
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ডাকসুর সাবেক ভিপি ও গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর সাম্প্রতিক কোটা সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়কারীদের অত্যন্ত সুকৌশলে পরিচালিত করেছেন। আড়ালে থেকে তিনিই সব কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করেছেন। কোটা আন্দোলনে উসকানি দিয়েছেন- এমন তথ্যের ভিত্তিতে নূরকে আটক করে পুলিশ। এরপর তাকে এই আন্দোলনের বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করা হলে তিনি এসব তথ্য ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) দেন।
ডিবির একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ২০১৮ সালের কোটা আন্দোলনের অভিজ্ঞতা রয়েছে নূরের। এই আন্দোলনে তিনি সাধারণ শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার বড় একটি অভিজ্ঞতা অর্জন করেছিলেন। পরে তিনি একটি রাজনৈতিক দলও খোলেন। এবারের এই কোটা আন্দোলনে পেছন থেকে সমন্বয়কারীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলেন তিনি। শুধু তাই নয়, কোটা আন্দোলন সফল করার জন্য মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশ থেকে তিনি মোটা অঙ্কের টাকা দেশে এনেছিলেন। এই টাকার একটি অংশ প্রায় ৬৫ লাখ টাকা তিনি ঢাকার তিন অঞ্চল বাড্ডা, মিরপুর ও লালবাগে গণ অধিকার পরিষদের নেতাদের দিয়েছিলেন। যাতে তারা কোটা আন্দোলনের বিভিন্ন রসদ আন্দোলনকারীদের পাঠান। নূরের মামলার সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল কর্মকর্তা সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
গত ১৮ জুলাই রাজধানীর সেতু ভবনে অগ্নিসংযোগ ও গাড়ি ভাঙচুরের মামলায় নুরুল হক নূরকে পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। আদালতে নূরের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, তার ওপর অমানবিক নির্যাতন করা হয়েছে। সহিংসতার ঘটনার মামলায় রবিবার (২৮ জুলাই) পুলিশ নুরুল হক নূরকে আদালতে হাজির করলে আদালত আবারও তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে, কোটা আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর বাড্ডা এলাকার একটি বাসা থেকে নুরুল হক নূরকে আটক করে ডিবি।
এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, ‘কোটা সংস্কার আন্দোলনে নূর বিভিন্ন স্থানে টাকা লেনদেন করেছেন বলে আমরা তথ্য পেয়েছি। এর সঙ্গে যারা জড়িত তাদেরও আমরা আইনের আওতায় আনব।’
নূরের মামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, মধ্যপ্রাচ্যের দেশ থেকে যে মোটা অঙ্কের টাকা এসেছে তার বড় অংশ নিজের পকেটে রেখেছেন নূর। এর একটি অংশ ৬৫ লাখ টাকা বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করেছেন। এই টাকা দিয়ে সহিংসতাকারীদের পানি, বিরিয়ানি, কাপড়ের জুতা সরবরাহ করা হয়েছিল। এছাড়া ওই টাকা দিয়ে ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে লোক ভাড়া করে পুলিশের সঙ্গে সহিংসতা করার জন্য আনা হয়েছিল।
সূত্র জানায়, নূর শুরুতে এই আন্দোলনে কোনো দলকে সম্পৃক্ত না করার জন্য কোটা আন্দোলনের সমন্বয়কারীদের পরামর্শ দিয়েছিলেন। তিনি সমন্বয়কারীদের আশ্বাস দিয়েছিলেন যে আন্দোলন যখন সফলতার দ্বারপ্রান্তে যাবে, তখন তার দলসহ অন্যান্য বিরোধী দলকে সম্পৃক্ত করা হবে। এই দায়িত্ব তিনি নিজেই নিয়েছিলেন। এরই অংশ হিসেবে বিরোধী দলের এক ঊর্ধ্বতন নেতার উত্তরার বাসায় নূর গত ১৩ জুলাই রাতে বৈঠক করেছেন। ওই বৈঠকে সাম্প্রতিক সহিংসতায় গ্রেফতার হওয়া লক্ষ্মীপুর জেলার এক সাবেক এমপিও উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, মেট্রোরেলে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে তদন্ত শুরু করেছেন। তারা প্রাথমিক তদন্তে মেট্রোরেলে সহিংসতায় একটি স্বার্থান্বেষী মহলের যোগসাজশ পেয়েছেন। প্রয়োজনে তাদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করবেন তদন্তকারীরা।

ডাকসুর সাবেক ভিপি ও গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর সাম্প্রতিক কোটা সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়কারীদের অত্যন্ত সুকৌশলে পরিচালিত করেছেন। আড়ালে থেকে তিনিই সব কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করেছেন। কোটা আন্দোলনে উসকানি দিয়েছেন- এমন তথ্যের ভিত্তিতে নূরকে আটক করে পুলিশ। এরপর তাকে এই আন্দোলনের বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করা হলে তিনি এসব তথ্য ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) দেন।
ডিবির একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ২০১৮ সালের কোটা আন্দোলনের অভিজ্ঞতা রয়েছে নূরের। এই আন্দোলনে তিনি সাধারণ শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার বড় একটি অভিজ্ঞতা অর্জন করেছিলেন। পরে তিনি একটি রাজনৈতিক দলও খোলেন। এবারের এই কোটা আন্দোলনে পেছন থেকে সমন্বয়কারীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলেন তিনি। শুধু তাই নয়, কোটা আন্দোলন সফল করার জন্য মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশ থেকে তিনি মোটা অঙ্কের টাকা দেশে এনেছিলেন। এই টাকার একটি অংশ প্রায় ৬৫ লাখ টাকা তিনি ঢাকার তিন অঞ্চল বাড্ডা, মিরপুর ও লালবাগে গণ অধিকার পরিষদের নেতাদের দিয়েছিলেন। যাতে তারা কোটা আন্দোলনের বিভিন্ন রসদ আন্দোলনকারীদের পাঠান। নূরের মামলার সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল কর্মকর্তা সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
গত ১৮ জুলাই রাজধানীর সেতু ভবনে অগ্নিসংযোগ ও গাড়ি ভাঙচুরের মামলায় নুরুল হক নূরকে পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। আদালতে নূরের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, তার ওপর অমানবিক নির্যাতন করা হয়েছে। সহিংসতার ঘটনার মামলায় রবিবার (২৮ জুলাই) পুলিশ নুরুল হক নূরকে আদালতে হাজির করলে আদালত আবারও তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে, কোটা আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর বাড্ডা এলাকার একটি বাসা থেকে নুরুল হক নূরকে আটক করে ডিবি।
এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, ‘কোটা সংস্কার আন্দোলনে নূর বিভিন্ন স্থানে টাকা লেনদেন করেছেন বলে আমরা তথ্য পেয়েছি। এর সঙ্গে যারা জড়িত তাদেরও আমরা আইনের আওতায় আনব।’
নূরের মামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, মধ্যপ্রাচ্যের দেশ থেকে যে মোটা অঙ্কের টাকা এসেছে তার বড় অংশ নিজের পকেটে রেখেছেন নূর। এর একটি অংশ ৬৫ লাখ টাকা বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করেছেন। এই টাকা দিয়ে সহিংসতাকারীদের পানি, বিরিয়ানি, কাপড়ের জুতা সরবরাহ করা হয়েছিল। এছাড়া ওই টাকা দিয়ে ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে লোক ভাড়া করে পুলিশের সঙ্গে সহিংসতা করার জন্য আনা হয়েছিল।
সূত্র জানায়, নূর শুরুতে এই আন্দোলনে কোনো দলকে সম্পৃক্ত না করার জন্য কোটা আন্দোলনের সমন্বয়কারীদের পরামর্শ দিয়েছিলেন। তিনি সমন্বয়কারীদের আশ্বাস দিয়েছিলেন যে আন্দোলন যখন সফলতার দ্বারপ্রান্তে যাবে, তখন তার দলসহ অন্যান্য বিরোধী দলকে সম্পৃক্ত করা হবে। এই দায়িত্ব তিনি নিজেই নিয়েছিলেন। এরই অংশ হিসেবে বিরোধী দলের এক ঊর্ধ্বতন নেতার উত্তরার বাসায় নূর গত ১৩ জুলাই রাতে বৈঠক করেছেন। ওই বৈঠকে সাম্প্রতিক সহিংসতায় গ্রেফতার হওয়া লক্ষ্মীপুর জেলার এক সাবেক এমপিও উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, মেট্রোরেলে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে তদন্ত শুরু করেছেন। তারা প্রাথমিক তদন্তে মেট্রোরেলে সহিংসতায় একটি স্বার্থান্বেষী মহলের যোগসাজশ পেয়েছেন। প্রয়োজনে তাদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করবেন তদন্তকারীরা।

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি অন্তরঙ্গ ভিডিও নিয়ে শুরু হওয়া আলোচনা এখন তার দ্বিতীয় বিয়ের দাবি, ভাইরাল হওয়া একটি বায়োডাটার তথ্য এবং ভিডিও ধারণের সময়কাল— সবকিছু ঘিরেই নতুন প্রশ্নের জন্ম দ
২ দিন আগে
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সংগঠনটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক বিবৃতিতে বলেন, বিষয়টি দলের নজরে রয়েছে এবং তা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
২ দিন আগে
তারেক রহমান বলেন, আমরা এতদিন একসঙ্গে ছিলাম। কেন কাউকে সরিয়ে দেবো? আমরা একসঙ্গেই থাকব। চলতে গেলে এদিক-ওদিক হতেই পারে। কেউ একজন বলেছেন, এটা ফেয়ারওয়েল ডিনার কি না। কেন ফেয়ারওয়েল হবে? ফেয়ারওয়েল ডিনার যদি দিতে হয়, গুপ্ত-সুপ্তদের বলতে পারি, স্বৈরাচারকে বলতে পারি। কিন্তু আমরা যারা ছিলাম, আমরা ইনশাল্লাহ এক
২ দিন আগে
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বৈঠক শুরুর আগে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, ভাসানী জনশক্তি পার্টির নেতা শেখ রফিকুল ইসলাম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকসহ যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর নেতাদের যমুনায় হাজির হন।
২ দিন আগে