
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা ছাত্রলীগের দুই নেতা। পদত্যাগ করা নেতারা হলেন- ভাঙ্গা উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক মো. বাবুল মাতুব্বর ও উপজেলার চন্দ্রা ইউনিয়নের সহ-সভাপতি মেহেদী হাসান।
শনিবার (০৩ আগস্ট) বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ আলোচনায় আসে। এর আগে গত ১৭ জুলাই তারা তাদের ফেসবুকে বিষয়টি পোস্ট করেন।
বাবুল মাতুব্বর তার ফেসবুক আইডিতে লিখেছেন, ‘আমি স্কুল থেকেই ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম। আজ সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীকে নিয়ে কথা বলায় কিছু মানুষ আমাকে রাজাকার বলতেছে, আমাকে নিয়ে পোস্ট করছে। স্ট্যাটাসে তিনি আরও লিখেন, আমার ভাই-বোনদের ওপর নির্যাতন হবে আর আমি চুপ করে বসে থাকব এটা কখনোই হবে না। আমি আমার নিজ ইচ্ছায় ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে পদত্যাগ করলাম।
আরেক ছাত্রলীগ নেতা মেহেদী হাসান লেখেন- বিবেকের তাড়নায় ও দেশের মানুষের স্বার্থে আমার নিজ পদবি থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নিলাম। সবাই আমাকে ক্ষমা করে দেবেন।
এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক বাবুল মাতুব্বরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এ ব্যাপারে ভাঙ্গা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক খাইরুল ইসলাম বলেন, যদিও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না। তবে বাবুল মাতুব্বর ভাঙ্গা উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক ছিলেন। অন্যজন মেহেদী হাসান উপজেলার চন্দ্রা ইউনিয়নের সহ-সভাপতির কোনো পদে ছিলেন না, তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না।
বাবুল মাতুব্বরের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, এটা তার ব্যক্তিগত ব্যাপার হলেও এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো যাবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভাঙ্গা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সবুজ মোল্লা সনেট বলেন, তারা দুজন বর্তমানে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয় এবং বর্তমান কমিটিতে তাদের কোনো পদ পদবিও নেই।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা ছাত্রলীগের দুই নেতা। পদত্যাগ করা নেতারা হলেন- ভাঙ্গা উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক মো. বাবুল মাতুব্বর ও উপজেলার চন্দ্রা ইউনিয়নের সহ-সভাপতি মেহেদী হাসান।
শনিবার (০৩ আগস্ট) বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ আলোচনায় আসে। এর আগে গত ১৭ জুলাই তারা তাদের ফেসবুকে বিষয়টি পোস্ট করেন।
বাবুল মাতুব্বর তার ফেসবুক আইডিতে লিখেছেন, ‘আমি স্কুল থেকেই ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম। আজ সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীকে নিয়ে কথা বলায় কিছু মানুষ আমাকে রাজাকার বলতেছে, আমাকে নিয়ে পোস্ট করছে। স্ট্যাটাসে তিনি আরও লিখেন, আমার ভাই-বোনদের ওপর নির্যাতন হবে আর আমি চুপ করে বসে থাকব এটা কখনোই হবে না। আমি আমার নিজ ইচ্ছায় ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে পদত্যাগ করলাম।
আরেক ছাত্রলীগ নেতা মেহেদী হাসান লেখেন- বিবেকের তাড়নায় ও দেশের মানুষের স্বার্থে আমার নিজ পদবি থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নিলাম। সবাই আমাকে ক্ষমা করে দেবেন।
এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক বাবুল মাতুব্বরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এ ব্যাপারে ভাঙ্গা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক খাইরুল ইসলাম বলেন, যদিও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না। তবে বাবুল মাতুব্বর ভাঙ্গা উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক ছিলেন। অন্যজন মেহেদী হাসান উপজেলার চন্দ্রা ইউনিয়নের সহ-সভাপতির কোনো পদে ছিলেন না, তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না।
বাবুল মাতুব্বরের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, এটা তার ব্যক্তিগত ব্যাপার হলেও এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো যাবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভাঙ্গা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সবুজ মোল্লা সনেট বলেন, তারা দুজন বর্তমানে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয় এবং বর্তমান কমিটিতে তাদের কোনো পদ পদবিও নেই।

এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনি আইন অনুযায়ী নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোকে প্রতি বছর নির্বাচন কমিশনে তাদের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিতে হয়। গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপিও নিয়মিতভাবে এ হিসাব নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়ে আসছে।’
২ দিন আগে
গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়ন করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘গণভোট না মানলে এই সরকার অবৈধ হয়ে যায়, এটা সরকারকে বুঝতে হবে। আর গণভোট ব্যর্থ হলে এই সরকারকেও ব্যর্থ করে দেওয়া হবে।’
৩ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘গণঅভুত্থানের সময় আমাদের একটা স্লোগান ছিল— নাটক কম করো প্রিয়। তারেক রহমানকে বলে দিচ্ছি, ‘তারেক রহমান, নাটক কম করেন প্রিয়। বাংলাদেশের মানুষ আপনাকে ক্ষমতা দিয়েছে মানে এই নয় যে আপনি যা খুশি করবেন, যেরকম খুশি ছলনা-প্রতারণা এদেশের জনগণের সঙ্গে করবেন।’
৩ দিন আগেকার্যক্রমে সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি আওয়ামী লীগ। এবার দলটির পদধারী ও সক্রিয় নেতাকর্মীদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগও বন্ধ করতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
৩ দিন আগে