
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সন্ত্রাসীদের আস্ফালন সহ্য করা হবে না জানিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত আমাদের লড়াই চলবে।
রোববার (৪ আগস্ট) বিকেলে ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এখন আর ঘরে বসে থাকার সময় নেই। বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসীরা মাঠে নেমে পড়েছে। তাই সাধারণ জনগণের জানমাল রক্ষায় আপনাদের মাঠে থাকতে হবে।
সরকার পতনের আন্দোলন শিক্ষার্থীদের নয় দাবি করে জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, তাই সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নিরাপদে ঘরে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করছি।

সন্ত্রাসীদের আস্ফালন সহ্য করা হবে না জানিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত আমাদের লড়াই চলবে।
রোববার (৪ আগস্ট) বিকেলে ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এখন আর ঘরে বসে থাকার সময় নেই। বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসীরা মাঠে নেমে পড়েছে। তাই সাধারণ জনগণের জানমাল রক্ষায় আপনাদের মাঠে থাকতে হবে।
সরকার পতনের আন্দোলন শিক্ষার্থীদের নয় দাবি করে জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, তাই সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নিরাপদে ঘরে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করছি।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠিয়েছে। তাই তারা যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করবেন।
৫ দিন আগে
বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৫ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৫ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে