সিলেটে হাসিনা-রেহানাসহ ৮৭ জনের নামে মামলা

সিলেট প্রতিনিধি

ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নির্বিচারে গুলি বর্ষণের ঘটনায় পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানাসহ ৮৭ জনের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বুধবার (২১ আগস্ট) সিলেট মেট্রোপলিটন ১ম ও দ্রুত বিচার আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট নগরের ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই কলবাখানি এলাকার মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে জুবের আহমদ।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৪ আগস্ট নগরের কোর্ট পয়েন্ট ও বন্দরবাজার এলাকায় ছাত্র জনতার শান্তিপূর্ণ মিছিলে হামলা নির্বিচারে গুলি বর্ষণের ঘটনায় বাদী নিজেও গুলিবিদ্ধ হন।

শেখ হাসিনা ছাড়াও মামলার আসামি করা হয়েছে শেখ রেহানা, সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ হাসান মাহমুদ, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানসহ ৮৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ৫০০/৬০০ জনকে।

ad
ad

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটিতে রদবদল

নতুন এই রদবদলে কেন্দ্রীয় স্কুল কার্যক্রম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ডা. জায়েদ আহমাদ। তিনি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ থেকে (২০১৮-২০১৯ সেশন) এমবিবিএস পাস করেছেন। এর আগে তিনি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের সভাপতি এবং মেডিকেল জোনের সেক্রেটারি ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার গ্রামের

২১ ঘণ্টা আগে

সরকারকে প্রমাণ দিতে হবে, তারা জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে: নাহিদ

নাহিদ বলেন, সরকার বলেছিল, তারা জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে। কিন্তু আজ আমরা দেখছি, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে নানা টালবাহানা করা হচ্ছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হবে কি না, তা নিয়েই সন্দেহ দেখা দিয়েছে। তাই সরকার যদি বলে তারা জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে, তাহলে বিচার আর সংস্কার প্রক্রিয়াকে আন্ত

১ দিন আগে

বিদ্যমান শিক্ষাব্যবস্থা ফারাক্কা বাঁধের চেয়েও বড় মরণফাঁদ: নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী

নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী তার পোস্টে বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় শিক্ষাব্যবস্থা এখনও কোনো সুস্পষ্ট জাতীয় সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারেনি এবং বর্তমান বিজ্ঞান, কলা ও ব্যবসায় শিক্ষার কাঠামো দক্ষ জনশক্তি গড়ার পরিবর্তে একটি বৃহৎ শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠী তৈরি করছে।

২ দিন আগে

মতপার্থক্য থাকতেই পারে, ঐক্য যেন নষ্ট না হয়: দলীয় সভায় প্রধানমন্ত্রী

বিগত ১৭ বছরের দুঃশাসনের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, 'গুম, খুন ও চরম নির্যাতনের শিকার হয়েও আপনারা সবাই মিলে দল সামলেছেন। নিজের পরিবারের চেয়ে দলকে বেশি সময় ও অর্থ দিয়েছেন। তখন সবাই সবার পাশে থেকে ঐক্যবদ্ধভাবে দল চালিয়েছেন। এখন নির্যাতনের সেই ভয় নেই, তাহলে এখন কেন ঐক্যবদ্ধ থা

৩ দিন আগে