
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জীবনের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের ভোটারদের কাছে এক আবেগঘন আবেদন জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে নিজের ‘শেষ নির্বাচন’ ঘোষণা দিয়ে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়েছেন। সেখানে নিজেকে ‘চেনা লোক’ ও ‘সেবক’ হিসেবে উল্লেখ করে ভোটারদের কাছে শেষবারের মতো সুযোগ চেয়েছেন এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই আকুতি জানান। পোস্টটি শেয়ার করার মুহূর্তেই তা নেট দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে এবং সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
পোস্টে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর লিখেছেন, জীবনের শেষ প্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছি। এটাই আমার শেষ নির্বাচন। একজন চেনা লোক হিসেবে, আপনাদের সেবক হিসেবে শেষবারের মতো আমাকে সুযোগ দিন যাতে আপনাদের অসমাপ্ত স্বপ্নগুলো আমি সত্যি করে যেতে পারি।
বিএনপির এই শীর্ষ নেতার এমন ‘বিদায়ী বার্তা’র পর ঠাকুরগাঁওসহ দেশজুড়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহযোদ্ধারা একে একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদের জীবনের শেষ ইচ্ছা হিসেবে দেখছেন।
মির্জা ফখরুল তার বার্তায় নিজেকে ‘আপনাদের সেবক’ হিসেবে পরিচয় দিয়ে ভোটারদের ব্যক্তিগত সম্পর্কের কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন।
ধানের শীষ প্রতীকের এই প্রার্থীর এমন আহ্বানে নির্বাচনি লড়াইয়ে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
উল্লেখ্য, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি মহাসচিবের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ঠাকুরগাঁওয়ের রাজনীতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে পরিচিত। তার এই আবেগঘন আবেদনের পর নির্বাচনি মাঠের সমীকরণ কী দাঁড়ায়, তা দেখার জন্য এখন অপেক্ষা ভোটের দিন পর্যন্ত।

জীবনের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের ভোটারদের কাছে এক আবেগঘন আবেদন জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে নিজের ‘শেষ নির্বাচন’ ঘোষণা দিয়ে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়েছেন। সেখানে নিজেকে ‘চেনা লোক’ ও ‘সেবক’ হিসেবে উল্লেখ করে ভোটারদের কাছে শেষবারের মতো সুযোগ চেয়েছেন এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই আকুতি জানান। পোস্টটি শেয়ার করার মুহূর্তেই তা নেট দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে এবং সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
পোস্টে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর লিখেছেন, জীবনের শেষ প্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছি। এটাই আমার শেষ নির্বাচন। একজন চেনা লোক হিসেবে, আপনাদের সেবক হিসেবে শেষবারের মতো আমাকে সুযোগ দিন যাতে আপনাদের অসমাপ্ত স্বপ্নগুলো আমি সত্যি করে যেতে পারি।
বিএনপির এই শীর্ষ নেতার এমন ‘বিদায়ী বার্তা’র পর ঠাকুরগাঁওসহ দেশজুড়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহযোদ্ধারা একে একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদের জীবনের শেষ ইচ্ছা হিসেবে দেখছেন।
মির্জা ফখরুল তার বার্তায় নিজেকে ‘আপনাদের সেবক’ হিসেবে পরিচয় দিয়ে ভোটারদের ব্যক্তিগত সম্পর্কের কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন।
ধানের শীষ প্রতীকের এই প্রার্থীর এমন আহ্বানে নির্বাচনি লড়াইয়ে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
উল্লেখ্য, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি মহাসচিবের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ঠাকুরগাঁওয়ের রাজনীতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে পরিচিত। তার এই আবেগঘন আবেদনের পর নির্বাচনি মাঠের সমীকরণ কী দাঁড়ায়, তা দেখার জন্য এখন অপেক্ষা ভোটের দিন পর্যন্ত।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠিয়েছে। তাই তারা যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করবেন।
৫ দিন আগে
বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৫ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৫ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে