
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আদালত বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত দিয়ে রায় দেবে আশাবাদ ব্যক্ত করে মানুষের দুর্ভোগ হয় এমন কর্মসূচি পরিহার করে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বুধবার (১০ জুলাই) দুপুরে আওয়ামী লীগের সভাপতির ধানমন্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ আহ্বান জানান তিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সব কর্মসূচি সম্পূর্ণ হয়েছে। বেইজিং রাত্রীযাপনের কথা থাকলেও তিনি রাতেই দেশে ফিরে আসবেন। সায়েমা ওয়াজেদ দেশে আছেন। তিনি কিছুটা অসুস্থ। তাই তিনি রাতেই দেশে ফিরে আসছেন। অনেকে মিথ্যা ও ভুল তথ্য দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, কোটার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সর্বোচ্চ আদালত। জানা গেছে আগস্ট মাসে চূড়ান্ত শুনানিতে শিক্ষার্থীদের দাবি সুবিবেচনা করে সিদ্ধান্ত দেবে আদালত। আদালত শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিরে যেতে বলেছে। আমরা শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করবো ফিরে যেতে।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, তারা আদালতের নির্দেশ মেনে ফিরে গেলো কি না তা পর্যবেক্ষণ করে দেখি। না ফিরে গেলে কি করা হবে এখনই এসব বলা সমীচীন হবে না ভাবছি না।"
তিনি বলেন, তারা যে বিষয় নিয়ে আন্দোলন করছে, আমরা তো সেই কোটা মুক্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। আমরা আমাদের সিদ্ধান্ত থেকে সরছি না। আদালতের সিদ্ধান্ত হবে চূড়ান্ত। আশা করি বাস্তব সম্মত রায় দিয়ে সিদ্ধান্ত দিবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ব্যাপারটা আমাদের যোগোযোগ আছে। আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। অচীরেই সমস্যা সমাধান হবে।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, এস এম কামাল হোসেন, আফজাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপ দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, কার্যনির্বাহী সদস্য সাহাবুদ্দিন ফরাজী প্রমুখ।

আদালত বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত দিয়ে রায় দেবে আশাবাদ ব্যক্ত করে মানুষের দুর্ভোগ হয় এমন কর্মসূচি পরিহার করে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বুধবার (১০ জুলাই) দুপুরে আওয়ামী লীগের সভাপতির ধানমন্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ আহ্বান জানান তিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সব কর্মসূচি সম্পূর্ণ হয়েছে। বেইজিং রাত্রীযাপনের কথা থাকলেও তিনি রাতেই দেশে ফিরে আসবেন। সায়েমা ওয়াজেদ দেশে আছেন। তিনি কিছুটা অসুস্থ। তাই তিনি রাতেই দেশে ফিরে আসছেন। অনেকে মিথ্যা ও ভুল তথ্য দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, কোটার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সর্বোচ্চ আদালত। জানা গেছে আগস্ট মাসে চূড়ান্ত শুনানিতে শিক্ষার্থীদের দাবি সুবিবেচনা করে সিদ্ধান্ত দেবে আদালত। আদালত শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিরে যেতে বলেছে। আমরা শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করবো ফিরে যেতে।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, তারা আদালতের নির্দেশ মেনে ফিরে গেলো কি না তা পর্যবেক্ষণ করে দেখি। না ফিরে গেলে কি করা হবে এখনই এসব বলা সমীচীন হবে না ভাবছি না।"
তিনি বলেন, তারা যে বিষয় নিয়ে আন্দোলন করছে, আমরা তো সেই কোটা মুক্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। আমরা আমাদের সিদ্ধান্ত থেকে সরছি না। আদালতের সিদ্ধান্ত হবে চূড়ান্ত। আশা করি বাস্তব সম্মত রায় দিয়ে সিদ্ধান্ত দিবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ব্যাপারটা আমাদের যোগোযোগ আছে। আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। অচীরেই সমস্যা সমাধান হবে।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, এস এম কামাল হোসেন, আফজাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপ দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, কার্যনির্বাহী সদস্য সাহাবুদ্দিন ফরাজী প্রমুখ।

নৈতিক স্খলনের দায়ে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে দল থেকে বহিষ্কারের বিষয়টি অবিলম্বে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) অবহিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জামায়াত। দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হ
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দলটি আলোচনা সভা, প্রতিকৃতিতে মাল্যদান, দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ এবং নেত্রকোনার পূর্বধলার কাজলা গ্রামে কর্নেল তাহেরের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের কর্মসূচি পালন করে।
২ দিন আগে
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি অন্তরঙ্গ ভিডিও নিয়ে শুরু হওয়া আলোচনা এখন তার দ্বিতীয় বিয়ের দাবি, ভাইরাল হওয়া একটি বায়োডাটার তথ্য এবং ভিডিও ধারণের সময়কাল— সবকিছু ঘিরেই নতুন প্রশ্নের জন্ম দ
২ দিন আগে
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সংগঠনটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক বিবৃতিতে বলেন, বিষয়টি দলের নজরে রয়েছে এবং তা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
২ দিন আগে