
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নির্বাচনের আগে বিশেষ কিছু আসনে অস্বাভাবিকভাবে ভোটার স্থানান্তর (মাইগ্রেশন) হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ রাখতে আইনে যাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে, কেবল তাদেরই নির্বাচনী দায়িত্বে রাখা উচিত।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, আজ বিএনসিসি আনা হচ্ছে, কাল হয়তো স্কাউটকেও আনা হবে। এভাবে অপ্রয়োজনীয় বাহিনী যুক্ত করা নির্বাচনের পরিবেশের জন্য শুভ নয়।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, নির্দিষ্ট কিছু রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা নিজ নিজ এলাকা ছেড়ে অন্য এলাকায় গিয়ে অবস্থান করছেন। আইনে সরাসরি বাধা না থাকলেও নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অন্তত দুই দিন আগে বহিরাগতদের এলাকা ত্যাগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন, যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলার সুযোগ না থাকে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে বলে জানান তিনি।
৫৫ হাজারের বেশি স্থানীয় পর্যবেক্ষক অনুমোদনের বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, ইসি কি সবকিছু গভীরভাবে চিন্তাভাবনা করে এত বিপুল সংখ্যক পর্যবেক্ষক অনুমোদন দিয়েছে? যাদের সত্যিকার অর্থে সক্ষমতা আছে, শুধু তাদেরই পর্যবেক্ষক করা উচিত। একই সঙ্গে একটি কেন্দ্রে যেন একসঙ্গে অতিরিক্ত পর্যবেক্ষক ঢুকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করে, সে দিকেও নজর দিতে হবে।
ভোটার মাইগ্রেশন প্রসঙ্গে নজরুল ইসলাম খান বলেন, অনেক এলাকায় যেখানে একটি বাড়িতে সর্বোচ্চ ৪–৫ জন বসবাস করার কথা, সেখানে ২০–৩০ জন ভোটার দেখানো হয়েছে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে হোল্ডিং নম্বর ছাড়াই ভোটার নিবন্ধন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। “ইসি বলছে তারা এসবের প্রমাণ পায়নি, তবে আমাদের দেওয়া তথ্যে আমরা সন্তুষ্ট হইনি,” বলেন নজরুল ইসলাম খান।
তিনি ইসির কাছে আসনভিত্তিক ভোটার স্থানান্তরের বিস্তারিত তথ্য সরবরাহের দাবি জানান এবং বলেন, সন্দেহজনক কিছু প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নিতে কমিশনকে অনুরোধ করা হয়েছে।
এ ছাড়া বিভিন্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষার নামে তথাকথিত ‘শান্তি কমিটি’ গঠনের অভিযোগও তোলেন নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি ও বিরোধী পক্ষকে দমনের আশঙ্কা রয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এ ধরনের কোনো তথ্য তাদের জানা নেই।
বৈঠক শেষে নজরুল ইসলাম খান আশা প্রকাশ করেন, একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন বিএনপির উত্থাপিত অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।
সিইসির সঙ্গে বৈঠকে নজরুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে বিএনপি প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ এবং নির্বাচন কমিশনের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. মোহাম্মদ জাকারিয়া।

নির্বাচনের আগে বিশেষ কিছু আসনে অস্বাভাবিকভাবে ভোটার স্থানান্তর (মাইগ্রেশন) হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ রাখতে আইনে যাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে, কেবল তাদেরই নির্বাচনী দায়িত্বে রাখা উচিত।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, আজ বিএনসিসি আনা হচ্ছে, কাল হয়তো স্কাউটকেও আনা হবে। এভাবে অপ্রয়োজনীয় বাহিনী যুক্ত করা নির্বাচনের পরিবেশের জন্য শুভ নয়।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, নির্দিষ্ট কিছু রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা নিজ নিজ এলাকা ছেড়ে অন্য এলাকায় গিয়ে অবস্থান করছেন। আইনে সরাসরি বাধা না থাকলেও নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অন্তত দুই দিন আগে বহিরাগতদের এলাকা ত্যাগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন, যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলার সুযোগ না থাকে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে বলে জানান তিনি।
৫৫ হাজারের বেশি স্থানীয় পর্যবেক্ষক অনুমোদনের বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, ইসি কি সবকিছু গভীরভাবে চিন্তাভাবনা করে এত বিপুল সংখ্যক পর্যবেক্ষক অনুমোদন দিয়েছে? যাদের সত্যিকার অর্থে সক্ষমতা আছে, শুধু তাদেরই পর্যবেক্ষক করা উচিত। একই সঙ্গে একটি কেন্দ্রে যেন একসঙ্গে অতিরিক্ত পর্যবেক্ষক ঢুকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করে, সে দিকেও নজর দিতে হবে।
ভোটার মাইগ্রেশন প্রসঙ্গে নজরুল ইসলাম খান বলেন, অনেক এলাকায় যেখানে একটি বাড়িতে সর্বোচ্চ ৪–৫ জন বসবাস করার কথা, সেখানে ২০–৩০ জন ভোটার দেখানো হয়েছে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে হোল্ডিং নম্বর ছাড়াই ভোটার নিবন্ধন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। “ইসি বলছে তারা এসবের প্রমাণ পায়নি, তবে আমাদের দেওয়া তথ্যে আমরা সন্তুষ্ট হইনি,” বলেন নজরুল ইসলাম খান।
তিনি ইসির কাছে আসনভিত্তিক ভোটার স্থানান্তরের বিস্তারিত তথ্য সরবরাহের দাবি জানান এবং বলেন, সন্দেহজনক কিছু প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নিতে কমিশনকে অনুরোধ করা হয়েছে।
এ ছাড়া বিভিন্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষার নামে তথাকথিত ‘শান্তি কমিটি’ গঠনের অভিযোগও তোলেন নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি ও বিরোধী পক্ষকে দমনের আশঙ্কা রয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এ ধরনের কোনো তথ্য তাদের জানা নেই।
বৈঠক শেষে নজরুল ইসলাম খান আশা প্রকাশ করেন, একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন বিএনপির উত্থাপিত অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।
সিইসির সঙ্গে বৈঠকে নজরুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে বিএনপি প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ এবং নির্বাচন কমিশনের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. মোহাম্মদ জাকারিয়া।

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে গঠিত জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি প্রথমবারের মতো আগামী ৪ আগস্ট বৈঠকে বসছে। তবে সংবিধান সংস্কার নাকি সংশোধন— এ মৌলিক মতপার্থক্যের কারণে বিরোধী দল এখনো কমিটিতে যোগ না দেওয়ায় তাদের জন্য নির্ধারিত পাঁচটি পদ শূন্যই থাকছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানুষের আত্মত্যাগ এবং পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠনের পরও রাষ্ট্র ও প্রশাসনে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন না হওয়ায় আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘আমি দেখছি যে, কিছুই বদলায়নি।’
১৪ ঘণ্টা আগে
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা উভয়েই একমত, পারস্পরিক স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এবং আমি যেমন সবসময় বলি, সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে আমাদের দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া উচিত।’
১৯ ঘণ্টা আগে
অভিযোগ অনুযায়ী, হবিগঞ্জে এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন। এ ছাড়া আরও ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১০০ জনের বিরুদ্ধে এনসিপি নেতাদের গাড়িবহরে হামলা ও নেতাকর্মীদের মারধরের অভিযোগ করেছে দলটি।
১ দিন আগে