
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি অর্থ পাচার, দুর্নীতির রাজা, সাম্প্রদায়িক শক্তি। তাদের রুখতে হবে। আমাদের সার্বিক অগ্রগতির পথে প্রধান বাধা বিএনপি। এদের প্রশ্রয় দেয়া যাবে না, রুখতে হবে।
শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) বিকালে রাজধানী খামারবাড়ির বাংলাদেশ কৃষিবিদ ইন্সটিটিউটে কৃষক লীগের ৫২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
কাদের বলেন, নেতা লন্ডনে কর্মীরা হতাশ, কী করবে, হাল ধরার কেউ নেই। বিএনপি পথ হারা পথিকের মতো দিশেহারা। এই দলের ভবিষ্যৎ আছে বলে কর্মীরাও বিশ্বাস করে না। তাই এদের নিয়ে মাথাব্যথার কোন কারণ নেই।
তিনি বলেন, আজকে যারা বাংলাদেশ নিয়ে বেশি কথা বলেন, কথায় কথায় সরকারের, গণতন্ত্রের সমালোচনা করেন। যারা আন্দোলনে ব্যর্থ, নির্বাচন ঠেকাতে ব্যর্থ তারা নির্বাচনের সমালোচনা করেন। বঙ্গবন্ধুর পরিবারের রক্তস্রোত যারা বইয়ে দিয়েছিলেন, কারাগারে জাতীয় নেতাদের হত্যা করে তাদের গণতন্ত্র শুরু। এরাই এখন সবচেয়ে বেশি গণতন্ত্রের কথা বলে।
বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, নিজেরা বিপদে আছে, দেশকে বলে বিপদে আছে। বাংলাদেশ বিপদে নেই, শেখ হাসিনা যতক্ষণ আছে, ইনশাআল্লাহ তার যথাযথ উচ্চতায় অধিষ্ঠিত থাকবে।
তিনি বলেন, এটা প্রমাণ হয়েছে আমাদের স্ট্যাবিলিটির প্রতীক, নিরাপত্তা, গণতন্ত্র, অর্থনীতি, ভাবমূর্তি শেখ হাসিনার হাতে নিরাপদ। সে জন্যই তিনি ১৯৯৬ থেকে ২০০১ মাঝে ৫ বছর ষড়যন্ত্র মূলক নির্বাচনে তাকে হারানো হয়েছিল। এরপর ২০০৯ থেকে এখন পর্যন্ত ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত আছেন। আমরা ১৫ ফেব্রুয়ারি মার্কা নির্বাচন করে ক্ষমতায় আসিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, এবারে নির্বাচন কোনো সেমি ডেমোক্রেটিক নির্বাচন না, এটা ডেমোক্রেটিক নির্বাচন। তারা অংশগ্রহণ করেনি তারপরও ৪২ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়েছে। এটা অনেক উন্নতে দেশেও হয় না।
এ সময় কৃষির প্রতি জোড় দিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, অন্য সব কিছুর উত্থান-পতন হতে পারে কিন্তু কৃষি ঠিক থাকলে সিব ঠিক। তাই আমি সবাইকে বলব, নেতৃর যে প্রায়োরিটি, তা প্রায়োগিক বাস্তবতায় অক্ষরে অক্ষরে অনুধাবন করবেন। আমাদের ঢাকা শহরের চারশো বছরে অনেক স্মৃতি আছে সংগ্রাম, আন্দোলন, বিপ্লবের। বাংলাদেশে স্বাধীনতা আন্দোলনের সূচনায় হয়েছিল কৃষকদের হাতে। খণ্ড খণ্ড কৃষক বিদ্রোহ। ফকির, তিতুমীর বাশের কেল্লা, নীল বিদ্রোহ এসব কৃষকদের আন্দোলন।
কৃষক লীগ সভাপতি সমীর চন্দের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, কৃষক লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক বিশ্বনাথ সরকার বিটু প্রমুখ।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি অর্থ পাচার, দুর্নীতির রাজা, সাম্প্রদায়িক শক্তি। তাদের রুখতে হবে। আমাদের সার্বিক অগ্রগতির পথে প্রধান বাধা বিএনপি। এদের প্রশ্রয় দেয়া যাবে না, রুখতে হবে।
শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) বিকালে রাজধানী খামারবাড়ির বাংলাদেশ কৃষিবিদ ইন্সটিটিউটে কৃষক লীগের ৫২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
কাদের বলেন, নেতা লন্ডনে কর্মীরা হতাশ, কী করবে, হাল ধরার কেউ নেই। বিএনপি পথ হারা পথিকের মতো দিশেহারা। এই দলের ভবিষ্যৎ আছে বলে কর্মীরাও বিশ্বাস করে না। তাই এদের নিয়ে মাথাব্যথার কোন কারণ নেই।
তিনি বলেন, আজকে যারা বাংলাদেশ নিয়ে বেশি কথা বলেন, কথায় কথায় সরকারের, গণতন্ত্রের সমালোচনা করেন। যারা আন্দোলনে ব্যর্থ, নির্বাচন ঠেকাতে ব্যর্থ তারা নির্বাচনের সমালোচনা করেন। বঙ্গবন্ধুর পরিবারের রক্তস্রোত যারা বইয়ে দিয়েছিলেন, কারাগারে জাতীয় নেতাদের হত্যা করে তাদের গণতন্ত্র শুরু। এরাই এখন সবচেয়ে বেশি গণতন্ত্রের কথা বলে।
বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, নিজেরা বিপদে আছে, দেশকে বলে বিপদে আছে। বাংলাদেশ বিপদে নেই, শেখ হাসিনা যতক্ষণ আছে, ইনশাআল্লাহ তার যথাযথ উচ্চতায় অধিষ্ঠিত থাকবে।
তিনি বলেন, এটা প্রমাণ হয়েছে আমাদের স্ট্যাবিলিটির প্রতীক, নিরাপত্তা, গণতন্ত্র, অর্থনীতি, ভাবমূর্তি শেখ হাসিনার হাতে নিরাপদ। সে জন্যই তিনি ১৯৯৬ থেকে ২০০১ মাঝে ৫ বছর ষড়যন্ত্র মূলক নির্বাচনে তাকে হারানো হয়েছিল। এরপর ২০০৯ থেকে এখন পর্যন্ত ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত আছেন। আমরা ১৫ ফেব্রুয়ারি মার্কা নির্বাচন করে ক্ষমতায় আসিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, এবারে নির্বাচন কোনো সেমি ডেমোক্রেটিক নির্বাচন না, এটা ডেমোক্রেটিক নির্বাচন। তারা অংশগ্রহণ করেনি তারপরও ৪২ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়েছে। এটা অনেক উন্নতে দেশেও হয় না।
এ সময় কৃষির প্রতি জোড় দিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, অন্য সব কিছুর উত্থান-পতন হতে পারে কিন্তু কৃষি ঠিক থাকলে সিব ঠিক। তাই আমি সবাইকে বলব, নেতৃর যে প্রায়োরিটি, তা প্রায়োগিক বাস্তবতায় অক্ষরে অক্ষরে অনুধাবন করবেন। আমাদের ঢাকা শহরের চারশো বছরে অনেক স্মৃতি আছে সংগ্রাম, আন্দোলন, বিপ্লবের। বাংলাদেশে স্বাধীনতা আন্দোলনের সূচনায় হয়েছিল কৃষকদের হাতে। খণ্ড খণ্ড কৃষক বিদ্রোহ। ফকির, তিতুমীর বাশের কেল্লা, নীল বিদ্রোহ এসব কৃষকদের আন্দোলন।
কৃষক লীগ সভাপতি সমীর চন্দের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, কৃষক লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক বিশ্বনাথ সরকার বিটু প্রমুখ।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম দাবি ছিল, সাহাবুদ্দিন চুপ্পু রাষ্ট্রপতির পদে থাকবেন না। তিনি একসময় স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, শেখ হাসিনা তার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। পরে সেই বক্তব্য অস্বীকার করে মিথ্যাচার করেছেন, যা রাষ্ট্রপতি হিসেবে নেয়া শপথের লঙ্ঘন। দেরিতে হলেও জাতির ঘাড় থেকে ফ্যাসি
১ দিন আগে
দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংবাদ সম্মেলনে দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে দলের অবস্থান তুলে ধরা হতে পারে।
১ দিন আগে
জামায়াতের পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রকাশিত বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে দলীয় তদন্ত পরিচালনা করা হয়। সেই তদন্তে তাঁর নৈতিক স্খলনের প্রমাণ পাওয়া যাওয়ায় গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
২ দিন আগে