
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এবং সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানকের বাসায় তল্লাশি চালিয়েছে শিক্ষার্থী ও সেনাবাহিনী। রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার শ্যামলী রিং রোড সংলগ্ন টিক্কা পাড়ার হাজী চিনু মিয়া লেনের আটতলা ভবনের দোতলা ও তিনতলায় বুধবার সন্ধ্যায় ৭টার দিকে এ অভিযান চালানো হয়।
এলাকাবাসী জানিয়েছেন, সেনাবাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে শিক্ষার্থীও উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, বাসা তালাবদ্ধ বা সিল করার জন্য তারা পুলিশকে ফোন করেছেন কিন্তু পুলিশ রিসিভ করেনি। উৎসুক জনতা ভিড় করায় নিরাপত্তার স্বার্থে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেননি।
শিক্ষার্থীরা উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, বুধবার সন্ধ্যার পর পর তল্লাশি শুরু হয়। সকালে ও দুপুরে কয়েকটি গাড়িতে বস্তা থেকে শুরু করে অনেক কিছু নিয়ে যাওয়া হয়। আমরা সন্দেহ করি কিছু থাকতে পারে। সে জন্য সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় আমরা তল্লাশি শুরু করি।
শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, নানকের বাসা থেকে আগ্নেয়াস্ত্র বা টাকা-পয়সা পাওয়া যায়নি। আমরা অনেক বাড়ির দলিল পেয়েছি, যেগুলো অন্যের নামে। চাকরির ক্ষেত্রে তিনি এবং আওয়ামী লীগের লোকজন যে সুপারিশ করতেন, সেই প্রমাণ আমরা তার বাড়ি থেকে পেয়েছি। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের টাকা-পয়সা কোথায় থেকে আসত, কোথায় যেত এবং কার কাছে কত টাকা যেত সেই লিস্ট ভেতরে পাওয়া গেছে।
তারা আরও বলেন, প্রতিটি কাগজ আমরা গুরুত্ব দিয়ে দেখেছি, লকারে কিছু পাওয়া যায়নি। মাদ্রাসাশিক্ষার্থীদের কিছু ছবি পাওয়া গেছে বাসার ভেতরে।
ভবনের নিরাপত্তাকর্মী আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ধানমন্ডির একটি বাসায় থাকতেন নানক। মাঝে মাঝে মোহাম্মদপুরের এই অ্যাপার্টমেন্টে আসতেন। তবে গত ৫ আগস্টের পরে আর আসেননি। গত নির্বাচনের সময় ওই ফ্ল্যাটটি মোহাম্মদপুর আওয়ামী লীগের নির্বাচনি ক্যাম্প অফিস হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এবং সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানকের বাসায় তল্লাশি চালিয়েছে শিক্ষার্থী ও সেনাবাহিনী। রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার শ্যামলী রিং রোড সংলগ্ন টিক্কা পাড়ার হাজী চিনু মিয়া লেনের আটতলা ভবনের দোতলা ও তিনতলায় বুধবার সন্ধ্যায় ৭টার দিকে এ অভিযান চালানো হয়।
এলাকাবাসী জানিয়েছেন, সেনাবাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে শিক্ষার্থীও উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, বাসা তালাবদ্ধ বা সিল করার জন্য তারা পুলিশকে ফোন করেছেন কিন্তু পুলিশ রিসিভ করেনি। উৎসুক জনতা ভিড় করায় নিরাপত্তার স্বার্থে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেননি।
শিক্ষার্থীরা উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, বুধবার সন্ধ্যার পর পর তল্লাশি শুরু হয়। সকালে ও দুপুরে কয়েকটি গাড়িতে বস্তা থেকে শুরু করে অনেক কিছু নিয়ে যাওয়া হয়। আমরা সন্দেহ করি কিছু থাকতে পারে। সে জন্য সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় আমরা তল্লাশি শুরু করি।
শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, নানকের বাসা থেকে আগ্নেয়াস্ত্র বা টাকা-পয়সা পাওয়া যায়নি। আমরা অনেক বাড়ির দলিল পেয়েছি, যেগুলো অন্যের নামে। চাকরির ক্ষেত্রে তিনি এবং আওয়ামী লীগের লোকজন যে সুপারিশ করতেন, সেই প্রমাণ আমরা তার বাড়ি থেকে পেয়েছি। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের টাকা-পয়সা কোথায় থেকে আসত, কোথায় যেত এবং কার কাছে কত টাকা যেত সেই লিস্ট ভেতরে পাওয়া গেছে।
তারা আরও বলেন, প্রতিটি কাগজ আমরা গুরুত্ব দিয়ে দেখেছি, লকারে কিছু পাওয়া যায়নি। মাদ্রাসাশিক্ষার্থীদের কিছু ছবি পাওয়া গেছে বাসার ভেতরে।
ভবনের নিরাপত্তাকর্মী আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ধানমন্ডির একটি বাসায় থাকতেন নানক। মাঝে মাঝে মোহাম্মদপুরের এই অ্যাপার্টমেন্টে আসতেন। তবে গত ৫ আগস্টের পরে আর আসেননি। গত নির্বাচনের সময় ওই ফ্ল্যাটটি মোহাম্মদপুর আওয়ামী লীগের নির্বাচনি ক্যাম্প অফিস হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

নতুন এই রদবদলে কেন্দ্রীয় স্কুল কার্যক্রম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ডা. জায়েদ আহমাদ। তিনি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ থেকে (২০১৮-২০১৯ সেশন) এমবিবিএস পাস করেছেন। এর আগে তিনি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের সভাপতি এবং মেডিকেল জোনের সেক্রেটারি ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার গ্রামের
২১ ঘণ্টা আগে
নাহিদ বলেন, সরকার বলেছিল, তারা জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে। কিন্তু আজ আমরা দেখছি, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে নানা টালবাহানা করা হচ্ছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হবে কি না, তা নিয়েই সন্দেহ দেখা দিয়েছে। তাই সরকার যদি বলে তারা জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে, তাহলে বিচার আর সংস্কার প্রক্রিয়াকে আন্ত
১ দিন আগে
নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী তার পোস্টে বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় শিক্ষাব্যবস্থা এখনও কোনো সুস্পষ্ট জাতীয় সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারেনি এবং বর্তমান বিজ্ঞান, কলা ও ব্যবসায় শিক্ষার কাঠামো দক্ষ জনশক্তি গড়ার পরিবর্তে একটি বৃহৎ শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠী তৈরি করছে।
২ দিন আগে
বিগত ১৭ বছরের দুঃশাসনের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, 'গুম, খুন ও চরম নির্যাতনের শিকার হয়েও আপনারা সবাই মিলে দল সামলেছেন। নিজের পরিবারের চেয়ে দলকে বেশি সময় ও অর্থ দিয়েছেন। তখন সবাই সবার পাশে থেকে ঐক্যবদ্ধভাবে দল চালিয়েছেন। এখন নির্যাতনের সেই ভয় নেই, তাহলে এখন কেন ঐক্যবদ্ধ থা
৩ দিন আগে