
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গণতান্ত্রিক পরিস্থিতির উত্তরণে নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, ‘নির্বাচন ছাড়া কোনো বিকল্প নাই। কেউ যদি নির্বাচনের কোনো বিকল্প ভাবে, সেটা হবে এই জাতির জন্য গভীর বিপজ্জনক।’
রোববার (৩১ আগস্ট) রাতে প্রধান উপদেষ্টার এমন বক্তব্যের কথা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন তার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। বিএনপি, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠকের পর তিনি ব্রিফ করেন যমুনার সামনে।
প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, প্রধান উপদেষ্টা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে নির্বাচনের যে তারিখ ঘোষণা করেছেন, সেই সময়েই নির্বাচন হবে। অর্থাৎ ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন হবে।
জুলাই সনদ চূড়ান্ত করার বিষয়ে অগ্রগতি জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি আলী রীয়াজ প্রধান উপদেষ্টাকে আজ অবহিত করেছেন বলে জানিয়েছেন শফিকুল আলম।
সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে অনুষ্ঠেয় দুর্গাপূজাকে ঘিরে সরকার তৎপর রয়েছে বলেও জানান প্রেস সচিব। বলেন, কেউ যেন কোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে সব রাজনৈতিক দলকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
পিআর বা সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রেস সচিব বলেন, ঐকমত্য কমিশনে রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচন পদ্ধতি ও সংবিধানের নানা বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। সেখানেই এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে।
এর আগে রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধি দল বৈঠক করে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে। এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে এনসিপির প্রতিনিধি দল বৈঠক করে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে। সবশেষ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিএনপির প্রতিনিধি দল ও প্রধান উপদেষ্টার মধ্যে বৈঠক হয়।
সমসাময়িক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনার জন্য প্রধান উপদেষ্টা এই তিনটি দলকে বৈঠকের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন যমুনায়। বৈঠক শেষে তিনটি দলই যমুনার সামনে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেছে। এর মধ্যে জামায়াত ও এনসিপি জানিয়েছে, তারা প্রধান উপদেষ্টার কাছে জাতীয় পার্টির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছে। তবে বিএনপি বলছে, এ নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তাদের কোনো আলোচনা হয়নি।
রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার এসব বৈঠকে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। তবে তাদের একেকজন একেক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

গণতান্ত্রিক পরিস্থিতির উত্তরণে নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, ‘নির্বাচন ছাড়া কোনো বিকল্প নাই। কেউ যদি নির্বাচনের কোনো বিকল্প ভাবে, সেটা হবে এই জাতির জন্য গভীর বিপজ্জনক।’
রোববার (৩১ আগস্ট) রাতে প্রধান উপদেষ্টার এমন বক্তব্যের কথা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন তার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। বিএনপি, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠকের পর তিনি ব্রিফ করেন যমুনার সামনে।
প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, প্রধান উপদেষ্টা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে নির্বাচনের যে তারিখ ঘোষণা করেছেন, সেই সময়েই নির্বাচন হবে। অর্থাৎ ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন হবে।
জুলাই সনদ চূড়ান্ত করার বিষয়ে অগ্রগতি জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি আলী রীয়াজ প্রধান উপদেষ্টাকে আজ অবহিত করেছেন বলে জানিয়েছেন শফিকুল আলম।
সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে অনুষ্ঠেয় দুর্গাপূজাকে ঘিরে সরকার তৎপর রয়েছে বলেও জানান প্রেস সচিব। বলেন, কেউ যেন কোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে সব রাজনৈতিক দলকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
পিআর বা সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রেস সচিব বলেন, ঐকমত্য কমিশনে রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচন পদ্ধতি ও সংবিধানের নানা বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। সেখানেই এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে।
এর আগে রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধি দল বৈঠক করে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে। এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে এনসিপির প্রতিনিধি দল বৈঠক করে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে। সবশেষ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিএনপির প্রতিনিধি দল ও প্রধান উপদেষ্টার মধ্যে বৈঠক হয়।
সমসাময়িক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনার জন্য প্রধান উপদেষ্টা এই তিনটি দলকে বৈঠকের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন যমুনায়। বৈঠক শেষে তিনটি দলই যমুনার সামনে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেছে। এর মধ্যে জামায়াত ও এনসিপি জানিয়েছে, তারা প্রধান উপদেষ্টার কাছে জাতীয় পার্টির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছে। তবে বিএনপি বলছে, এ নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তাদের কোনো আলোচনা হয়নি।
রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার এসব বৈঠকে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। তবে তাদের একেকজন একেক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, বিএনপি সরকারের প্রথম এই বাজেটে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের’ প্রকৃত আকাঙ্ক্ষার কোনো প্রতিফলন ঘটেনি। এই বাজেট দেশবাসীকে চরমভাবে হতাশ করেছে।
৪ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার সুন্দর কথা বলছে। তবে বাজেট নিয়ে খুব বেশি আশাবাদী হতে পারছি না। ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট দেখানো হচ্ছে। আসলে এটি ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ঘাটতি বাজেট। এই বাজেট চানাচুরের মতো— খেতে ভালো লাগবে, কিন্তু পুষ্টিগুণ নেই।
৪ দিন আগে
প্রখ্যাত রাজনৈতিক চিন্তাবিদ ও স্বাধীনতার অন্যতম সংগঠক সিরাজুল আলম খানের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা রাষ্ট্র সংস্কার ও অংশীদারিত্বমূলক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
৬ দিন আগে
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহের বিকাশ, সুশাসন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সমসাময়িক বিষয় নিয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। উভয়পক্ষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতে বিদ্যমান সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
৬ দিন আগে