
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর শোককে জাতীয় শক্তিতে পরিণত করতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।
তিনি বলেন, আমাদের ওসমান হাদির শোককে জাতীয় শক্তিতে পরিণত করতে হবে। আবেগকে শক্তিতে পরিণত করতে হবে। শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের সব কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ওসমান হাদির জানাজা শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ওসমান হাদী গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছে। গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য লড়াই করেছে। মানুষের অধিকারের জন্য কথা বলেছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের জন্য কথা বলেছে।
ওসমান হাদির প্রতি সম্মান জানাতে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য। বলেন, ‘দেশি-বিদেশি চক্র, যারা গণতন্ত্রের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে চায়, যারা নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়, এ দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণকে যারা বাধাগ্রস্ত করতে চায়, কণ্টকাকীর্ণ করতে চায়; গণতান্ত্রিক উত্তরণের প্রক্রিয়াকে সহজতর করে তাদের আমরা সমুচিত জবাব দেবো। তাহলেই শহিদ ওসমান হাদির রক্তদানকে, আত্মত্যাগকে আমরা সম্মান জানাতে পারব।
সবাইকে সুশৃঙ্খল থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, এই মুহূর্তে আমাদের প্রত্যাশা, আমরা যেন শান্তিপূর্ণভাবে শহিদ ওসমান হাদির দাফন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারি। তারপর থেকে সারা জাতির প্রতি আমাদের আহ্বান থাকবে, আকাঙ্ক্ষা থাকবে, আমরা যেন সুশৃঙ্খল থাকি। কোনো ধরনের কোনো উসকানিতে যেন আমরা পা না দেই।
এর আগে দুপুর আড়াইটার দিকে ওসমান হাদির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা পড়ান তার বড় ভাই ড. মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক। সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা এলাকায় তার জানাজায় অংশ নিতে জড়ো হয় লাখো মানুষ।
জানাজা শেষে ওসমান হাদির মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ চত্বরে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে সমাহিত করা হবে ওসমান হাদিকে।
প্রধান উপদেষ্টার বক্তবের পরই ওসমান হাদির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা পড়ান তার বড় ভাই ড. মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক। সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা এলাকায় তার জানাজায় অংশ নিতে জড়ো হয় লাখো মানুষ।
জানাজা শেষে ওসমান হাদির মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ চত্বরে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে সমাহিত করা হবে ওসমান হাদিকে।

শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর শোককে জাতীয় শক্তিতে পরিণত করতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।
তিনি বলেন, আমাদের ওসমান হাদির শোককে জাতীয় শক্তিতে পরিণত করতে হবে। আবেগকে শক্তিতে পরিণত করতে হবে। শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের সব কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ওসমান হাদির জানাজা শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ওসমান হাদী গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছে। গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য লড়াই করেছে। মানুষের অধিকারের জন্য কথা বলেছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের জন্য কথা বলেছে।
ওসমান হাদির প্রতি সম্মান জানাতে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য। বলেন, ‘দেশি-বিদেশি চক্র, যারা গণতন্ত্রের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে চায়, যারা নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়, এ দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণকে যারা বাধাগ্রস্ত করতে চায়, কণ্টকাকীর্ণ করতে চায়; গণতান্ত্রিক উত্তরণের প্রক্রিয়াকে সহজতর করে তাদের আমরা সমুচিত জবাব দেবো। তাহলেই শহিদ ওসমান হাদির রক্তদানকে, আত্মত্যাগকে আমরা সম্মান জানাতে পারব।
সবাইকে সুশৃঙ্খল থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, এই মুহূর্তে আমাদের প্রত্যাশা, আমরা যেন শান্তিপূর্ণভাবে শহিদ ওসমান হাদির দাফন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারি। তারপর থেকে সারা জাতির প্রতি আমাদের আহ্বান থাকবে, আকাঙ্ক্ষা থাকবে, আমরা যেন সুশৃঙ্খল থাকি। কোনো ধরনের কোনো উসকানিতে যেন আমরা পা না দেই।
এর আগে দুপুর আড়াইটার দিকে ওসমান হাদির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা পড়ান তার বড় ভাই ড. মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক। সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা এলাকায় তার জানাজায় অংশ নিতে জড়ো হয় লাখো মানুষ।
জানাজা শেষে ওসমান হাদির মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ চত্বরে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে সমাহিত করা হবে ওসমান হাদিকে।
প্রধান উপদেষ্টার বক্তবের পরই ওসমান হাদির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা পড়ান তার বড় ভাই ড. মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক। সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা এলাকায় তার জানাজায় অংশ নিতে জড়ো হয় লাখো মানুষ।
জানাজা শেষে ওসমান হাদির মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ চত্বরে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে সমাহিত করা হবে ওসমান হাদিকে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ফেরার পর আমাকে গ্রেপ্তার করতে পারে, এমনকি মেরেও ফেলতে পারে। তারপরও আমাকে ফিরতে হবে। আমার দলের নেতাকর্মীরা ভয়াবহ দমন-পীড়নের শিকার। মৃত্যু যদি আসেই, তবে আমি চাই সেটা আমার নিজের মাটিতে আসুক— যেখানে আমার বাবা-মা শায়িত আছেন, যেখানে তাদের রক্ত ঝরেছে।’
১ দিন আগে
শাহে আলম আরও বলেন, ‘শ্রদ্ধেয় তারেক রহমান বড় হয়েছেন পড়াশোনা করেছে ঢাকা শহরে। আমার জন্ম, বেড়ে ওঠা, পড়াশোনা বগুড়া এবং শিবগঞ্জে। উনার সঙ্গে আমার রাজনৈতিকভাবে সাক্ষাতই হয়েছে ৯৩-৯৪ সালে, আমি ছাত্রদলের সেক্রেটারি হওয়ার পরে... যখন উনি বগুড়া যাওয়া আসা শুরু করেন।’
২ দিন আগে
রাশেদ খানের ভাষ্য, মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে তুলে ধরে তার সমালোচনার আড়ালে মূলত প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
২ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
৩ দিন আগে