
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে স্থায়ীভাবে অব্যাহতি পাওয়া কেন্দ্রীয় সংগঠক মুনতাসির মাহমুদ দাবি করেছেন, কোটা আন্দোলন শুরুর আগেই গত জুন মাসে ছাত্রশিবিরের নেতাদের সঙ্গে বসে আন্দোলনের পরিকল্পনা করেছিলেন তারা।
সম্প্রতি প্রকাশিত এক ভিডিওবার্তায় তিনি বলেন, “আমাকে বলা হয় আমি নাকি দলের প্রতি লয়্যাল নই, কেননা নাকি আমি জামাত–শিবিরকে আন্দোলনের ক্রেডিট দিয়েছি। কেন দেব না? সেই সময়ে ছাত্রশিবিরের সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলাম, সাদ্দাম ভাই, সিফরাতুল্লাহ ভাই—তাদের সঙ্গে বসেই আমরা আন্দোলন-সংগ্রামের পরিকল্পনা করেছি।”
তিনি দাবি করেন, ফার্মগেট এলাকায় ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। “জুলাই নয়, জুনেই যখন কোটা আন্দোলন শুরু হয়, তখনই আমরা শিবিরের সঙ্গে বসে আলোচনা করি। তরুণ প্রজন্মের আশা ছিল—কীভাবে ‘ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনাকে’ সরানো যায়। ছাত্রশিবির আমাদের সহযোগিতা করেছে, মতামত দিয়েছে,” বলেন মুনতাসির।
টাকা লেনদেনের অভিযোগ প্রসঙ্গে মুনতাসির বলেন, “আমি মুনতাসির—শিবির থেকে এক টাকাও নেইনি। এক টাকাও না। টাকা নিয়েছে আসিফ, নাহিদ, মাহফুজরা। আবার তারাই শিবিরের বিরুদ্ধে কথা বলছে। কিন্তু আমরা তাদের সঙ্গে বসে আন্দোলনের পরিকল্পনা করেছি। ছাত্র অধিকার পরিষদের পক্ষ থেকেও আমরা চেষ্টা করেছি।”
তার এসব বক্তব্য প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ বিষয়ে আলোচনা-বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে স্থায়ীভাবে অব্যাহতি পাওয়া কেন্দ্রীয় সংগঠক মুনতাসির মাহমুদ দাবি করেছেন, কোটা আন্দোলন শুরুর আগেই গত জুন মাসে ছাত্রশিবিরের নেতাদের সঙ্গে বসে আন্দোলনের পরিকল্পনা করেছিলেন তারা।
সম্প্রতি প্রকাশিত এক ভিডিওবার্তায় তিনি বলেন, “আমাকে বলা হয় আমি নাকি দলের প্রতি লয়্যাল নই, কেননা নাকি আমি জামাত–শিবিরকে আন্দোলনের ক্রেডিট দিয়েছি। কেন দেব না? সেই সময়ে ছাত্রশিবিরের সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলাম, সাদ্দাম ভাই, সিফরাতুল্লাহ ভাই—তাদের সঙ্গে বসেই আমরা আন্দোলন-সংগ্রামের পরিকল্পনা করেছি।”
তিনি দাবি করেন, ফার্মগেট এলাকায় ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। “জুলাই নয়, জুনেই যখন কোটা আন্দোলন শুরু হয়, তখনই আমরা শিবিরের সঙ্গে বসে আলোচনা করি। তরুণ প্রজন্মের আশা ছিল—কীভাবে ‘ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনাকে’ সরানো যায়। ছাত্রশিবির আমাদের সহযোগিতা করেছে, মতামত দিয়েছে,” বলেন মুনতাসির।
টাকা লেনদেনের অভিযোগ প্রসঙ্গে মুনতাসির বলেন, “আমি মুনতাসির—শিবির থেকে এক টাকাও নেইনি। এক টাকাও না। টাকা নিয়েছে আসিফ, নাহিদ, মাহফুজরা। আবার তারাই শিবিরের বিরুদ্ধে কথা বলছে। কিন্তু আমরা তাদের সঙ্গে বসে আন্দোলনের পরিকল্পনা করেছি। ছাত্র অধিকার পরিষদের পক্ষ থেকেও আমরা চেষ্টা করেছি।”
তার এসব বক্তব্য প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ বিষয়ে আলোচনা-বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
২ দিন আগে
সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
৩ দিন আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
৩ দিন আগে
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার ওসি তদন্ত নুর মোহাম্মদ। তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।
৩ দিন আগে