
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গণতন্ত্রের ধারা রচনায় নির্বাচনকে বিলম্বিত করা ঠিক হবে না বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি। গতকার রবিবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনুসের জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আজ সোমবার এক বিবৃতিতে এ কথা বলে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি পলিটব্যুরো।
বিবৃতিতে বলা হয়, গণঅভ্যূত্থানের আকাঙ্ক্ষার সরকার ড. ইউনুস দু’সপ্তাহ পর জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়ে তার মনোভাব এবং একটি রোড ম্যাপের কথা বলেছেন, যা নির্ধারিত ভাবেই বলা যায় এটি জনআকাঙ্ক্ষা। এই অস্থির সময়ে তিনি জনগণের সহযোগিতা কামনা করেছেন। জনগণ ও রাজনৈতিক দলগুলো তাকে সহযোগিতা দিয়ে চলেছে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে স্কুল, কলেজে প্রতিপক্ষের পদত্যাগ চাপ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, বীমা, কলখারখানা থেকে খেলার মাঠ পর্যন্ত বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতি জটিল করে তুলছে। আদালত প্রাঙ্গণে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের ওপর শারীরিক আক্রমণ, ভিত্তিহীন শত শত মামলা দায়ের বিচার ব্যবস্থার ওপর অনাস্থা তৈরি করছে। যার শান্তির পথকে বিঘ্নিত করছে। পুলিশ প্রশাসনে কাজ পুলিশ দিয়ে করার নিশ্চয়তা তৈরি করতে হবে।
পলিটব্যুরো আরও মনে করে, বিগত সরকার সুষ্ঠু নির্বাচনী ব্যবস্থা তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং সুষ্ঠু নির্বাচন না করার ফলে জনগণের মধ্যে নির্বাচনী আকাঙ্ক্ষাটি প্রধান হয়ে উঠেছে এবং গণতন্ত্রের ধারা রচনা করতে হলে নির্বাচনকে দীর্ঘায়িত করার সুযোগ নেই। গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক প্রক্রিয়া এবং সংস্কার একটি পরিপূরক বিষয়। নির্বাচিত সরকারই পারে একটি রাজনৈতিক লক্ষ্য তৈরি করে দেশকে এগিয়ে নিতে।
বিবৃতিতে ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি এ দেশের প্রবীণ নেতা সকল গণতান্ত্রিক সংগ্রামের জননেতা রাশেদ খান মেননের ভিত্তিহীন মামলা প্রত্যাহার করে তাকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া দাবি জানান।

গণতন্ত্রের ধারা রচনায় নির্বাচনকে বিলম্বিত করা ঠিক হবে না বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি। গতকার রবিবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনুসের জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আজ সোমবার এক বিবৃতিতে এ কথা বলে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি পলিটব্যুরো।
বিবৃতিতে বলা হয়, গণঅভ্যূত্থানের আকাঙ্ক্ষার সরকার ড. ইউনুস দু’সপ্তাহ পর জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়ে তার মনোভাব এবং একটি রোড ম্যাপের কথা বলেছেন, যা নির্ধারিত ভাবেই বলা যায় এটি জনআকাঙ্ক্ষা। এই অস্থির সময়ে তিনি জনগণের সহযোগিতা কামনা করেছেন। জনগণ ও রাজনৈতিক দলগুলো তাকে সহযোগিতা দিয়ে চলেছে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে স্কুল, কলেজে প্রতিপক্ষের পদত্যাগ চাপ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, বীমা, কলখারখানা থেকে খেলার মাঠ পর্যন্ত বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতি জটিল করে তুলছে। আদালত প্রাঙ্গণে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের ওপর শারীরিক আক্রমণ, ভিত্তিহীন শত শত মামলা দায়ের বিচার ব্যবস্থার ওপর অনাস্থা তৈরি করছে। যার শান্তির পথকে বিঘ্নিত করছে। পুলিশ প্রশাসনে কাজ পুলিশ দিয়ে করার নিশ্চয়তা তৈরি করতে হবে।
পলিটব্যুরো আরও মনে করে, বিগত সরকার সুষ্ঠু নির্বাচনী ব্যবস্থা তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং সুষ্ঠু নির্বাচন না করার ফলে জনগণের মধ্যে নির্বাচনী আকাঙ্ক্ষাটি প্রধান হয়ে উঠেছে এবং গণতন্ত্রের ধারা রচনা করতে হলে নির্বাচনকে দীর্ঘায়িত করার সুযোগ নেই। গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক প্রক্রিয়া এবং সংস্কার একটি পরিপূরক বিষয়। নির্বাচিত সরকারই পারে একটি রাজনৈতিক লক্ষ্য তৈরি করে দেশকে এগিয়ে নিতে।
বিবৃতিতে ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি এ দেশের প্রবীণ নেতা সকল গণতান্ত্রিক সংগ্রামের জননেতা রাশেদ খান মেননের ভিত্তিহীন মামলা প্রত্যাহার করে তাকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া দাবি জানান।

নতুন এই রদবদলে কেন্দ্রীয় স্কুল কার্যক্রম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ডা. জায়েদ আহমাদ। তিনি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ থেকে (২০১৮-২০১৯ সেশন) এমবিবিএস পাস করেছেন। এর আগে তিনি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের সভাপতি এবং মেডিকেল জোনের সেক্রেটারি ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার গ্রামের
১৮ ঘণ্টা আগে
নাহিদ বলেন, সরকার বলেছিল, তারা জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে। কিন্তু আজ আমরা দেখছি, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে নানা টালবাহানা করা হচ্ছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হবে কি না, তা নিয়েই সন্দেহ দেখা দিয়েছে। তাই সরকার যদি বলে তারা জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে, তাহলে বিচার আর সংস্কার প্রক্রিয়াকে আন্ত
১ দিন আগে
নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী তার পোস্টে বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় শিক্ষাব্যবস্থা এখনও কোনো সুস্পষ্ট জাতীয় সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারেনি এবং বর্তমান বিজ্ঞান, কলা ও ব্যবসায় শিক্ষার কাঠামো দক্ষ জনশক্তি গড়ার পরিবর্তে একটি বৃহৎ শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠী তৈরি করছে।
২ দিন আগে
বিগত ১৭ বছরের দুঃশাসনের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, 'গুম, খুন ও চরম নির্যাতনের শিকার হয়েও আপনারা সবাই মিলে দল সামলেছেন। নিজের পরিবারের চেয়ে দলকে বেশি সময় ও অর্থ দিয়েছেন। তখন সবাই সবার পাশে থেকে ঐক্যবদ্ধভাবে দল চালিয়েছেন। এখন নির্যাতনের সেই ভয় নেই, তাহলে এখন কেন ঐক্যবদ্ধ থা
৩ দিন আগে