
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে নানা প্রলোভনের অভিযোগ করে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকার বেগম জিয়াকে অনেক লোভ দেখিয়েছিল, কিন্তু তিনি আপস করেননি। আমাদেরও অনেক লোভ দেখিয়েছিল। আমি যখন জেলে ছিলাম, তখন আমার কাছে লোক পাঠিয়েছিল, মন্ত্রী হতে বলেছিল কিন্তু আমি আপস করিনি। কারণ আমরা দেশনেত্রীর কাছ থেকে আপসহীনতা শিখেছি। তিনি আমাদের আপসহীন থেকে লড়াই-সংগ্রাম করা শিখিয়েছেন।’
শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদ সিডিএ বালুর মাঠে বিএনপি চেয়ারপারসন প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া মাহফিল ও আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দক্ষিণ আগ্রাবাদ ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে এই সভা আয়োজন করা হয়েছে।
আমীর খসরু বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া আমাদের গণতন্ত্র উপহার দিয়ে গেছেন, গণতন্ত্র ধরে রাখতে হবে। সব মানুষের অধিকার, মহিলাদের অধিকার ধরে রাখতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া জীবনের বেশির ভাগ সময় জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলন করেছেন। জীবনের মাত্র ২৫ ভাগ সময় তিনি ক্ষমতায় ছিলেন, বাকি ৭৫ ভাগ সময় তিনি আন্দোলন-সংগ্রাম করে গেছেন। নির্যাতিত হয়েছেন, জেলে গেছেন কিন্তু কোনো আপস করেননি।’
স্বৈরাচার এরশাদের সঙ্গে অনেকে হাত মিলিয়ে ছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা মিলিয়ে ছিলেন, এখন যারা ধর্মের রাজনীতি করছেন তারাও হাত মিলিয়ে ছিলেন। একমাত্র বেগম খালেদা জিয়া হাত মেলাননি, আপস করেননি। ওয়ান-ইলেভনের সময়ও অনেকে আপস করেছেন, কিন্তু বেগম জিয়া করেননি।’
দক্ষিণ আগ্রাবাদ ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক কামাল সরদারের সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব মো. মোস্তফার পরিচালনায় আরো বক্তব্য রাখেন নগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম সাইফুল আলম, সদস্য অ্যাডভোকেট মফিজুল হক ভূঁইয়া, মো. সেকান্দর প্রমুখ।

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে নানা প্রলোভনের অভিযোগ করে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকার বেগম জিয়াকে অনেক লোভ দেখিয়েছিল, কিন্তু তিনি আপস করেননি। আমাদেরও অনেক লোভ দেখিয়েছিল। আমি যখন জেলে ছিলাম, তখন আমার কাছে লোক পাঠিয়েছিল, মন্ত্রী হতে বলেছিল কিন্তু আমি আপস করিনি। কারণ আমরা দেশনেত্রীর কাছ থেকে আপসহীনতা শিখেছি। তিনি আমাদের আপসহীন থেকে লড়াই-সংগ্রাম করা শিখিয়েছেন।’
শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদ সিডিএ বালুর মাঠে বিএনপি চেয়ারপারসন প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া মাহফিল ও আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দক্ষিণ আগ্রাবাদ ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে এই সভা আয়োজন করা হয়েছে।
আমীর খসরু বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া আমাদের গণতন্ত্র উপহার দিয়ে গেছেন, গণতন্ত্র ধরে রাখতে হবে। সব মানুষের অধিকার, মহিলাদের অধিকার ধরে রাখতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া জীবনের বেশির ভাগ সময় জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলন করেছেন। জীবনের মাত্র ২৫ ভাগ সময় তিনি ক্ষমতায় ছিলেন, বাকি ৭৫ ভাগ সময় তিনি আন্দোলন-সংগ্রাম করে গেছেন। নির্যাতিত হয়েছেন, জেলে গেছেন কিন্তু কোনো আপস করেননি।’
স্বৈরাচার এরশাদের সঙ্গে অনেকে হাত মিলিয়ে ছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা মিলিয়ে ছিলেন, এখন যারা ধর্মের রাজনীতি করছেন তারাও হাত মিলিয়ে ছিলেন। একমাত্র বেগম খালেদা জিয়া হাত মেলাননি, আপস করেননি। ওয়ান-ইলেভনের সময়ও অনেকে আপস করেছেন, কিন্তু বেগম জিয়া করেননি।’
দক্ষিণ আগ্রাবাদ ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক কামাল সরদারের সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব মো. মোস্তফার পরিচালনায় আরো বক্তব্য রাখেন নগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম সাইফুল আলম, সদস্য অ্যাডভোকেট মফিজুল হক ভূঁইয়া, মো. সেকান্দর প্রমুখ।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠিয়েছে। তাই তারা যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করবেন।
৬ দিন আগে
বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৬ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৬ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৮ দিন আগে