
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় ভিন্ন জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আগে নির্বাচনে নৌকা ও ধানের শীষ ছিল। এবার নৌকা নেই। নৌকার কান্ডারি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে গেছেন। পালালো তো পালালো, এখানে যারা আওয়ামী লীগ করে, তাকে সমর্থন করে, নৌকায় ভোট দিতো, সবগুলাকে বিপদে ফেলে চলে গেল। এ রকম নেতা তো আমরা চাই না। যে নিজের লোককে ফেলে পালায় যাবে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বেগুনবাড়ি ইউনিয়নে এক নির্বাচনি সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
কিছু খারাপ লোক আছে, যারা বিভেদ সৃষ্টি করতে চায় মন্তব্য করে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সংসদ সদস্য নির্বাচন। দেশের মানুষ ভোট বলতে মূলত চেয়ারম্যান ও এমপি নির্বাচনকেই বোঝে। কিন্তু গত সরকারের আমলে এসব ভোট আগেই হয়ে যেত, ভোটাররা প্রকৃত অর্থে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেতেন না।
তিনি বলেন, আমরা রাজনীতি করি ব্যবসা করার জন্য নয়, মানুষের সেবা করার জন্য। ত্যাগ আর আদর্শ নিয়ে রাজনীতি করি। মানুষের সঙ্গে কখনো আমানতের খিয়ানত করি না।
দীর্ঘ সময় পর ভোটের সুযোগ আসার কথা উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, এবার জনগণের সামনে তাদের মত প্রকাশের সুযোগ এসেছে। ভোট দিয়ে নতুন একজন সংসদ সদস্য নির্বাচন করা হবে, যিনি এলাকার উন্নয়ন এবং একটি সুন্দর দেশ গড়তে আইন প্রণয়নে ভূমিকা রাখবেন।
তিনি আরও বলেন, গত ১৫ বছর আমরা ভোট দিতে পারিনি। এবার নারী-পুরুষ, হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে সবাই ভোট দিতে পারবে বলে আমরা আশা করছি। এবার নতুন ভোটারও অনেক, তারাই তাদের মতামত প্রকাশ করবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে নিজের শেষ নির্বাচন উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, বয়সের ভার থাকলেও এখনো কাজ করার মানসিক শক্তি ও সাহস তাঁর রয়েছে। ৭৮ বছর বয়স হয়েছে। নানা রোগে ভুগছি, তবুও মনে হয়—আরও কিছুদিন দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে পারব, বলেন তিনি।

এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় ভিন্ন জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আগে নির্বাচনে নৌকা ও ধানের শীষ ছিল। এবার নৌকা নেই। নৌকার কান্ডারি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে গেছেন। পালালো তো পালালো, এখানে যারা আওয়ামী লীগ করে, তাকে সমর্থন করে, নৌকায় ভোট দিতো, সবগুলাকে বিপদে ফেলে চলে গেল। এ রকম নেতা তো আমরা চাই না। যে নিজের লোককে ফেলে পালায় যাবে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বেগুনবাড়ি ইউনিয়নে এক নির্বাচনি সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
কিছু খারাপ লোক আছে, যারা বিভেদ সৃষ্টি করতে চায় মন্তব্য করে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সংসদ সদস্য নির্বাচন। দেশের মানুষ ভোট বলতে মূলত চেয়ারম্যান ও এমপি নির্বাচনকেই বোঝে। কিন্তু গত সরকারের আমলে এসব ভোট আগেই হয়ে যেত, ভোটাররা প্রকৃত অর্থে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেতেন না।
তিনি বলেন, আমরা রাজনীতি করি ব্যবসা করার জন্য নয়, মানুষের সেবা করার জন্য। ত্যাগ আর আদর্শ নিয়ে রাজনীতি করি। মানুষের সঙ্গে কখনো আমানতের খিয়ানত করি না।
দীর্ঘ সময় পর ভোটের সুযোগ আসার কথা উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, এবার জনগণের সামনে তাদের মত প্রকাশের সুযোগ এসেছে। ভোট দিয়ে নতুন একজন সংসদ সদস্য নির্বাচন করা হবে, যিনি এলাকার উন্নয়ন এবং একটি সুন্দর দেশ গড়তে আইন প্রণয়নে ভূমিকা রাখবেন।
তিনি আরও বলেন, গত ১৫ বছর আমরা ভোট দিতে পারিনি। এবার নারী-পুরুষ, হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে সবাই ভোট দিতে পারবে বলে আমরা আশা করছি। এবার নতুন ভোটারও অনেক, তারাই তাদের মতামত প্রকাশ করবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে নিজের শেষ নির্বাচন উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, বয়সের ভার থাকলেও এখনো কাজ করার মানসিক শক্তি ও সাহস তাঁর রয়েছে। ৭৮ বছর বয়স হয়েছে। নানা রোগে ভুগছি, তবুও মনে হয়—আরও কিছুদিন দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে পারব, বলেন তিনি।

সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৭ দিন আগে
প্রস্তাবিত এ বাজেট নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় দলটি বলছে, বজেটের আকার বড় দেখানোর জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা প্রাক্কলন করা হয়েছে। এই বিশালাকৃতির বাজেট অবাস্তব এবং কোনোভাবেই অর্জনযোগ্য নয়।
৯ দিন আগে