
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সমাবেশে যোগ দিতে রাজধানীর শাহবাগে জড়ো হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এরই মধ্যে সমাবেশস্থল সংগঠনটির নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে ভরপুর হয়ে উঠেছে।
জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ সমাবেশ করছে ছাত্রদল। রোববার (৩ আগস্ট) দুপুর আড়াইটায় আনুষ্ঠানিকভাবে সমাবেশ শুরুর কথা রয়েছে।
এ সমাবেশে যোগ দিতে আগেই সারা দেশ থেকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ঢাকায় আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ছাত্রদল জানিয়েছিল, ছাত্রদলের ইতিহাসে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় সমাবেশে পরিণত করতে চায় তারা।
সরেজমিনে দেখা যায়, সমাবেশের জন্য শাহবাগ মোড়ে মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। মূল মঞ্চের কাজ শেষ হলেও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ অবশ্য রোববার দুপুর ১২টার দিকেও চলছিল। এর মধ্যেই দেশের প্রান্ত থেকে জড়ো হওয়া নেতাকর্মীদের ভিড় বাড়তে থাকে শাহবাগ মোড় ঘিরে। চারপাশ থেকেই খণ্ড খণ্ড মিছিল এসে মিলিত হচ্ছিল সেখানে।
শাহবাগ মোড়ে থেমে থেমে নেতাকর্মীদের স্লোগান দিতে দেখা গেছে। কারও কারও হাতে জাতীয় ও দলীয় পতাকা দেখা গেছে। অনেকে এদিক সেদিক ঘোরাফেরা করছেন। শাহবাগ এলাকায় যান চলাচল বন্ধ থাকায় রাস্তায় অনেকে বসে পড়েছেন।
ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির বলেন, শাহবাগে আজ ছাত্রদলের ঐতিহাসিক ছাত্রসমাবেশ হবে। শাহবাগে অতীতে যত রাজনৈতিক ও ছাত্রসমাবেশ হয়েছে, সবচেয়ে বড় ছাত্রসমাবেশ ছাত্রদল আজ উপহার দেবে।

শাহবাগে আগস্ট বর্ষপূর্তির সমাবেশকে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় সমাবেশে পরিণত করতে সব প্রস্তুতি শেষ করেছে বলে জানিয়েছে ছাত্রদল। ছবি: ফোকাস বাংলা
তিনি বলেন, আজকের সমাবেশ অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ধারাকে গত ১৭ বছর ব্যহত করা হয়েছিল। তরুণরা নিজেদের জীবনের বিনিময়ে খুনি শেখ হাসিনাকে বিতাড়িত করেছে। সেই তরুণদের ঐকবদ্ধ অংশগ্রহণে মাধ্যমে আজকে সমাবেশ সফল করব। লক্ষাধিক নেতাকর্মী সমাবেশ যোগ দেবেন।
পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশও এ সমাবেশে যোগ দেবেন বলে আশা প্রকাশ করেন নাছির। তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে ছাত্রদল ইতিবাচক রাজনীতির মাইলফলক তৈরি করেছে।
ছাত্রদলের সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সমাবেশের প্রধান বক্তা বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল। সভাপতিত্ব করবেন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব। সঞ্চালনা করবেন সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসির।
এদিকে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে বিকেলে সমাবেশ করবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। গত বছরের এ দিনে আওয়ামী লীগ সরকারের পদত্যাগের ১ দফা ঘোষণা করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কারীরা। দিনটি স্মরণ করতে এ সমাবেশ করছে ছাত্রদল ও এনসিপি।
সমাবেশ ঘিরে শাহবাগ, শহিদ মিনার ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এলাকায় প্রচুর জনসমাগম ঘটবে। ফলে শাহবাগ ক্রসিং দিয়ে যান চলাচল সম্ভব হবে না বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। মহানগরবাসীকে শাহবাগ এড়িয়ে বিকল্প পথে চলাচলের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

সমাবেশে যোগ দিতে রাজধানীর শাহবাগে জড়ো হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এরই মধ্যে সমাবেশস্থল সংগঠনটির নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে ভরপুর হয়ে উঠেছে।
জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ সমাবেশ করছে ছাত্রদল। রোববার (৩ আগস্ট) দুপুর আড়াইটায় আনুষ্ঠানিকভাবে সমাবেশ শুরুর কথা রয়েছে।
এ সমাবেশে যোগ দিতে আগেই সারা দেশ থেকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ঢাকায় আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ছাত্রদল জানিয়েছিল, ছাত্রদলের ইতিহাসে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় সমাবেশে পরিণত করতে চায় তারা।
সরেজমিনে দেখা যায়, সমাবেশের জন্য শাহবাগ মোড়ে মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। মূল মঞ্চের কাজ শেষ হলেও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ অবশ্য রোববার দুপুর ১২টার দিকেও চলছিল। এর মধ্যেই দেশের প্রান্ত থেকে জড়ো হওয়া নেতাকর্মীদের ভিড় বাড়তে থাকে শাহবাগ মোড় ঘিরে। চারপাশ থেকেই খণ্ড খণ্ড মিছিল এসে মিলিত হচ্ছিল সেখানে।
শাহবাগ মোড়ে থেমে থেমে নেতাকর্মীদের স্লোগান দিতে দেখা গেছে। কারও কারও হাতে জাতীয় ও দলীয় পতাকা দেখা গেছে। অনেকে এদিক সেদিক ঘোরাফেরা করছেন। শাহবাগ এলাকায় যান চলাচল বন্ধ থাকায় রাস্তায় অনেকে বসে পড়েছেন।
ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির বলেন, শাহবাগে আজ ছাত্রদলের ঐতিহাসিক ছাত্রসমাবেশ হবে। শাহবাগে অতীতে যত রাজনৈতিক ও ছাত্রসমাবেশ হয়েছে, সবচেয়ে বড় ছাত্রসমাবেশ ছাত্রদল আজ উপহার দেবে।

শাহবাগে আগস্ট বর্ষপূর্তির সমাবেশকে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় সমাবেশে পরিণত করতে সব প্রস্তুতি শেষ করেছে বলে জানিয়েছে ছাত্রদল। ছবি: ফোকাস বাংলা
তিনি বলেন, আজকের সমাবেশ অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ধারাকে গত ১৭ বছর ব্যহত করা হয়েছিল। তরুণরা নিজেদের জীবনের বিনিময়ে খুনি শেখ হাসিনাকে বিতাড়িত করেছে। সেই তরুণদের ঐকবদ্ধ অংশগ্রহণে মাধ্যমে আজকে সমাবেশ সফল করব। লক্ষাধিক নেতাকর্মী সমাবেশ যোগ দেবেন।
পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশও এ সমাবেশে যোগ দেবেন বলে আশা প্রকাশ করেন নাছির। তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে ছাত্রদল ইতিবাচক রাজনীতির মাইলফলক তৈরি করেছে।
ছাত্রদলের সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সমাবেশের প্রধান বক্তা বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল। সভাপতিত্ব করবেন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব। সঞ্চালনা করবেন সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসির।
এদিকে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে বিকেলে সমাবেশ করবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। গত বছরের এ দিনে আওয়ামী লীগ সরকারের পদত্যাগের ১ দফা ঘোষণা করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কারীরা। দিনটি স্মরণ করতে এ সমাবেশ করছে ছাত্রদল ও এনসিপি।
সমাবেশ ঘিরে শাহবাগ, শহিদ মিনার ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এলাকায় প্রচুর জনসমাগম ঘটবে। ফলে শাহবাগ ক্রসিং দিয়ে যান চলাচল সম্ভব হবে না বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। মহানগরবাসীকে শাহবাগ এড়িয়ে বিকল্প পথে চলাচলের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠিয়েছে। তাই তারা যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করবেন।
৬ দিন আগে
বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৬ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৬ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৮ দিন আগে