
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নির্বাচনে স্বতন্ত্র ও বিরোধী প্রার্থীদের আওয়ামী লীগের কেউ বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনে দলীয়ভাবেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও ঢাকা-১৩ আসনের প্রার্থী জাহাঙ্গীর কবির নানক।
সোমবার নিজ আসনে নির্বাচনী গণসংযোগ চালানোর সময় এ হুঁশিয়ারি দেন নানক।
তিনি মোহাম্মদপুরে সূচনা কমিউনিটি সেন্টারের সামনে থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন। এ সময় নানক সব প্রার্থীকে সংযত থেকে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর আহ্বানও জানান।
নানক বলেন, উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে৷ নির্বাচনে স্বতন্ত্রসহ সব দলের প্রার্থী সবাই উৎসবমুখর পরিবেশে প্রচার চালাচ্ছেন৷ এখানে আমাদের দলের প্রার্থী, বিরোধী দলের, স্বতন্ত্র সবাইকে সংযত থাকতে হবে। আমাদের দলের কেউ অন্য প্রার্থীকে বাধা দিলে প্রয়োজনে দলীয়ভাবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷
বিএনপির সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, বিএনপি-অগ্নিসন্ত্রাস করে মানুষের সাংবিধানিক অধিকার নষ্ট করতে পারবে না।
নির্বাচনে ভোটারদের সাড়া সম্পর্কে আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, ভোটারদের যে সাড়া পাচ্ছি, তাতে আমি আত্মহারা। মানুষের যে আমার প্রতি এত ভালবাসা এত স্নেহ, মায়া ও মমতা তা দেখে আমি ব্যাকুল হয়ে গিয়েছি। এ এলাকার মানুষের কাছে ৫ বছর পরে ফিরে এসে আমি যেন আমার মাতৃকুলে ফিরে এসেছি।
সকালে ছাদ খোলা গাড়িতে চড়ে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন নানক। সাধারণ জনগণ ও ভোটারদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। উৎফুল্ল জনতা ফুল ছিটিয়ে নৌকার এ প্রার্থীকে সাধুবাদ জানান।
গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক রানা, মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজ মাহমুদসহ ওয়ার্ড ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

নির্বাচনে স্বতন্ত্র ও বিরোধী প্রার্থীদের আওয়ামী লীগের কেউ বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনে দলীয়ভাবেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও ঢাকা-১৩ আসনের প্রার্থী জাহাঙ্গীর কবির নানক।
সোমবার নিজ আসনে নির্বাচনী গণসংযোগ চালানোর সময় এ হুঁশিয়ারি দেন নানক।
তিনি মোহাম্মদপুরে সূচনা কমিউনিটি সেন্টারের সামনে থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন। এ সময় নানক সব প্রার্থীকে সংযত থেকে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর আহ্বানও জানান।
নানক বলেন, উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে৷ নির্বাচনে স্বতন্ত্রসহ সব দলের প্রার্থী সবাই উৎসবমুখর পরিবেশে প্রচার চালাচ্ছেন৷ এখানে আমাদের দলের প্রার্থী, বিরোধী দলের, স্বতন্ত্র সবাইকে সংযত থাকতে হবে। আমাদের দলের কেউ অন্য প্রার্থীকে বাধা দিলে প্রয়োজনে দলীয়ভাবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷
বিএনপির সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, বিএনপি-অগ্নিসন্ত্রাস করে মানুষের সাংবিধানিক অধিকার নষ্ট করতে পারবে না।
নির্বাচনে ভোটারদের সাড়া সম্পর্কে আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, ভোটারদের যে সাড়া পাচ্ছি, তাতে আমি আত্মহারা। মানুষের যে আমার প্রতি এত ভালবাসা এত স্নেহ, মায়া ও মমতা তা দেখে আমি ব্যাকুল হয়ে গিয়েছি। এ এলাকার মানুষের কাছে ৫ বছর পরে ফিরে এসে আমি যেন আমার মাতৃকুলে ফিরে এসেছি।
সকালে ছাদ খোলা গাড়িতে চড়ে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন নানক। সাধারণ জনগণ ও ভোটারদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। উৎফুল্ল জনতা ফুল ছিটিয়ে নৌকার এ প্রার্থীকে সাধুবাদ জানান।
গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক রানা, মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজ মাহমুদসহ ওয়ার্ড ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে আগামী পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ করে যেতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করলে বিএনপি সরকারকে আর সহযোগিতা করা হবে না।
৩ দিন আগে
শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ অধিবেশনে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
৩ দিন আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেঘমল্লার বসু ও মাঈন আহমেদের দাখিল করা পদত্যাগপত্র কেন্দ্রীয় সংসদে গৃহীত হয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় একই সঙ্গে দুটি রাজনৈতিক সংগঠনের দায়িত্ব পালন করলে সাংগঠনিক মতদ্বৈধতা বা স্বার্থের দ্বন্দ্ব (কনফ্লিক্
৩ দিন আগে
বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
৪ দিন আগে