
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে যারা লড়াই সংগ্রাম করেছেন, তার অগ্রভাগে ছিল শিক্ষার্থী ও তরুণরা। সেসময় তারাই জাতির পিতার সবথেকে শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে লড়াই সংগ্রাম করেছে। আগামীর স্মার্ট বাংলাদেশ অর্জনে তরুণ ও ছাত্রদের সে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে হবে। তাদের সুশিক্ষায় গড়ে তুলতে হবে। একজন মানুষ তখনই পরিপূর্ণতা পায় যখন সে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও শারীরিক সকল বিষয় মননশীল ভাবে গড়ে উঠতে পারে।
শনিবার সকালে রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমাদের স্বাধীনতার মূল লক্ষ্যই ছিল একটি অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়টি পাকিস্তানি শাসন ও শোষণের হাত থেকে বাংলাদেশ ও দেশের মানুষের মুক্তির লক্ষ্যে লড়াই সংগ্রাম করেছেন। তিনি গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা ও মায়ের ভাষায় কথা বলার জন্য লড়াই করেছেন।
তিনি আরও বলেন, একজন শিক্ষার্থী শুধুমাত্র উচ্চ শিক্ষিত হলেই মানুষ হয় না। তাকে প্রকৃত অর্থেই সৃজনশীল মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। সে যেন অন্য মানুষকে ভালবাসতে পারে, শ্রদ্ধাবোধ রাখতে পারে, অপরের দুঃখ, কান্না বেদনায় শামিল হতে পারে সে দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। এগুলো যে করতে পারে সেই প্রকৃত মানুষ।
শিক্ষকদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনারা আপনাদের অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণ এর মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবেন। সন্তানদের শুধুমাত্র পিতা-মাতা মানুষ করতে পারে না। সন্তানদের মানুষ করতে শিক্ষকদের ভূমিকা অনেক। আপনাদের কাছ থেকেই সন্তানরা প্রকৃত মানুষ হিসেবে ফিরে আসে এবং এরাই আগামীর বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ইমাম হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাহাউদ্দিন নাছিমের সহধর্মিনী ডাক্তার সুলতানা শামীমা চৌধুরীসহ কলেজের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে যারা লড়াই সংগ্রাম করেছেন, তার অগ্রভাগে ছিল শিক্ষার্থী ও তরুণরা। সেসময় তারাই জাতির পিতার সবথেকে শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে লড়াই সংগ্রাম করেছে। আগামীর স্মার্ট বাংলাদেশ অর্জনে তরুণ ও ছাত্রদের সে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে হবে। তাদের সুশিক্ষায় গড়ে তুলতে হবে। একজন মানুষ তখনই পরিপূর্ণতা পায় যখন সে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও শারীরিক সকল বিষয় মননশীল ভাবে গড়ে উঠতে পারে।
শনিবার সকালে রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমাদের স্বাধীনতার মূল লক্ষ্যই ছিল একটি অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়টি পাকিস্তানি শাসন ও শোষণের হাত থেকে বাংলাদেশ ও দেশের মানুষের মুক্তির লক্ষ্যে লড়াই সংগ্রাম করেছেন। তিনি গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা ও মায়ের ভাষায় কথা বলার জন্য লড়াই করেছেন।
তিনি আরও বলেন, একজন শিক্ষার্থী শুধুমাত্র উচ্চ শিক্ষিত হলেই মানুষ হয় না। তাকে প্রকৃত অর্থেই সৃজনশীল মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। সে যেন অন্য মানুষকে ভালবাসতে পারে, শ্রদ্ধাবোধ রাখতে পারে, অপরের দুঃখ, কান্না বেদনায় শামিল হতে পারে সে দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। এগুলো যে করতে পারে সেই প্রকৃত মানুষ।
শিক্ষকদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনারা আপনাদের অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণ এর মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবেন। সন্তানদের শুধুমাত্র পিতা-মাতা মানুষ করতে পারে না। সন্তানদের মানুষ করতে শিক্ষকদের ভূমিকা অনেক। আপনাদের কাছ থেকেই সন্তানরা প্রকৃত মানুষ হিসেবে ফিরে আসে এবং এরাই আগামীর বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ইমাম হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাহাউদ্দিন নাছিমের সহধর্মিনী ডাক্তার সুলতানা শামীমা চৌধুরীসহ কলেজের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেঘমল্লার বসু ও মাঈন আহমেদের দাখিল করা পদত্যাগপত্র কেন্দ্রীয় সংসদে গৃহীত হয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় একই সঙ্গে দুটি রাজনৈতিক সংগঠনের দায়িত্ব পালন করলে সাংগঠনিক মতদ্বৈধতা বা স্বার্থের দ্বন্দ্ব (কনফ্লিক্
২ দিন আগে
বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
৩ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
৩ দিন আগে