
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় বিএনপি থেকে আরো ২৭ নেতাকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকালে উপজেলা বিএনপির সভাপতি জয়নাল আবেদিন ভূঞা ও সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান মজনুর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
অব্যাহতিপ্রাপ্তরা হলেন- উপজেলার দলপা ইউনিয়ন বিএনপির দপ্তর সম্পাদক আব্দুল হাসেম, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক শফিক, ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জজ মিয়া, ২নং ওয়ার্ডের সদস্য আবুল মিয়া, আবুল হাসেম মেম্বার, সাইদুল হক মেম্বার, ৪নং ওয়ার্ডের সদস্য হাবিবুর রহমান তালুকদার, ৫নং ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুল মোতালিব, ৭নং ওয়ার্ডের সদস্য সাইফুল ইসলাম নয়ন, সৈয়দ উসমান গণি দুলু, ৮নং ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুল মোতালিব, ৭নং ওয়ার্ডের সদস্য নজরুল ইসলাম মণ্ডল, ৯নং ওয়ার্ডের সভাপতি গোলাম মোস্তফা, সদস্য নূর মোহাম্মদ স্বপন, উপজেলার সান্দিকোনা ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য মো. ফজলু মিয়া, মো. আতিকুর রহমান ভূঞা, মো. আব্দুল লতিফ, মো. আসাদুজ্জামান বাবুল, মো. আবুল বাশার, মো. ইদ্রিস মিয়া (ইদু), অত্র ইউনিয়নের ২নং বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হলুদ মিয়া, ৬নং ওয়ার্ডের সদস্য মো. আব্দুল হেকিম, ১নং ওয়ার্ডের সদস্য মো.হাদিছ মিয়া, ৮নং ওয়ার্ডের সদস্য মো. মল্লিক মিয়া, নওপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য মো. বাহার উদ্দিন, রিয়াজ উদ্দিন, কামরুজ্জামান কনক।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার জন্য বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে তাদের অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে কেন্দুয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মজিবুর রহমান মজনু বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় দল থেকে ২৭ নেতাকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।

দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় বিএনপি থেকে আরো ২৭ নেতাকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকালে উপজেলা বিএনপির সভাপতি জয়নাল আবেদিন ভূঞা ও সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান মজনুর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
অব্যাহতিপ্রাপ্তরা হলেন- উপজেলার দলপা ইউনিয়ন বিএনপির দপ্তর সম্পাদক আব্দুল হাসেম, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক শফিক, ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জজ মিয়া, ২নং ওয়ার্ডের সদস্য আবুল মিয়া, আবুল হাসেম মেম্বার, সাইদুল হক মেম্বার, ৪নং ওয়ার্ডের সদস্য হাবিবুর রহমান তালুকদার, ৫নং ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুল মোতালিব, ৭নং ওয়ার্ডের সদস্য সাইফুল ইসলাম নয়ন, সৈয়দ উসমান গণি দুলু, ৮নং ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুল মোতালিব, ৭নং ওয়ার্ডের সদস্য নজরুল ইসলাম মণ্ডল, ৯নং ওয়ার্ডের সভাপতি গোলাম মোস্তফা, সদস্য নূর মোহাম্মদ স্বপন, উপজেলার সান্দিকোনা ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য মো. ফজলু মিয়া, মো. আতিকুর রহমান ভূঞা, মো. আব্দুল লতিফ, মো. আসাদুজ্জামান বাবুল, মো. আবুল বাশার, মো. ইদ্রিস মিয়া (ইদু), অত্র ইউনিয়নের ২নং বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হলুদ মিয়া, ৬নং ওয়ার্ডের সদস্য মো. আব্দুল হেকিম, ১নং ওয়ার্ডের সদস্য মো.হাদিছ মিয়া, ৮নং ওয়ার্ডের সদস্য মো. মল্লিক মিয়া, নওপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য মো. বাহার উদ্দিন, রিয়াজ উদ্দিন, কামরুজ্জামান কনক।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার জন্য বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে তাদের অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে কেন্দুয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মজিবুর রহমান মজনু বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় দল থেকে ২৭ নেতাকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।

জোটের নেতারা পথসভায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট, দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, দলীয়করণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের মতো বিষয় সামনে আনেন। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার দাবি না মানলে আট দফা যেকোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে।
২ দিন আগে
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভার্চ্যুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করলেও এবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
২ দিন আগে
জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
২ দিন আগে
লংমার্চের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘আপনাদের দাবিতে আমরা রাস্তায় নেমেছি। কোনো দলীয় নয়, ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে নেমেছি।’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থে ঘোষিত আট দফা দাবি যেকোনো সময় এক দফায় রূপ নিতে পারে।
২ দিন আগে