
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার রাজনৈতিক জীবনে স্বাধীন নন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
এখন দুর্নীতিবাজরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলছে মন্তব্য করে কাদের বলেন, ‘বিএনপি টপ টু বটম একটি দুর্নীতিবাজ দল। এই দলের নেতা টপ টু বটম দুর্নীতির বরপুত্র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। তাকে ভালো মানুষ সাজানোর জন্য ফখরুল (বিএনপি মহাসচিব) একটি বিবৃতি দিয়ে বসলেন।
‘ফখরুল সাহেব তার ধমকে অনেক কিছুই করেন। তিনি তাদের নির্বাচিত ছয়জনকে সংসদে পাঠালেন। এখন ফখরুল যদি সংসদে যায়, তারেক রহমানের পাওয়ার সংকুচিত হয়—এ রকম একটি সাইকোলজি থেকে ফখরুলকে পার্লামেন্টে যাওয়া থেকে বিরত রেখেছে তারেক রহমানের একটা ধমক,’ বলেন তিনি।
কাদের আরও বলেন, ‘ফখরুল সাহেব নিজেই তো স্বাধীন নন। তার দলের কোনো পর্যায়ে কোনো সম্মেলন হয় না। অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রের চর্চা হয় না। তারেক রহমান বিদেশে থাকলে বিএনপি কখনো স্বাধীন সত্তা নিয়ে রাজনৈতিক দল হিসেবে অস্তিত্বের প্রকাশ ঘটাতে পারবে সেটা আমাদের বিশ্বাস হয় না।
‘নির্বাচনে বিএনপি আসবে না। বিএনপি যদি নির্বাচনে আসতো, গতবারের মতো খরার ফলাফল হতো না। এটা আমি মনে করি, কারণ সার্বিক পরিস্থিতির কারণে অপজিশনের একটি ভোট ছিল কিন্তু তারেক রহমান মনে করে, এই অবস্থায় যদি বিএনপি ভালোও করে সুফল তো আমি পাচ্ছি না,’ যোগ করেন তিনি।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, ‘তার অনুপস্থিতিতে অন্য কেউ নেতা হবে; ফখরুল সাহেব বোধ হয় নিজেও অনুধাবন করতে পারছেন যে, তাকে কীভাবে তারেকের ধমকের মুখে চলতে হয়।’
তিনি বলেন, ‘এখন বলে তাকে শাস্তি দেওয়া যাবে না। শাস্তি তো তিনি পেয়েছেন! নতুন করে দেওয়ার কী আছে! শাস্তিটা এখন ভোগ করা হচ্ছে বিষয়। তাকে এখানে এনে শাস্তি ভোগ করাতে হবে। সেটাই প্রধানমন্ত্রী বলেছেন। এফবিআই ঢাকায় এসে সাক্ষ্য দিয়ে গেছে অর্থ পাচারের। সেই মামলার রায় হয়েছে, দেশের আদালত-বিচার ব্যবস্থা বিএনপির বিরুদ্ধে গেলে তাদের নেতারা বিচারও মানে না, বিচার ব্যবস্থাও মানে না, আইন মানে না, আইনের শাসন তারা মানতে চায় না। অস্ত্র মামলায়, দুর্নীতির মামলায়—তারেক রহমানের আর কত সাজা হবে! তার তো শাস্তি হয়েছে। সাজা হয়ে গেছে, এখন তার শাস্তি ভোগ করার ব্যবস্থা করতে হবে। দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে।’
কাদের বলেন, ‘তাকে ভালো মানুষ সাজানোর তো কোনো কারণ নেই! বিএনপি তাদের গঠনতন্ত্র থেকে হঠাৎ করে সাত ধারাটা কলমের খোঁচায় বাদ দিয়ে দিয়েছে। কারণ ওই সাত ধারায় আছে, দণ্ডপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি বিএনপির নেতা হতে পারবে না। ফখরুল সাহেব ভালো মানুষে সাজাচ্ছেন, তাহলে সাত ধারা বাদ দিলেন কেন?’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার রাজনৈতিক জীবনে স্বাধীন নন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
এখন দুর্নীতিবাজরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলছে মন্তব্য করে কাদের বলেন, ‘বিএনপি টপ টু বটম একটি দুর্নীতিবাজ দল। এই দলের নেতা টপ টু বটম দুর্নীতির বরপুত্র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। তাকে ভালো মানুষ সাজানোর জন্য ফখরুল (বিএনপি মহাসচিব) একটি বিবৃতি দিয়ে বসলেন।
‘ফখরুল সাহেব তার ধমকে অনেক কিছুই করেন। তিনি তাদের নির্বাচিত ছয়জনকে সংসদে পাঠালেন। এখন ফখরুল যদি সংসদে যায়, তারেক রহমানের পাওয়ার সংকুচিত হয়—এ রকম একটি সাইকোলজি থেকে ফখরুলকে পার্লামেন্টে যাওয়া থেকে বিরত রেখেছে তারেক রহমানের একটা ধমক,’ বলেন তিনি।
কাদের আরও বলেন, ‘ফখরুল সাহেব নিজেই তো স্বাধীন নন। তার দলের কোনো পর্যায়ে কোনো সম্মেলন হয় না। অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রের চর্চা হয় না। তারেক রহমান বিদেশে থাকলে বিএনপি কখনো স্বাধীন সত্তা নিয়ে রাজনৈতিক দল হিসেবে অস্তিত্বের প্রকাশ ঘটাতে পারবে সেটা আমাদের বিশ্বাস হয় না।
‘নির্বাচনে বিএনপি আসবে না। বিএনপি যদি নির্বাচনে আসতো, গতবারের মতো খরার ফলাফল হতো না। এটা আমি মনে করি, কারণ সার্বিক পরিস্থিতির কারণে অপজিশনের একটি ভোট ছিল কিন্তু তারেক রহমান মনে করে, এই অবস্থায় যদি বিএনপি ভালোও করে সুফল তো আমি পাচ্ছি না,’ যোগ করেন তিনি।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, ‘তার অনুপস্থিতিতে অন্য কেউ নেতা হবে; ফখরুল সাহেব বোধ হয় নিজেও অনুধাবন করতে পারছেন যে, তাকে কীভাবে তারেকের ধমকের মুখে চলতে হয়।’
তিনি বলেন, ‘এখন বলে তাকে শাস্তি দেওয়া যাবে না। শাস্তি তো তিনি পেয়েছেন! নতুন করে দেওয়ার কী আছে! শাস্তিটা এখন ভোগ করা হচ্ছে বিষয়। তাকে এখানে এনে শাস্তি ভোগ করাতে হবে। সেটাই প্রধানমন্ত্রী বলেছেন। এফবিআই ঢাকায় এসে সাক্ষ্য দিয়ে গেছে অর্থ পাচারের। সেই মামলার রায় হয়েছে, দেশের আদালত-বিচার ব্যবস্থা বিএনপির বিরুদ্ধে গেলে তাদের নেতারা বিচারও মানে না, বিচার ব্যবস্থাও মানে না, আইন মানে না, আইনের শাসন তারা মানতে চায় না। অস্ত্র মামলায়, দুর্নীতির মামলায়—তারেক রহমানের আর কত সাজা হবে! তার তো শাস্তি হয়েছে। সাজা হয়ে গেছে, এখন তার শাস্তি ভোগ করার ব্যবস্থা করতে হবে। দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে।’
কাদের বলেন, ‘তাকে ভালো মানুষ সাজানোর তো কোনো কারণ নেই! বিএনপি তাদের গঠনতন্ত্র থেকে হঠাৎ করে সাত ধারাটা কলমের খোঁচায় বাদ দিয়ে দিয়েছে। কারণ ওই সাত ধারায় আছে, দণ্ডপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি বিএনপির নেতা হতে পারবে না। ফখরুল সাহেব ভালো মানুষে সাজাচ্ছেন, তাহলে সাত ধারা বাদ দিলেন কেন?’

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠিয়েছে। তাই তারা যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করবেন।
৬ দিন আগে
বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৬ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৬ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৮ দিন আগে