
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

২২ বছর পর আজ বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান খুলনা আসছেন। তাঁর আগমনে একদিকে নেতা-কর্মীদের উচ্ছ্বাস, অন্যদিকে দাবি আদায়ের প্রত্যাশার নতুন দিগন্ত সৃষ্টি হয়েছে। হেলিকপ্টারে খুলনায় এসে দুপুর ১২টায় খালিশপুর প্রভাতী স্কুল মাঠে জনসভায় বক্তব্য দেবেন। এই জনসভা শেষে দুপুর ১টার দিকে হেলিকপ্টারে তিনি যশোরের উদ্দেশে খুলনা ছাড়বেন। যশোর উপশহর ডিগ্রি কলেজ মাঠে নির্বাচনী জনসভায় অংশ নিয়ে ২টা ৪০ মিনিটে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন।
দীর্ঘদিন পর দলীয়প্রধানের আগমনকে ঘিরে নেতাকর্মীর মধ্যে উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা বলেন, তারেক রহমানের আগমন কেবল একটি নির্বাচনি কর্মসূচি নয়, এটি নেতা-কর্মীদের সাহস-মনোবল ফিরিয়ে আনার মুহূর্ত। সেই সঙ্গে দাবি আদায়ের প্রত্যাশার সংমিশ্রণে নতুন দিগন্ত উন্মোচন হওয়ার মাহেন্দ্রক্ষণ। বিএনপি চেয়ারম্যানের আগমন ঘিরে সাজ সাজ রব অবস্থা বিরাজ করছে।
বিএনপি নেতারা জানান, ২০০৪ সালে সর্বশেষ খুলনায় এসেছিলেন তারেক রহমান। এবারের জনসভায় পাঁচ থেকে আট লাখ লোক জমায়েতের টার্গেট নেওয়া হয়েছে।
জনসভার প্রস্তুতির বিষয়ে জানাতে গতকাল রোববার নগরীর একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলন করে খুলনা মহানগর বিএনপি। সেখানে খুলনা-৩ আসনের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে জনসভায় একটি সুস্পষ্ট ও সময়োপযোগী উন্নয়ন রূপরেখা তুলে ধরবেন তারেক রহমান। সুন্দরবন ঘিরে পর্যটন শিল্পের বিকাশ, উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জান-মাল রক্ষায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা মিল-কারখানা ফের চালু, খুলনায় গ্যাস সংযোগ নিশ্চিত করা এবং নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণসহ দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক পুনর্জাগরণের নানা পরিকল্পনা তাঁর বক্তব্যে গুরুত্ব পাবে।
খুলনা-২ আসনের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, প্রভাতী স্কুল মাঠের জনসভা শুধু একটি নির্বাচনী সমাবেশ নয়, বরং খুলনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে উঠবে।
প্রথমবারের মতো যশোরে
প্রথমবারের মতো আজ যশোরে আসছেন তারেক রহমান। এ নিয়ে বৃহত্তর যশোর-কুষ্টিয়ার সাত জেলার নেতাকর্মীর মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। উন্নয়নবঞ্চিত এই অঞ্চলে নির্বাচনী জনসভাটি রাজনীতিতে ইচিবাচক প্রভাব ফেলবে– এমনটাই মনে করছেন নেতাকর্মীরা।
গতকাল দুপুরে যশোর প্রেস ক্লাবে সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে জেলা বিএনপি। সংবাদ সম্মেলনে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের পর সারা বাংলাদেশ নতুনভাবে জেগে উঠেছে। নতুন প্রত্যয়, নতুন চেতনা ও নতুনভাবে উজ্জীবিত হয়েছে।
জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেরুল হক সাবু বলেন, সোমবারের জনসভা শুধু উপশহর মাঠেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, এটি আশপাশের সড়ক ছাড়াও শহর জনসমুদ্রে পরিণত হবে।
নেতারা জানান, জনসভায় যশোর, নড়াইল, মাগুরা, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ও কুষ্টিয়ার বিএনপির ২২ প্রার্থীকে পরিচয় করিয়ে দেবেন তারেক রহমান।
এদিকে তারেক রহমানের এই সফর ঘিরে নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে স্থানীয় প্রশাসন। তাঁর আগমন ও কর্মসূচি ঘিরে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা ও ট্রাফিক পুলিশের একাধিক টিম মাঠে দায়িত্ব পালন করছে। জেলা পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম বলেন, সমাবেশে আসা-যাওয়ার রাস্তা পুলিশের নজরদারিতে থাকবে।

২২ বছর পর আজ বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান খুলনা আসছেন। তাঁর আগমনে একদিকে নেতা-কর্মীদের উচ্ছ্বাস, অন্যদিকে দাবি আদায়ের প্রত্যাশার নতুন দিগন্ত সৃষ্টি হয়েছে। হেলিকপ্টারে খুলনায় এসে দুপুর ১২টায় খালিশপুর প্রভাতী স্কুল মাঠে জনসভায় বক্তব্য দেবেন। এই জনসভা শেষে দুপুর ১টার দিকে হেলিকপ্টারে তিনি যশোরের উদ্দেশে খুলনা ছাড়বেন। যশোর উপশহর ডিগ্রি কলেজ মাঠে নির্বাচনী জনসভায় অংশ নিয়ে ২টা ৪০ মিনিটে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন।
দীর্ঘদিন পর দলীয়প্রধানের আগমনকে ঘিরে নেতাকর্মীর মধ্যে উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা বলেন, তারেক রহমানের আগমন কেবল একটি নির্বাচনি কর্মসূচি নয়, এটি নেতা-কর্মীদের সাহস-মনোবল ফিরিয়ে আনার মুহূর্ত। সেই সঙ্গে দাবি আদায়ের প্রত্যাশার সংমিশ্রণে নতুন দিগন্ত উন্মোচন হওয়ার মাহেন্দ্রক্ষণ। বিএনপি চেয়ারম্যানের আগমন ঘিরে সাজ সাজ রব অবস্থা বিরাজ করছে।
বিএনপি নেতারা জানান, ২০০৪ সালে সর্বশেষ খুলনায় এসেছিলেন তারেক রহমান। এবারের জনসভায় পাঁচ থেকে আট লাখ লোক জমায়েতের টার্গেট নেওয়া হয়েছে।
জনসভার প্রস্তুতির বিষয়ে জানাতে গতকাল রোববার নগরীর একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলন করে খুলনা মহানগর বিএনপি। সেখানে খুলনা-৩ আসনের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে জনসভায় একটি সুস্পষ্ট ও সময়োপযোগী উন্নয়ন রূপরেখা তুলে ধরবেন তারেক রহমান। সুন্দরবন ঘিরে পর্যটন শিল্পের বিকাশ, উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জান-মাল রক্ষায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা মিল-কারখানা ফের চালু, খুলনায় গ্যাস সংযোগ নিশ্চিত করা এবং নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণসহ দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক পুনর্জাগরণের নানা পরিকল্পনা তাঁর বক্তব্যে গুরুত্ব পাবে।
খুলনা-২ আসনের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, প্রভাতী স্কুল মাঠের জনসভা শুধু একটি নির্বাচনী সমাবেশ নয়, বরং খুলনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে উঠবে।
প্রথমবারের মতো যশোরে
প্রথমবারের মতো আজ যশোরে আসছেন তারেক রহমান। এ নিয়ে বৃহত্তর যশোর-কুষ্টিয়ার সাত জেলার নেতাকর্মীর মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। উন্নয়নবঞ্চিত এই অঞ্চলে নির্বাচনী জনসভাটি রাজনীতিতে ইচিবাচক প্রভাব ফেলবে– এমনটাই মনে করছেন নেতাকর্মীরা।
গতকাল দুপুরে যশোর প্রেস ক্লাবে সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে জেলা বিএনপি। সংবাদ সম্মেলনে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের পর সারা বাংলাদেশ নতুনভাবে জেগে উঠেছে। নতুন প্রত্যয়, নতুন চেতনা ও নতুনভাবে উজ্জীবিত হয়েছে।
জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেরুল হক সাবু বলেন, সোমবারের জনসভা শুধু উপশহর মাঠেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, এটি আশপাশের সড়ক ছাড়াও শহর জনসমুদ্রে পরিণত হবে।
নেতারা জানান, জনসভায় যশোর, নড়াইল, মাগুরা, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ও কুষ্টিয়ার বিএনপির ২২ প্রার্থীকে পরিচয় করিয়ে দেবেন তারেক রহমান।
এদিকে তারেক রহমানের এই সফর ঘিরে নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে স্থানীয় প্রশাসন। তাঁর আগমন ও কর্মসূচি ঘিরে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা ও ট্রাফিক পুলিশের একাধিক টিম মাঠে দায়িত্ব পালন করছে। জেলা পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম বলেন, সমাবেশে আসা-যাওয়ার রাস্তা পুলিশের নজরদারিতে থাকবে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠিয়েছে। তাই তারা যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করবেন।
৫ দিন আগে
বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৫ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৫ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে