
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রথমবারের মতো গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এসেছেন। দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফেরার তিন দিনের মাথায় তিনি এ কার্যালয়ে আসেন।
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুর ২টার পর তারেক রহমান গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে পৌঁছান। সেখানে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নেতৃত্বে বিএনপির শীর্ষ নেতারা তাকে স্বাগত জানান।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনের আগে কারাগার থেকে মুক্তির পর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হলেও চিকিৎসার কারণে তখন থেকেই যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছিলেন তারেক রহমান। ফলে এতদিন তিনি এই কার্যালয়ে আসতে পারেননি।
গত বৃহস্পতিবার দুপুরে ১৭ বছর পর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। সেদিন রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় দলের পক্ষ থেকে তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
দেশে ফেরার পর তিনি দুই দফায় এভারকেয়ার হাসপাতালে গিয়ে অসুস্থ মাকে দেখেন। পাশাপাশি তিনি প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করেন এবং জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এছাড়া তিনি তার ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকো, শহীদ শরিফ ওসমান হাদি, শ্বশুরসহ পিলখানা ট্রাজেডিতে নিহত ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তার কবর জিয়ারত করেন। ধানমন্ডিতে শ্বশুরের বাসায়ও যান তারেক রহমান।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রথমবারের মতো গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এসেছেন। দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফেরার তিন দিনের মাথায় তিনি এ কার্যালয়ে আসেন।
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুর ২টার পর তারেক রহমান গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে পৌঁছান। সেখানে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নেতৃত্বে বিএনপির শীর্ষ নেতারা তাকে স্বাগত জানান।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনের আগে কারাগার থেকে মুক্তির পর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হলেও চিকিৎসার কারণে তখন থেকেই যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছিলেন তারেক রহমান। ফলে এতদিন তিনি এই কার্যালয়ে আসতে পারেননি।
গত বৃহস্পতিবার দুপুরে ১৭ বছর পর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। সেদিন রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় দলের পক্ষ থেকে তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
দেশে ফেরার পর তিনি দুই দফায় এভারকেয়ার হাসপাতালে গিয়ে অসুস্থ মাকে দেখেন। পাশাপাশি তিনি প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করেন এবং জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এছাড়া তিনি তার ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকো, শহীদ শরিফ ওসমান হাদি, শ্বশুরসহ পিলখানা ট্রাজেডিতে নিহত ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তার কবর জিয়ারত করেন। ধানমন্ডিতে শ্বশুরের বাসায়ও যান তারেক রহমান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দেশের স্বার্থ ও জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পথ চলব। দেশের স্বার্থের বাইরে গিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না।’
২ দিন আগে
শেখ হাসিনা বলেন, ‘ফেরার পর আমাকে গ্রেপ্তার করতে পারে, এমনকি মেরেও ফেলতে পারে। তারপরও আমাকে ফিরতে হবে। আমার দলের নেতাকর্মীরা ভয়াবহ দমন-পীড়নের শিকার। মৃত্যু যদি আসেই, তবে আমি চাই সেটা আমার নিজের মাটিতে আসুক— যেখানে আমার বাবা-মা শায়িত আছেন, যেখানে তাদের রক্ত ঝরেছে।’
৩ দিন আগে
শাহে আলম আরও বলেন, ‘শ্রদ্ধেয় তারেক রহমান বড় হয়েছেন পড়াশোনা করেছে ঢাকা শহরে। আমার জন্ম, বেড়ে ওঠা, পড়াশোনা বগুড়া এবং শিবগঞ্জে। উনার সঙ্গে আমার রাজনৈতিকভাবে সাক্ষাতই হয়েছে ৯৩-৯৪ সালে, আমি ছাত্রদলের সেক্রেটারি হওয়ার পরে... যখন উনি বগুড়া যাওয়া আসা শুরু করেন।’
৪ দিন আগে
রাশেদ খানের ভাষ্য, মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে তুলে ধরে তার সমালোচনার আড়ালে মূলত প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
৪ দিন আগে