
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নির্বাচন ঠেকাতে ও আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে বিএনপির দীর্ঘশ্বাস ফেলা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। শুক্রবার (৫ এপ্রিল) সকালে রাজধানী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ইফতার ও ঈদসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ইফতার পার্টি নয়, সাধারণ মানুষের মধ্যে ইফতার বিতরণই আওয়ামী লীগের লক্ষ্য। বড় বড় হোটেলে বিএনপি ইফতার পার্টির আয়োজন করে। আর আওয়ামী লীগ নেত্রীর নির্দেশে সাধারণ মানুষের মাঝে ইফতারসামগ্রী বিতরণ করে।
তিনি বলেন, নির্বাচন ঠেকাতে ব্যর্থ, আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে বিএনপির দীর্ঘশ্বাস ফেলা ছাড়া আর কোনো উপায় নাই। গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে তারা। ২১ বছর বিএনপি হত্যা খুন আর ধ্বংসের রাজনীতি করেছে। আর গণতন্ত্রকে শৃঙ্খল এবং উদ্ধার করেছে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা।
আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের বিষয়ে সরকার অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছে। প্রশাসন দৃষ্টি রেখেছে। তবে এ বিষয় নিয়ে গোটা পার্বত্য চট্টগ্রাম অশান্ত হবে এমনটা ভাবার কোনো কারণ নেই। অচিরেই এর সমাধান হয়ে যাবে। এই ঘটনার পেছনে কে বা কারা জড়িত সরকার তা খতিয়ে দেখছে।

নির্বাচন ঠেকাতে ও আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে বিএনপির দীর্ঘশ্বাস ফেলা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। শুক্রবার (৫ এপ্রিল) সকালে রাজধানী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ইফতার ও ঈদসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ইফতার পার্টি নয়, সাধারণ মানুষের মধ্যে ইফতার বিতরণই আওয়ামী লীগের লক্ষ্য। বড় বড় হোটেলে বিএনপি ইফতার পার্টির আয়োজন করে। আর আওয়ামী লীগ নেত্রীর নির্দেশে সাধারণ মানুষের মাঝে ইফতারসামগ্রী বিতরণ করে।
তিনি বলেন, নির্বাচন ঠেকাতে ব্যর্থ, আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে বিএনপির দীর্ঘশ্বাস ফেলা ছাড়া আর কোনো উপায় নাই। গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে তারা। ২১ বছর বিএনপি হত্যা খুন আর ধ্বংসের রাজনীতি করেছে। আর গণতন্ত্রকে শৃঙ্খল এবং উদ্ধার করেছে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা।
আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের বিষয়ে সরকার অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছে। প্রশাসন দৃষ্টি রেখেছে। তবে এ বিষয় নিয়ে গোটা পার্বত্য চট্টগ্রাম অশান্ত হবে এমনটা ভাবার কোনো কারণ নেই। অচিরেই এর সমাধান হয়ে যাবে। এই ঘটনার পেছনে কে বা কারা জড়িত সরকার তা খতিয়ে দেখছে।

বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
১ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
১ দিন আগে
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম দাবি ছিল, সাহাবুদ্দিন চুপ্পু রাষ্ট্রপতির পদে থাকবেন না। তিনি একসময় স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, শেখ হাসিনা তার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। পরে সেই বক্তব্য অস্বীকার করে মিথ্যাচার করেছেন, যা রাষ্ট্রপতি হিসেবে নেয়া শপথের লঙ্ঘন। দেরিতে হলেও জাতির ঘাড় থেকে ফ্যাসি
১ দিন আগে