
নাজমুল ইসলাম হৃদয়

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের তরুণ সমাজকে কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের এক বিস্তারিত রূপরেখা তুলে ধরেছেন। শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর হোটেল শেরাটনে সাংবাদিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি কর্মসংস্থান, জনশক্তি রপ্তানি এবং আইটি খাত নিয়ে বিএনপির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানান।
বক্তব্যে তারেক রহমান বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কার, নতুন শ্রমবাজার তৈরি এবং ফ্রিল্যান্সারদের উপার্জনের পথ সুগম করার ওপর জোর দেন।
ভোকেশনাল শিক্ষা ও দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি
তারেক রহমান জানান, বর্তমানে বছরে প্রায় ৮ থেকে ১০ লাখ মানুষ বিদেশে যান, যার বড় একটি অংশ মধ্যপ্রাচ্যে। কিন্তু তারা মূলত অদক্ষ শ্রমিক হিসেবে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘তাদের যদি ভাষা ও কাজের ওপর মিনিমাম ট্রেনিং দিয়ে পাঠানো যায়, তবে তাদের আয় ১০০ ডলারের বদলে ৩০০ ডলার করা সম্ভব। এতে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়বে।’
আগামী ২-৩ বছরের মধ্যে জনশক্তি রপ্তানির সংখ্যা বছরে ১৫ থেকে ২০ লাখে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথা জানান তারেক রহমান। মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে জাপান, ইউরোপ ও চীনে দক্ষ শ্রমিক পাঠানোর সুযোগ তৈরির জন্য ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং তারা সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
আইটি পার্ক হবে তরুণ উদ্যোক্তাদের ‘হাব’
বিগত সরকারের আমলে নির্মিত আইটি পার্কগুলোর তীব্র সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, ‘আইটি পার্কের নামে বড় বড় ভবন করা হলেও সেখানে আইটির ছিটেফোঁটাও নেই; বরং অনেক ক্ষেত্রে সেখানে কমিউনিটি সেন্টার বা অসামাজিক কার্যকলাপ চলছে।’
নিজের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা আইটি পার্কগুলোকে প্রকৃত অর্থে কাজে লাগাতে চাই। যেসব তরুণ মেসে বা নিজের বিছানায় বসে ফ্রিল্যান্সিং বা অনলাইন ট্রেডিং করছেন, তাদের জন্য এই পার্কগুলোতে ফ্রি ওয়াইফাই ও অফিস স্পেস বা ডেস্কের ব্যবস্থা করা হবে। এতে তারা তাদের ব্যবসা আরও বড় করার সুযোগ পাবেন।’
ফ্রিল্যান্সার ও কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য সুখবর
ফেসবুক, ইউটিউব বা টিকটকে কন্টেন্ট তৈরি করে যারা আয় করছেন, তাদের পেমেন্ট সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন বিএনপির এই শীর্ষ নেতা। তিনি বলেন, ‘ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট গেটওয়ে বা পেপাল (PayPal) সংক্রান্ত সমস্যাগুলো আমরা দ্রুত সমাধান করব, যাতে তরুণদের উপার্জিত অর্থ সহজে দেশে আসতে পারে।’
শতভাগ রপ্তানিমুখী শিল্পে বন্ডেড সুবিধা
কর্মসংস্থান বাড়াতে দেশীয় উদ্যোক্তাদের জন্যও বিশেষ সুবিধার ঘোষণা দেন তারেক রহমান। বলেন, “কোনো উদ্যোক্তা যদি এমন শিল্প বা কারখানা স্থাপন করেন যার ১০০ ভাগ পণ্য বিদেশে রপ্তানি হবে, তবে তাদের ‘বন্ডেড ফ্যাসিলিটি’ দেওয়া হবে।” তিনি মনে করেন, এতে রপ্তানি আয় বাড়ার পাশাপাশি দেশে ব্যাপক কর্মসংস্থান তৈরি হবে।
বক্তব্যের শেষে তারেক রহমান উল্লেখ করেন, এগুলো কেবল কথার কথা নয়, সরকার গঠন করতে পারলে এসব পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।
হোটেল শেরাটনে আয়োজিত এ মতবিনিময় অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের সম্পাদকসহ সিনিয়র সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের তরুণ সমাজকে কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের এক বিস্তারিত রূপরেখা তুলে ধরেছেন। শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর হোটেল শেরাটনে সাংবাদিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি কর্মসংস্থান, জনশক্তি রপ্তানি এবং আইটি খাত নিয়ে বিএনপির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানান।
বক্তব্যে তারেক রহমান বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কার, নতুন শ্রমবাজার তৈরি এবং ফ্রিল্যান্সারদের উপার্জনের পথ সুগম করার ওপর জোর দেন।
ভোকেশনাল শিক্ষা ও দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি
তারেক রহমান জানান, বর্তমানে বছরে প্রায় ৮ থেকে ১০ লাখ মানুষ বিদেশে যান, যার বড় একটি অংশ মধ্যপ্রাচ্যে। কিন্তু তারা মূলত অদক্ষ শ্রমিক হিসেবে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘তাদের যদি ভাষা ও কাজের ওপর মিনিমাম ট্রেনিং দিয়ে পাঠানো যায়, তবে তাদের আয় ১০০ ডলারের বদলে ৩০০ ডলার করা সম্ভব। এতে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়বে।’
আগামী ২-৩ বছরের মধ্যে জনশক্তি রপ্তানির সংখ্যা বছরে ১৫ থেকে ২০ লাখে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথা জানান তারেক রহমান। মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে জাপান, ইউরোপ ও চীনে দক্ষ শ্রমিক পাঠানোর সুযোগ তৈরির জন্য ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং তারা সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
আইটি পার্ক হবে তরুণ উদ্যোক্তাদের ‘হাব’
বিগত সরকারের আমলে নির্মিত আইটি পার্কগুলোর তীব্র সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, ‘আইটি পার্কের নামে বড় বড় ভবন করা হলেও সেখানে আইটির ছিটেফোঁটাও নেই; বরং অনেক ক্ষেত্রে সেখানে কমিউনিটি সেন্টার বা অসামাজিক কার্যকলাপ চলছে।’
নিজের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা আইটি পার্কগুলোকে প্রকৃত অর্থে কাজে লাগাতে চাই। যেসব তরুণ মেসে বা নিজের বিছানায় বসে ফ্রিল্যান্সিং বা অনলাইন ট্রেডিং করছেন, তাদের জন্য এই পার্কগুলোতে ফ্রি ওয়াইফাই ও অফিস স্পেস বা ডেস্কের ব্যবস্থা করা হবে। এতে তারা তাদের ব্যবসা আরও বড় করার সুযোগ পাবেন।’
ফ্রিল্যান্সার ও কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য সুখবর
ফেসবুক, ইউটিউব বা টিকটকে কন্টেন্ট তৈরি করে যারা আয় করছেন, তাদের পেমেন্ট সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন বিএনপির এই শীর্ষ নেতা। তিনি বলেন, ‘ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট গেটওয়ে বা পেপাল (PayPal) সংক্রান্ত সমস্যাগুলো আমরা দ্রুত সমাধান করব, যাতে তরুণদের উপার্জিত অর্থ সহজে দেশে আসতে পারে।’
শতভাগ রপ্তানিমুখী শিল্পে বন্ডেড সুবিধা
কর্মসংস্থান বাড়াতে দেশীয় উদ্যোক্তাদের জন্যও বিশেষ সুবিধার ঘোষণা দেন তারেক রহমান। বলেন, “কোনো উদ্যোক্তা যদি এমন শিল্প বা কারখানা স্থাপন করেন যার ১০০ ভাগ পণ্য বিদেশে রপ্তানি হবে, তবে তাদের ‘বন্ডেড ফ্যাসিলিটি’ দেওয়া হবে।” তিনি মনে করেন, এতে রপ্তানি আয় বাড়ার পাশাপাশি দেশে ব্যাপক কর্মসংস্থান তৈরি হবে।
বক্তব্যের শেষে তারেক রহমান উল্লেখ করেন, এগুলো কেবল কথার কথা নয়, সরকার গঠন করতে পারলে এসব পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।
হোটেল শেরাটনে আয়োজিত এ মতবিনিময় অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের সম্পাদকসহ সিনিয়র সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠিয়েছে। তাই তারা যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করবেন।
৬ দিন আগে
বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৬ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৬ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৮ দিন আগে