
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেছেন, তাকে যেন ‘মাননীয়’ শব্দ বলে সম্মোধন না করা হয়। শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটনে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা উল্লেখ করেন।
ঢাকার একজন সাংবাদিক নেতা বিএনপির প্রধানকে মাননীয় বলায় এর প্রতিক্রিয়ায় তারেক রহমান বলেন, “দয়া করে আমার নামের আগে ‘মাননীয়’ সম্বোধন করবেন না।”
এ ছাড়া এই মতবিনিময় অনুষ্ঠানে সাংবাদিক নেতাদের মন খুলে কথা বলার আহ্বান জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘বেশ কঠিন সময়ে তারেক রহমান বিদেশ থেকে দেশে এসেছেন। সমগ্র দেশের মানুষ এক বুকভরা প্রত্যাশা নিয়ে অপেক্ষা করছেন।’
‘দূর (লন্ডনে থাকা অবস্থায়) থেকে তিনি যে সমস্ত কথা আমাদের সামনে বলেছেন, তা গোটা জাতিকে অনেক বেশি আশান্বিত হয়েছেন। আশান্বিত হয়েছি এজন্যই, এবার একটা সুযোগ সৃষ্টি হবে সত্যিকার অর্থেই উদারপন্থি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আমরা সৃষ্টি করতে পারবো,’— বলেন মির্জা ফখরুল।
বিএনপির এই শীর্ষ নেতা আরও বলেন, ‘আজকে আমি কথা বলতে আসিনি। আজকে আমাদের চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলবেন, আমরা শুনবো। যদিও ঠান্ডা লেগে তার কণ্ঠের কিছুটা সমস্যা হয়েছে। তারপর তিনি খুবই আপনাদের সঙ্গে কথা বলতে অত্যন্ত উৎসুক।’
অনুষ্ঠানে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, ‘দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হলে যেকোনো মূল্যে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং প্রতিটি পর্যায়ে জবাবপদিহিতা অব্যাহত রাখতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের মধ্যে অনেক মতপার্থক্য আছে, থাকতে পারে। কিন্তু আপনাদের মাধ্যমে আমি সব রাজনৈতিক দলসহ দেশের সব মানুষের প্রতি আহ্বান জানাতে চাই, আমরা সব মতপার্থক্য নিয়ে যেন আলোচনা করতে পারি।’
এ ছাড়া আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতীয় নির্বাচনের মধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে উল্লেখ করে তারেক রহমান আরও বলেন, ‘এই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া যেন আমরা অব্যাহত রাখতে পারি। দেশকে এগিয়ে নিতে যেকোনো মূল্যে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া চালু রাখতে হবে। স্থানীয় পর্যায় থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত জবাবদিহিতা চালু রাখতে হবে। একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখতে পারলে তাহলেই আমরা একটি গুণগত পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম হব।’

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেছেন, তাকে যেন ‘মাননীয়’ শব্দ বলে সম্মোধন না করা হয়। শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটনে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা উল্লেখ করেন।
ঢাকার একজন সাংবাদিক নেতা বিএনপির প্রধানকে মাননীয় বলায় এর প্রতিক্রিয়ায় তারেক রহমান বলেন, “দয়া করে আমার নামের আগে ‘মাননীয়’ সম্বোধন করবেন না।”
এ ছাড়া এই মতবিনিময় অনুষ্ঠানে সাংবাদিক নেতাদের মন খুলে কথা বলার আহ্বান জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘বেশ কঠিন সময়ে তারেক রহমান বিদেশ থেকে দেশে এসেছেন। সমগ্র দেশের মানুষ এক বুকভরা প্রত্যাশা নিয়ে অপেক্ষা করছেন।’
‘দূর (লন্ডনে থাকা অবস্থায়) থেকে তিনি যে সমস্ত কথা আমাদের সামনে বলেছেন, তা গোটা জাতিকে অনেক বেশি আশান্বিত হয়েছেন। আশান্বিত হয়েছি এজন্যই, এবার একটা সুযোগ সৃষ্টি হবে সত্যিকার অর্থেই উদারপন্থি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আমরা সৃষ্টি করতে পারবো,’— বলেন মির্জা ফখরুল।
বিএনপির এই শীর্ষ নেতা আরও বলেন, ‘আজকে আমি কথা বলতে আসিনি। আজকে আমাদের চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলবেন, আমরা শুনবো। যদিও ঠান্ডা লেগে তার কণ্ঠের কিছুটা সমস্যা হয়েছে। তারপর তিনি খুবই আপনাদের সঙ্গে কথা বলতে অত্যন্ত উৎসুক।’
অনুষ্ঠানে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, ‘দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হলে যেকোনো মূল্যে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং প্রতিটি পর্যায়ে জবাবপদিহিতা অব্যাহত রাখতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের মধ্যে অনেক মতপার্থক্য আছে, থাকতে পারে। কিন্তু আপনাদের মাধ্যমে আমি সব রাজনৈতিক দলসহ দেশের সব মানুষের প্রতি আহ্বান জানাতে চাই, আমরা সব মতপার্থক্য নিয়ে যেন আলোচনা করতে পারি।’
এ ছাড়া আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতীয় নির্বাচনের মধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে উল্লেখ করে তারেক রহমান আরও বলেন, ‘এই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া যেন আমরা অব্যাহত রাখতে পারি। দেশকে এগিয়ে নিতে যেকোনো মূল্যে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া চালু রাখতে হবে। স্থানীয় পর্যায় থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত জবাবদিহিতা চালু রাখতে হবে। একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখতে পারলে তাহলেই আমরা একটি গুণগত পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম হব।’

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠিয়েছে। তাই তারা যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করবেন।
৬ দিন আগে
বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৬ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৬ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৮ দিন আগে