
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, বিএনপির বহু নেতা এবারের নির্বাচনে অংশ নিতে চান এবং এজন্য তারা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। বিএনপি নেতারা স্বপ্রণোদিত হয়ে আমাদের কাছে আসছেন। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য তারা আমাদের নেতাদের বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন। তারা ইলেকশন করবেন, করতে চান। আমাদের কথা একটাই, নির্বাচন ডিক্লেয়ার হয়ে গেছে, আপনারা দল ভেঙে যে নতুন দল করেছেন সেভাবেও আসুন বা আপনারা যেভাবে আসতে পারেন আসুন। আমাদের তরফ থেকে আপনাদের স্বাগত জানাই।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক গোয়েন লুইসের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বিএনপির সিদ্ধান্ত তাদের নেতাকর্মীরা মেনে নিতে পারছেন না। তাদের দল দুটি ভাগে ভাগ হয়ে গেছে। বিএনপি নেতারাই ভাগ করে দিয়েছেন। একটা দল তৈমুর আলম খন্দকার ও শমসের মবিন চৌধুরী এবং আরেকটি বিএনপির একজন মন্ত্রী তৈরি করেছেন। তার সঙ্গে আরও কয়েকজন রয়েছেন। তাদের সবাই একসময় বিএনপিতে ছিলেন, এখন ভাগ হয়ে যাচ্ছেন। এখানে কাউকে জোর করতে হয়নি। তারা মনে করছেন, তাদের কেন্দ্রীয় কমিটি যে সিদ্ধান্ত দিচ্ছে, সেটা তাদের মনঃপুত হচ্ছে না। তারা নির্বাচনমুখী, সেজন্যই তারা নির্বাচনে আসছেন। কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে এমনটা করেছেন। এ ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে জোর করা কিংবা আহ্বান জানানোর প্রশ্ন আসে না।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আপনারা বলছেন মামলা বেড়ে গেছে, আমার কাছে তথ্য আছে মামলা কমেছে। ২৮ অক্টোবরের আগে সারা দেশে প্রতিদিন দুই হাজারের কাছাকাছি বিভিন্ন অভিযোগে আসামিরা জেলে যেতেন। আবার দুই হাজারের কাছাকাছি ছাড়া পেতেন। আর ২৮ অক্টোবরের পরে এ সংখ্যা কমে এসেছে। এখন গড়ে প্রতিদিন ১ হাজার ৮১৬ জন জেলে যাচ্ছেন। এর নানাবিধ কারণ হতে পারে। আপনারা সংবাদ দিচ্ছেন আমরা যাকে পাই তাকে ধরছি, সেটি কিন্তু সঠিক নয়।
তিনি বলেন, ২৮ অক্টোবরের আগে সারা দেশে প্রতিদিন ৫৬৫টি মামলা হতো। কিন্তু এখন প্রতিদিন ৪৩৮টি মামলা হচ্ছে। ১২৭টির মতো মামলা কমেছে। আমি আপনাদের ধারণাটা দিলাম, তারা যে বলছে রাজনৈতিক মামলায় যাকে পাচ্ছি, তাকে ধরছি, বিএনপির নেতাদের ধরছি, মামলা করছি- এটা কিন্তু সঠিক নয়।
সরকারের চাপে মির্জা ফখরুলসহ বিএনপি নেতাদের জামিন দেওয়া হচ্ছে না বলে তাদের আইনজীবী অভিযোগ করেছেন, এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেখুন, সরকার প্রভাব বিস্তার করবে কেন? বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীন। আমাদের সরকারের কোনো প্রভাব সেখানে নেই। কেস টু কেস দেখে তারা (বিচারক) জামিন দিচ্ছেন। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, এখানে কোনো কিছুতে প্রভাবিত হয়ে বিচারকরা সিদ্ধান্ত দেননি। আমাদের চাপিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত নয় এটি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, বিএনপির বহু নেতা এবারের নির্বাচনে অংশ নিতে চান এবং এজন্য তারা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। বিএনপি নেতারা স্বপ্রণোদিত হয়ে আমাদের কাছে আসছেন। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য তারা আমাদের নেতাদের বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন। তারা ইলেকশন করবেন, করতে চান। আমাদের কথা একটাই, নির্বাচন ডিক্লেয়ার হয়ে গেছে, আপনারা দল ভেঙে যে নতুন দল করেছেন সেভাবেও আসুন বা আপনারা যেভাবে আসতে পারেন আসুন। আমাদের তরফ থেকে আপনাদের স্বাগত জানাই।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক গোয়েন লুইসের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বিএনপির সিদ্ধান্ত তাদের নেতাকর্মীরা মেনে নিতে পারছেন না। তাদের দল দুটি ভাগে ভাগ হয়ে গেছে। বিএনপি নেতারাই ভাগ করে দিয়েছেন। একটা দল তৈমুর আলম খন্দকার ও শমসের মবিন চৌধুরী এবং আরেকটি বিএনপির একজন মন্ত্রী তৈরি করেছেন। তার সঙ্গে আরও কয়েকজন রয়েছেন। তাদের সবাই একসময় বিএনপিতে ছিলেন, এখন ভাগ হয়ে যাচ্ছেন। এখানে কাউকে জোর করতে হয়নি। তারা মনে করছেন, তাদের কেন্দ্রীয় কমিটি যে সিদ্ধান্ত দিচ্ছে, সেটা তাদের মনঃপুত হচ্ছে না। তারা নির্বাচনমুখী, সেজন্যই তারা নির্বাচনে আসছেন। কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে এমনটা করেছেন। এ ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে জোর করা কিংবা আহ্বান জানানোর প্রশ্ন আসে না।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আপনারা বলছেন মামলা বেড়ে গেছে, আমার কাছে তথ্য আছে মামলা কমেছে। ২৮ অক্টোবরের আগে সারা দেশে প্রতিদিন দুই হাজারের কাছাকাছি বিভিন্ন অভিযোগে আসামিরা জেলে যেতেন। আবার দুই হাজারের কাছাকাছি ছাড়া পেতেন। আর ২৮ অক্টোবরের পরে এ সংখ্যা কমে এসেছে। এখন গড়ে প্রতিদিন ১ হাজার ৮১৬ জন জেলে যাচ্ছেন। এর নানাবিধ কারণ হতে পারে। আপনারা সংবাদ দিচ্ছেন আমরা যাকে পাই তাকে ধরছি, সেটি কিন্তু সঠিক নয়।
তিনি বলেন, ২৮ অক্টোবরের আগে সারা দেশে প্রতিদিন ৫৬৫টি মামলা হতো। কিন্তু এখন প্রতিদিন ৪৩৮টি মামলা হচ্ছে। ১২৭টির মতো মামলা কমেছে। আমি আপনাদের ধারণাটা দিলাম, তারা যে বলছে রাজনৈতিক মামলায় যাকে পাচ্ছি, তাকে ধরছি, বিএনপির নেতাদের ধরছি, মামলা করছি- এটা কিন্তু সঠিক নয়।
সরকারের চাপে মির্জা ফখরুলসহ বিএনপি নেতাদের জামিন দেওয়া হচ্ছে না বলে তাদের আইনজীবী অভিযোগ করেছেন, এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেখুন, সরকার প্রভাব বিস্তার করবে কেন? বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীন। আমাদের সরকারের কোনো প্রভাব সেখানে নেই। কেস টু কেস দেখে তারা (বিচারক) জামিন দিচ্ছেন। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, এখানে কোনো কিছুতে প্রভাবিত হয়ে বিচারকরা সিদ্ধান্ত দেননি। আমাদের চাপিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত নয় এটি।

রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৩ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৩ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
৩ দিন আগে
বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে শিষ্টাচারবহির্ভূত মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, "রাজনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনকারীদের আমরা স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ার করে দিতে চাই—যুবদল রাজপথের সংগঠন। রাজপথে থেকেই আমরা অতীতে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেছি, এবারও এসব অপপ্রচারের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।"
৩ দিন আগে