
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

পুরোনো পাকিস্তানি কায়দায় বিএনপি ভারতের বিরোধিতা করছে বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
আজ শনিবার (২৩ মার্চ) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে দলীয় কার্যালয়ে ইফতার ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, চিরাচরিত পাকিস্তানি কায়দায় ভারতের বিরোধিতা শুরু করেছে বিএনপি। তারা যখন কোনো রাজনৈতিক ইস্যু না পায়, তখনই এই একটা ইস্যু সামনে নিয়ে আসে। বঙ্গবন্ধুর আমলেও করেছে, এখন শেখ হাসিনার আমলে এবারও তাই করছে।
সেতুমন্ত্রী বলেন, বয়কট আন্দোলন করছে তারা। কিন্তু তাদের নিজেদের বক্তব্যে মিল নেই। হাফিজ বলে এক কথা, রিজভী বলে আরেক কথা, মহাসচিব সিঙ্গাপুর থেকে বলে ভিন্ন কথা।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি ইফতার পার্টি করে। নিজেরা খাওয়ার আয়োজন করে। আর আমরা ইফতার সামগ্রী বিতরণ করি। মানুষের খাবারের ব্যবস্থা করি।
ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে সভাপতি বেনজির আহমেদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান তরুণের সঞ্চালনায় এতে অংশ নেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামসহ আরও অনেকে।

পুরোনো পাকিস্তানি কায়দায় বিএনপি ভারতের বিরোধিতা করছে বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
আজ শনিবার (২৩ মার্চ) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে দলীয় কার্যালয়ে ইফতার ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, চিরাচরিত পাকিস্তানি কায়দায় ভারতের বিরোধিতা শুরু করেছে বিএনপি। তারা যখন কোনো রাজনৈতিক ইস্যু না পায়, তখনই এই একটা ইস্যু সামনে নিয়ে আসে। বঙ্গবন্ধুর আমলেও করেছে, এখন শেখ হাসিনার আমলে এবারও তাই করছে।
সেতুমন্ত্রী বলেন, বয়কট আন্দোলন করছে তারা। কিন্তু তাদের নিজেদের বক্তব্যে মিল নেই। হাফিজ বলে এক কথা, রিজভী বলে আরেক কথা, মহাসচিব সিঙ্গাপুর থেকে বলে ভিন্ন কথা।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি ইফতার পার্টি করে। নিজেরা খাওয়ার আয়োজন করে। আর আমরা ইফতার সামগ্রী বিতরণ করি। মানুষের খাবারের ব্যবস্থা করি।
ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে সভাপতি বেনজির আহমেদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান তরুণের সঞ্চালনায় এতে অংশ নেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামসহ আরও অনেকে।

বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
১ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
১ দিন আগে
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম দাবি ছিল, সাহাবুদ্দিন চুপ্পু রাষ্ট্রপতির পদে থাকবেন না। তিনি একসময় স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, শেখ হাসিনা তার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। পরে সেই বক্তব্য অস্বীকার করে মিথ্যাচার করেছেন, যা রাষ্ট্রপতি হিসেবে নেয়া শপথের লঙ্ঘন। দেরিতে হলেও জাতির ঘাড় থেকে ফ্যাসি
২ দিন আগে