
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে এক সমন্বয় সভার বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের বলেন,নাশকতাকারীরা এখনো ঘাপটি মেরে আছে, তারা আরো খারাপ পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে।এসময় সভায় ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের কয়েকটি ওয়ার্ডের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, শান্তিপূর্ণ পথে নয়, চোরাগোপ্তা পথে তাণ্ডবলীলা চালিয়ে ক্ষমতা দখল করতে চায় বিএনপি-জামায়াত। তারা নির্বাচন চায় না, গণতন্ত্র চায় না। তাদের পথ শান্তিপূর্ণ নয়, তাদের পথ দেশকে অস্থিতিশীল করে রক্তস্রোতের ওপর দাঁড়িয়ে ক্ষমতা দখল। এটাই তাদের মূল লক্ষ্য ৷ দেশের অর্জনের স্থাপনাগুলোকে পূর্বপরিকল্পনার নীলনকশা অনুযায়ী তাণ্ডবলীলা চালিয়েছে বিএনপি-জামায়াতের সশস্ত্র ক্যাডাররা। বিএনপির পলাতক দণ্ডিত নেতা তারেক রহমান সারা দেশ থেকে নাশকতার আসামিদের ঢাকায় জড়ো করেছেন সহিংসতা চালাতে।
এ সমন্বয় সভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, সুজিত রায় নন্দী প্রমুখ ৷ আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তরের অন্তর্গত দলীয় সংসদ সদস্য, আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা।
এর পর দুপুরে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত নিম্নআয়ের মানুষদের মধ্যে খাদ্য বিতরণ অনুষ্ঠানে আসেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। অনুষ্ঠানে ওবায়দুল কাদের কষ্টে থাকা মানুষের জন্য এ কর্মসূচি অব্যাহত রাখা হবে বলে জানান।
তিনি বলেন, আজকে যে পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে পারে। শত্রুরা আড়ালে আবডালে আরো প্রস্তুতি নিয়ে আক্রমণ করতে পারে। বিএনপি জামায়াতের টার্গেট শেখ হাসিনার সরকারের পতন। আজকে সাহসী নেতার দরকার। সাহস করে এ পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য প্রস্তুত হোন।
এ সময় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবিরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের নেতারা।

আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে এক সমন্বয় সভার বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের বলেন,নাশকতাকারীরা এখনো ঘাপটি মেরে আছে, তারা আরো খারাপ পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে।এসময় সভায় ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের কয়েকটি ওয়ার্ডের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, শান্তিপূর্ণ পথে নয়, চোরাগোপ্তা পথে তাণ্ডবলীলা চালিয়ে ক্ষমতা দখল করতে চায় বিএনপি-জামায়াত। তারা নির্বাচন চায় না, গণতন্ত্র চায় না। তাদের পথ শান্তিপূর্ণ নয়, তাদের পথ দেশকে অস্থিতিশীল করে রক্তস্রোতের ওপর দাঁড়িয়ে ক্ষমতা দখল। এটাই তাদের মূল লক্ষ্য ৷ দেশের অর্জনের স্থাপনাগুলোকে পূর্বপরিকল্পনার নীলনকশা অনুযায়ী তাণ্ডবলীলা চালিয়েছে বিএনপি-জামায়াতের সশস্ত্র ক্যাডাররা। বিএনপির পলাতক দণ্ডিত নেতা তারেক রহমান সারা দেশ থেকে নাশকতার আসামিদের ঢাকায় জড়ো করেছেন সহিংসতা চালাতে।
এ সমন্বয় সভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, সুজিত রায় নন্দী প্রমুখ ৷ আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তরের অন্তর্গত দলীয় সংসদ সদস্য, আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা।
এর পর দুপুরে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত নিম্নআয়ের মানুষদের মধ্যে খাদ্য বিতরণ অনুষ্ঠানে আসেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। অনুষ্ঠানে ওবায়দুল কাদের কষ্টে থাকা মানুষের জন্য এ কর্মসূচি অব্যাহত রাখা হবে বলে জানান।
তিনি বলেন, আজকে যে পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে পারে। শত্রুরা আড়ালে আবডালে আরো প্রস্তুতি নিয়ে আক্রমণ করতে পারে। বিএনপি জামায়াতের টার্গেট শেখ হাসিনার সরকারের পতন। আজকে সাহসী নেতার দরকার। সাহস করে এ পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য প্রস্তুত হোন।
এ সময় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবিরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের নেতারা।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠিয়েছে। তাই তারা যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করবেন।
৫ দিন আগে
বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৫ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৫ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৮ দিন আগে