
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস উদ্দীপনায় রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শুরু হয়েছে আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভা। এতে যোগ দিতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সভার মঞ্চে উপস্থিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিকেল ৩টা ৪২ মিনিটে আলোচনা সভার মঞ্চে আসন গ্রহণ করেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী।
৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী তথা প্লাটিনাম জুবিলির এই আয়োজনের শিরোনাম দেওয়া হয়েছে- ‘গৌরবময় পথ চলার ৭৫ বছরে আওয়ামী লীগ, সংগ্রাম, সংকল্প, সততা, শপথে জনগণের সাথে’।
মঞ্চে উঠে উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নেতাকর্মীরাও বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান।
এর আগে, দলের সভাপতি শেখ হাসিনা জাতীয় পতাকা এবং দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময় জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। পরে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে আলোচনা সভার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করছেন। অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশ নিয়েছেন।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, ড আব্দুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, জাহাঙ্গীর কবির নানক, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, সিমিন হোসেন রুমি, এ এইচ এম খায়রুজাজামান লিটন, সৈয়দা জেবুন্নেছা হক আলোচনা সভার মঞ্চে উপস্থিত রয়েছেন।
১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পুরান ঢাকার রোজ গার্ডেনে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা হয়। প্রতিবছর নানা কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠার এই দিনটি উদযাপন করে আওয়ামী লীগ।
৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আওয়ামী লীগের সুদীর্ঘ ইতিহাস, ঐতিহ্য, আন্দোলন, সংগ্রামে ভূমিকা তুলে ধরার কর্মসূচি রয়েছে। এ লক্ষ্যে দেশব্যাপী আলোচনা সভা, সেমিনার, চিত্র প্রদর্শনী, শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে।

বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস উদ্দীপনায় রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শুরু হয়েছে আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভা। এতে যোগ দিতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সভার মঞ্চে উপস্থিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিকেল ৩টা ৪২ মিনিটে আলোচনা সভার মঞ্চে আসন গ্রহণ করেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী।
৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী তথা প্লাটিনাম জুবিলির এই আয়োজনের শিরোনাম দেওয়া হয়েছে- ‘গৌরবময় পথ চলার ৭৫ বছরে আওয়ামী লীগ, সংগ্রাম, সংকল্প, সততা, শপথে জনগণের সাথে’।
মঞ্চে উঠে উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নেতাকর্মীরাও বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান।
এর আগে, দলের সভাপতি শেখ হাসিনা জাতীয় পতাকা এবং দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময় জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। পরে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে আলোচনা সভার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করছেন। অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশ নিয়েছেন।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, ড আব্দুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, জাহাঙ্গীর কবির নানক, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, সিমিন হোসেন রুমি, এ এইচ এম খায়রুজাজামান লিটন, সৈয়দা জেবুন্নেছা হক আলোচনা সভার মঞ্চে উপস্থিত রয়েছেন।
১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পুরান ঢাকার রোজ গার্ডেনে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা হয়। প্রতিবছর নানা কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠার এই দিনটি উদযাপন করে আওয়ামী লীগ।
৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আওয়ামী লীগের সুদীর্ঘ ইতিহাস, ঐতিহ্য, আন্দোলন, সংগ্রামে ভূমিকা তুলে ধরার কর্মসূচি রয়েছে। এ লক্ষ্যে দেশব্যাপী আলোচনা সভা, সেমিনার, চিত্র প্রদর্শনী, শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠিয়েছে। তাই তারা যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করবেন।
৬ দিন আগে
বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৬ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৬ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৮ দিন আগে