
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

কালো টাকা ও পেশী শক্তির মাধ্যমে কেউ কেউ ভোটের বাক্স ভরার পরিকল্পনা করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১২ আসনে বিএনপি সমর্থিত কোদাল মার্কার এই প্রার্থী বলেছেন, এ রকম প্রার্থীদের ভোটাররা প্রত্যাখ্যান করবেন।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) নির্বাচনি প্রচারের সূচনায় রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রগতি ভবনের সামনে প্রচার সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
সাইফুল হক বলেন, যারা কালো টাকা ও পেশী শক্তি দিয়ে ভোটের বাক্স ভরতে চান, তারা সেসব দিনের কথা ভুলে যান। যারা মাস্তানি ও চাঁদাবাজি করে, তাদের ঢাকা-১২ আসনের জনগণ প্রত্যাখ্যান করবেন। ইনশাল্লাহ তারেক রহমানের ভালোবাসা ও কোদাল মার্কা নিয়ে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত হব।
তিনি আরও বলেন, খুব অল্পদিন হলো আমাদের মাঝ থেকে বিদায় নিয়েছেন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া। সন্ত্রাসীদের গুলিতে নৃশংসভাবে হত্যার শিকার হয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মুসাব্বির। এখানে গুম হয়েছেন সাজেদুল ইসলাম সুমনসহ অনেকেই। নির্মম হত্যার শিকার হয়েছেন কাজী আব্দুর রহমান, মামা খোকন, বাবলু, ফারুক, বিপ্লবসহ অনেকে। আমরা তাদের কাউকে ভুলব না।
ভোটে জিতলে সাধারণ মানুষের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন সাইফুল হক। বলেন, ঢাকা-১২ আসনের জনগণ যদি আমাকে নির্বাচিত কর, আমি প্রতি মাসে প্রতিটি ওয়ার্ডে সাধারণ মানুষদের সঙ্গে নিয়ে গণশুনানি করব। মানুষের সুখ, দুঃখের কথা নিজের কানে শুনব। তৃণমূূল থেকে সর্বোচ্চ পর্যন্ত প্রতিকারের জন্য কাজ করব।
তিনি আরও বলেন, ঢাকা-১২ সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও মাদকের কবলে পড়ে তার মূল সৌন্দর্য হারিয়ে ফেলেছে। অথচ এখানে আন্তর্জাতিক মানের হাতিরঝিল রয়েছে, শহিদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার সমাধি রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে শুরু করে জাতীয় সংসদ ভবন ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রয়েছে। এ আসনে তারেক রহমান আমার ওপর আস্থা রেখেছেন। আমি জনগণকে নিয়ে তাকে ঢাকা-১২ উপহার দেবো ইনশাল্লাহ।
বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় কাওরান বাজারের প্রগতি টাওয়ারের সামনে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা-১২ আসনের প্রার্থী সাইফুল হক। এ আসনের অন্তর্ভুক্ত তেজগাঁও থানা, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা, হাতিরঝিল থানা ও শেরে বাংলা নগর থানার সব ওয়ার্ড ও ইউনিট বিএনপির নেতাকর্মী ছাড়াও অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা প্রচার সভায় উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা-১২ আসনে সাইফুল হকের নির্বাচনের প্রধান সমন্বয়কারী সাবেক কাউন্সিলর আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার এ সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভা পরিচালনা করেন ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য এল রহমান।
এ আসনে নির্বাচনের যুগ্ম সমন্বয়কারী আকবর খান, তেজগাঁও থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি জালাল আহমেদ, ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য মোজাম্মেল হোসেন সেলিম, নুরুল হক নুরু, রাহিমি, ঢাকা মহানগর উত্তর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক রোকেয়া সুলতানা তামান্না, তেজগাঁও থানা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার মো. মিরাজ উদ্দিন হায়দার আরজু, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার আহ্বায়ক আইনুল ইসলাম চঞ্চল, শেরে বাংলানগর থানার আহ্বায়ক নাইম, বিএনপি নেতা তসলিমা রিতা, নারীনেত্রী বহ্নি শিখা জামালী, সাবেক শ্রমিক নেতা মাহমুদুল আলম মন্টু, তোফায়েল আহমেদ, আমজাদ হোসেন, হাফিজ রহমান কবির, কাজী মজিবর রহমান, মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসাসহ অন্যরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশ শেষে একটি প্রচার মিছিল কারওয়ান বাজার, নাখালপাড়া হয়ে নাবিস্কো মোড়ে শেষ হয়। হজরত আম্বর শাহ (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করে প্রথম নির্বাচনি প্রচার অনুষ্ঠানে অংশ নেন সাইফুল হক।

কালো টাকা ও পেশী শক্তির মাধ্যমে কেউ কেউ ভোটের বাক্স ভরার পরিকল্পনা করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১২ আসনে বিএনপি সমর্থিত কোদাল মার্কার এই প্রার্থী বলেছেন, এ রকম প্রার্থীদের ভোটাররা প্রত্যাখ্যান করবেন।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) নির্বাচনি প্রচারের সূচনায় রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রগতি ভবনের সামনে প্রচার সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
সাইফুল হক বলেন, যারা কালো টাকা ও পেশী শক্তি দিয়ে ভোটের বাক্স ভরতে চান, তারা সেসব দিনের কথা ভুলে যান। যারা মাস্তানি ও চাঁদাবাজি করে, তাদের ঢাকা-১২ আসনের জনগণ প্রত্যাখ্যান করবেন। ইনশাল্লাহ তারেক রহমানের ভালোবাসা ও কোদাল মার্কা নিয়ে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত হব।
তিনি আরও বলেন, খুব অল্পদিন হলো আমাদের মাঝ থেকে বিদায় নিয়েছেন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া। সন্ত্রাসীদের গুলিতে নৃশংসভাবে হত্যার শিকার হয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মুসাব্বির। এখানে গুম হয়েছেন সাজেদুল ইসলাম সুমনসহ অনেকেই। নির্মম হত্যার শিকার হয়েছেন কাজী আব্দুর রহমান, মামা খোকন, বাবলু, ফারুক, বিপ্লবসহ অনেকে। আমরা তাদের কাউকে ভুলব না।
ভোটে জিতলে সাধারণ মানুষের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন সাইফুল হক। বলেন, ঢাকা-১২ আসনের জনগণ যদি আমাকে নির্বাচিত কর, আমি প্রতি মাসে প্রতিটি ওয়ার্ডে সাধারণ মানুষদের সঙ্গে নিয়ে গণশুনানি করব। মানুষের সুখ, দুঃখের কথা নিজের কানে শুনব। তৃণমূূল থেকে সর্বোচ্চ পর্যন্ত প্রতিকারের জন্য কাজ করব।
তিনি আরও বলেন, ঢাকা-১২ সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও মাদকের কবলে পড়ে তার মূল সৌন্দর্য হারিয়ে ফেলেছে। অথচ এখানে আন্তর্জাতিক মানের হাতিরঝিল রয়েছে, শহিদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার সমাধি রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে শুরু করে জাতীয় সংসদ ভবন ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রয়েছে। এ আসনে তারেক রহমান আমার ওপর আস্থা রেখেছেন। আমি জনগণকে নিয়ে তাকে ঢাকা-১২ উপহার দেবো ইনশাল্লাহ।
বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় কাওরান বাজারের প্রগতি টাওয়ারের সামনে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা-১২ আসনের প্রার্থী সাইফুল হক। এ আসনের অন্তর্ভুক্ত তেজগাঁও থানা, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা, হাতিরঝিল থানা ও শেরে বাংলা নগর থানার সব ওয়ার্ড ও ইউনিট বিএনপির নেতাকর্মী ছাড়াও অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা প্রচার সভায় উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা-১২ আসনে সাইফুল হকের নির্বাচনের প্রধান সমন্বয়কারী সাবেক কাউন্সিলর আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার এ সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভা পরিচালনা করেন ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য এল রহমান।
এ আসনে নির্বাচনের যুগ্ম সমন্বয়কারী আকবর খান, তেজগাঁও থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি জালাল আহমেদ, ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য মোজাম্মেল হোসেন সেলিম, নুরুল হক নুরু, রাহিমি, ঢাকা মহানগর উত্তর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক রোকেয়া সুলতানা তামান্না, তেজগাঁও থানা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার মো. মিরাজ উদ্দিন হায়দার আরজু, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার আহ্বায়ক আইনুল ইসলাম চঞ্চল, শেরে বাংলানগর থানার আহ্বায়ক নাইম, বিএনপি নেতা তসলিমা রিতা, নারীনেত্রী বহ্নি শিখা জামালী, সাবেক শ্রমিক নেতা মাহমুদুল আলম মন্টু, তোফায়েল আহমেদ, আমজাদ হোসেন, হাফিজ রহমান কবির, কাজী মজিবর রহমান, মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসাসহ অন্যরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশ শেষে একটি প্রচার মিছিল কারওয়ান বাজার, নাখালপাড়া হয়ে নাবিস্কো মোড়ে শেষ হয়। হজরত আম্বর শাহ (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করে প্রথম নির্বাচনি প্রচার অনুষ্ঠানে অংশ নেন সাইফুল হক।

সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৭ দিন আগে
প্রস্তাবিত এ বাজেট নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় দলটি বলছে, বজেটের আকার বড় দেখানোর জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা প্রাক্কলন করা হয়েছে। এই বিশালাকৃতির বাজেট অবাস্তব এবং কোনোভাবেই অর্জনযোগ্য নয়।
৯ দিন আগে