
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ময়মনসিংহে দলীয় নির্দেশনা অমান্য করায় বিএনপির ৩০ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বহিষ্কারাদেশের বিষয়টি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় ময়মনসিংহ উত্তর জেলাধীন হালুয়াঘাট উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোজাম্মেল হোসেন খান, সাজ্জাদ হোসেন খান হীরা, আ ন ম সাদেকুর রহমান নঈম, উপজেলা বিএনপির সদস্য মো. নুরুল আলম (নূর এ আলম), মো. সুজারুল ইসলাম ফকির, এখলাস উদ্দিন ও হাবিবুর রহমান; হালুয়াঘাট পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন বিপ্লব, মোল্লা মো. আলী সাবরী মনি (মোল্লা মনির), আবুল কাশেম মেম্বার, পৌর বিএনপির সদস্য মো. মতিউর রহমান, মো. শরিফুল আলম, মো. হাবিবুর রহমান; ধোবাউড়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. কাছিম উদ্দিন বিশ্বাস, মো. নজরুল ইসলাম দুলাল, মো. মঞ্জুরুল হক, মো. মেজবাহ উদ্দিন মামুন ও মো. আব্দুস শহিদ মিয়া; ধোবাউড়া উপজেলা বিএনপির সদস্য মো. ওয়াজেদ আলী মাস্টার, মো. আজিজুল হক, মো. আব্দুর রশিদ মেম্বার, মো. কবিরুল ইসলাম টিটুল, খন্দকার আক্কাছ আলী, মো. শাখাওয়াত হোসেন, মো. আব্দুল হামিদ, মো. শামীম মিয়া, মো. মাসুদ সরকার, মো. মোশারফ হোসেন, মো. মারফত আলী ও মো. কামাল সরকারকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এনায়েত উল্লাহ বলেন, আমাদের দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে যেসব নেতাকর্মী কাজ করছিল তাদের তালিকা করে কেন্দ্রে পাঠানো হয়। তারই পরিপ্রেক্ষিতে এ বহিষ্কার করা হয়েছে।

ময়মনসিংহে দলীয় নির্দেশনা অমান্য করায় বিএনপির ৩০ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বহিষ্কারাদেশের বিষয়টি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় ময়মনসিংহ উত্তর জেলাধীন হালুয়াঘাট উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোজাম্মেল হোসেন খান, সাজ্জাদ হোসেন খান হীরা, আ ন ম সাদেকুর রহমান নঈম, উপজেলা বিএনপির সদস্য মো. নুরুল আলম (নূর এ আলম), মো. সুজারুল ইসলাম ফকির, এখলাস উদ্দিন ও হাবিবুর রহমান; হালুয়াঘাট পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন বিপ্লব, মোল্লা মো. আলী সাবরী মনি (মোল্লা মনির), আবুল কাশেম মেম্বার, পৌর বিএনপির সদস্য মো. মতিউর রহমান, মো. শরিফুল আলম, মো. হাবিবুর রহমান; ধোবাউড়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. কাছিম উদ্দিন বিশ্বাস, মো. নজরুল ইসলাম দুলাল, মো. মঞ্জুরুল হক, মো. মেজবাহ উদ্দিন মামুন ও মো. আব্দুস শহিদ মিয়া; ধোবাউড়া উপজেলা বিএনপির সদস্য মো. ওয়াজেদ আলী মাস্টার, মো. আজিজুল হক, মো. আব্দুর রশিদ মেম্বার, মো. কবিরুল ইসলাম টিটুল, খন্দকার আক্কাছ আলী, মো. শাখাওয়াত হোসেন, মো. আব্দুল হামিদ, মো. শামীম মিয়া, মো. মাসুদ সরকার, মো. মোশারফ হোসেন, মো. মারফত আলী ও মো. কামাল সরকারকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এনায়েত উল্লাহ বলেন, আমাদের দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে যেসব নেতাকর্মী কাজ করছিল তাদের তালিকা করে কেন্দ্রে পাঠানো হয়। তারই পরিপ্রেক্ষিতে এ বহিষ্কার করা হয়েছে।

দেশের জননিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতিতে ক্ষোভ জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। দলটি বলেছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ও সংশ্লিষ্ট বাহিনী ব্যর্থ হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।
১ দিন আগে
জোটের নেতারা পথসভায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট, দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, দলীয়করণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের মতো বিষয় সামনে আনেন। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার দাবি না মানলে আট দফা যেকোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে।
২ দিন আগে
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভার্চ্যুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করলেও এবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
২ দিন আগে
জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
২ দিন আগে