
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দিনাজপুর-৬ আসনে দলের মনোনীত প্রার্থী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, বিএনপি একটি বৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চায়। বিএনপি সব সময়ই বৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্থায় বিশ্বাসী একটি রাজনৈতিক দল।
তিনি আরও বলেন, ‘দেশের প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করাই বিএনপির রাজনীতির মূল দর্শন। জনগণের ভোটাধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আমরা শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পথেই এগিয়ে যাচ্ছি।’
রোববার বিকেলে জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলার বুলাকিপুর ইউনিয়নের কুলানন্দপুর গ্রামে এক নির্বাচনী পথসভায় ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এ কথা বলেন।
ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, দেশের চলমান সংকট উত্তরণ ও নিরসনে জনগণের ঐক্যই সবচেয়ে বড় শক্তি। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে আইনের শাসন, গণতন্ত্র ও সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, এজন্য আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সুযোগ্য পুত্র দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করে তাকে রাষ্ট্র পরিচালনায় দায়িত্ব দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, তবেই বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের মানুষের চাওয়া-পাওয়া সহজে পূরণ করা সম্ভব হবে।
এ সময় ধানের শীষ মার্কায় ভোট দিয়ে বিএনপিকে বিজয়ী করতে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
সভায় অন্যান্যের আরও উপস্থিত ছিলেন ঘোড়াঘাট উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহ মো. শামীম হোসেন চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহফুজার রহমান লাভলু, উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক এটিএম মাহফুজুল হক মাফুজ, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মোফাজ্জল হোসেন প্রধান, উপজেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন রানুসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দিনাজপুর-৬ আসনে দলের মনোনীত প্রার্থী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, বিএনপি একটি বৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চায়। বিএনপি সব সময়ই বৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্থায় বিশ্বাসী একটি রাজনৈতিক দল।
তিনি আরও বলেন, ‘দেশের প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করাই বিএনপির রাজনীতির মূল দর্শন। জনগণের ভোটাধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আমরা শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পথেই এগিয়ে যাচ্ছি।’
রোববার বিকেলে জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলার বুলাকিপুর ইউনিয়নের কুলানন্দপুর গ্রামে এক নির্বাচনী পথসভায় ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এ কথা বলেন।
ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, দেশের চলমান সংকট উত্তরণ ও নিরসনে জনগণের ঐক্যই সবচেয়ে বড় শক্তি। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে আইনের শাসন, গণতন্ত্র ও সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, এজন্য আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সুযোগ্য পুত্র দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করে তাকে রাষ্ট্র পরিচালনায় দায়িত্ব দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, তবেই বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের মানুষের চাওয়া-পাওয়া সহজে পূরণ করা সম্ভব হবে।
এ সময় ধানের শীষ মার্কায় ভোট দিয়ে বিএনপিকে বিজয়ী করতে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
সভায় অন্যান্যের আরও উপস্থিত ছিলেন ঘোড়াঘাট উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহ মো. শামীম হোসেন চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহফুজার রহমান লাভলু, উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক এটিএম মাহফুজুল হক মাফুজ, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মোফাজ্জল হোসেন প্রধান, উপজেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন রানুসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠিয়েছে। তাই তারা যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করবেন।
৫ দিন আগে
বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৫ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৫ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে