
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কক্সবাজার-১ আসনের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, বিএনপি ধর্মান্ধতার রাজনীতিতে নয়, বরং ধর্মীয় সহনশীলতা ও সম্প্রীতিতে বিশ্বাস করে। তিনি বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়াই বিএনপির লক্ষ্য—যেখানে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান সবার পরিচয় হবে একটিই, তা হলো বাংলাদেশি।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার মালুমঘাট এলাকায় খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের উদ্যোগে আয়োজিত এক নির্বাচনি পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদই দেশের প্রত্যেক নাগরিকের মূল পরিচয়ের ভিত্তি। সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশে বসবাসকারী সবাই সমান অধিকারসম্পন্ন নাগরিক এবং ধর্ম কিংবা জাতিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে কাউকে আলাদা করার সুযোগ নেই।
তিনি আরও বলেন, ধর্ম পালনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব। সব ধর্মের মানুষ যেন নিরাপদে নিজ নিজ উপাসনালয়ে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে পারে, তা নিশ্চিত করাই একটি দায়িত্বশীল রাষ্ট্রের কাজ। বিএনপি অতীতেও এই নীতিতে বিশ্বাস করেছে এবং ভবিষ্যতেও তা বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ থাকবে।
অতীতের সাম্প্রদায়িক সহিংসতার প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির এই নেতা বলেন, যারা আগে উপাসনালয়ে হামলা বা ধর্মীয় সহিংসতায় জড়িত ছিল, তাদের পরিচয় জাতির অজানা নয়। এ ধরনের শক্তি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশি পরিচয়ের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ জাতি গঠনই বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য। ধর্মীয় সহনশীলতা, সাম্য ও মানবিক মূল্যবোধের ওপর দাঁড়িয়েই দেশকে এগিয়ে নিতে চায় দলটি।
এদিকে, একই দিন বিকেলে কক্সবাজার শহরের মুক্তিযোদ্ধা মাঠে কক্সবাজার-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজলের জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখার কথা রয়েছে সালাহউদ্দিন আহমেদের।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কক্সবাজার-১ আসনের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, বিএনপি ধর্মান্ধতার রাজনীতিতে নয়, বরং ধর্মীয় সহনশীলতা ও সম্প্রীতিতে বিশ্বাস করে। তিনি বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়াই বিএনপির লক্ষ্য—যেখানে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান সবার পরিচয় হবে একটিই, তা হলো বাংলাদেশি।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার মালুমঘাট এলাকায় খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের উদ্যোগে আয়োজিত এক নির্বাচনি পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদই দেশের প্রত্যেক নাগরিকের মূল পরিচয়ের ভিত্তি। সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশে বসবাসকারী সবাই সমান অধিকারসম্পন্ন নাগরিক এবং ধর্ম কিংবা জাতিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে কাউকে আলাদা করার সুযোগ নেই।
তিনি আরও বলেন, ধর্ম পালনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব। সব ধর্মের মানুষ যেন নিরাপদে নিজ নিজ উপাসনালয়ে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে পারে, তা নিশ্চিত করাই একটি দায়িত্বশীল রাষ্ট্রের কাজ। বিএনপি অতীতেও এই নীতিতে বিশ্বাস করেছে এবং ভবিষ্যতেও তা বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ থাকবে।
অতীতের সাম্প্রদায়িক সহিংসতার প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির এই নেতা বলেন, যারা আগে উপাসনালয়ে হামলা বা ধর্মীয় সহিংসতায় জড়িত ছিল, তাদের পরিচয় জাতির অজানা নয়। এ ধরনের শক্তি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশি পরিচয়ের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ জাতি গঠনই বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য। ধর্মীয় সহনশীলতা, সাম্য ও মানবিক মূল্যবোধের ওপর দাঁড়িয়েই দেশকে এগিয়ে নিতে চায় দলটি।
এদিকে, একই দিন বিকেলে কক্সবাজার শহরের মুক্তিযোদ্ধা মাঠে কক্সবাজার-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজলের জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখার কথা রয়েছে সালাহউদ্দিন আহমেদের।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠিয়েছে। তাই তারা যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করবেন।
৫ দিন আগে
বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৫ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৫ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে