর থেকে বিএনপির লুটপাট, দুঃশাসন, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদের কারণে তাদের ওপর মানুষ ছিলো বীতশ্রদ্ধ (আস্থাহীন)।
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের আগের সময়গুলোতে বিএনপির ডাকা হরতাল-অবরোধে অনেক মানুষের প্রাণহানিসহ বিভিন্ন ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এই প্রসঙ্গ টেনে সরকারপ্রধান বলেন, যারা আগুন দিয়ে মানুষ মেরেছে তাদের ছাড় নেই। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। হুকুমদাতাসহ আগুন সন্ত্রাসীদের খুঁজে খুঁজে বের করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যাতে ভবিষ্যতে আর কেউ এমন করতে না পারে।
পঞ্চমবার প্রধানমন্ত্রী হয়ে প্রথম সরকারি সফরে শনিবার গোপালগঞ্জে গেছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার সঙ্গে আছেন ছোট বোন শেখ রেহেনা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি সৌধের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, বঙ্গবন্ধু, বঙ্গমাতা, শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রাসেলসহ ৭৫ এর ১৫ আগস্ট শহীদ ও মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন। পরে দুপুরে নবগঠিত মন্ত্রী পরিষদের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমাধি সৌধের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, নির্বাচন যেন না হতে পারে সেটাই ছিলো চক্রান্ত। কিন্তু কোনো রাজনীতিবিদ যদি ক্ষমতায় না থাকে দেশের উন্নতি হতে পারে না, এটাই প্রমাণিত সত্য।
রোববার (১৪ জানুয়ারি) কোটালীপাড়ায় আওয়ামী লীগের শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ছোট বোন শেখ রেহেনা।
সাত জানুয়ারির নির্বাচনে জনগণ ও গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, নির্বাচন বানচালে বিএনপির সমস্ত ষড়যন্ত্র জনগণ ভোট দিয়ে ধুলিস্যাৎ করে দিয়েছে।
বিএনপি যতো বার নির্বাচন বানচাল করতে চেয়েছে, ততো বার জনগণ জবাব দিয়েছে মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ২১ শতাংশ ভোট পড়েছিল। তখন নাকে খত দিয়ে তাদের বিদায় নিতে হয়েছিল। যারা গণতন্ত্রের ‘গ’ বোঝে না তারা এখন গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন করে।
তিনি বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয়ের পর থেকে বিএনপির লুটপাট, দুঃশাসন, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদের কারণে তাদের ওপর মানুষ ছিলো বীতশ্রদ্ধ (আস্থাহীন)।
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের আগের সময়গুলোতে বিএনপির ডাকা হরতাল-অবরোধে অনেক মানুষের প্রাণহানিসহ বিভিন্ন ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এই প্রসঙ্গ টেনে সরকারপ্রধান বলেন, যারা আগুন দিয়ে মানুষ মেরেছে তাদের ছাড় নেই। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। হুকুমদাতাসহ আগুন সন্ত্রাসীদের খুঁজে খুঁজে বের করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যাতে ভবিষ্যতে আর কেউ এমন করতে না পারে।
পঞ্চমবার প্রধানমন্ত্রী হয়ে প্রথম সরকারি সফরে শনিবার গোপালগঞ্জে গেছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার সঙ্গে আছেন ছোট বোন শেখ রেহেনা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি সৌধের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, বঙ্গবন্ধু, বঙ্গমাতা, শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রাসেলসহ ৭৫ এর ১৫ আগস্ট শহীদ ও মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন। পরে দুপুরে নবগঠিত মন্ত্রী পরিষদের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমাধি সৌধের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ অধিবেশনে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
৩ দিন আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেঘমল্লার বসু ও মাঈন আহমেদের দাখিল করা পদত্যাগপত্র কেন্দ্রীয় সংসদে গৃহীত হয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় একই সঙ্গে দুটি রাজনৈতিক সংগঠনের দায়িত্ব পালন করলে সাংগঠনিক মতদ্বৈধতা বা স্বার্থের দ্বন্দ্ব (কনফ্লিক্
৩ দিন আগে
বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
৩ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
৩ দিন আগে