
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ওসমান হাদির ওপর এ হামলা প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশের ওপরই হামলা। এটা বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা বলে আমরা মনে করি না। যারা বাংলাদেশে নির্বাচন চায় না, তারাই শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলা করেছে। এসময় তিনি দেশের রাজনৈতিক দলের সব নেতাদের নিরাপত্তায় ব্যবস্থা নিতে সরকারকে আহ্বান জানিয়েছেন।
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এ কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমেদ হাদির সুস্থতা কামনা করেন এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য ধরে রাখতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, নির্বাচন তফসিল ঘোষিত হয়েছে ১০ তারিখ। তার পরদিনই বাংলাদেশের একজন সম্ভাব্য জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীর ওপরে প্রাণনাশের হামলা হলো।
তিনি বলেন, এখন ওসমান হাদি জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছে, মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি তাকে (হাদিকে) জীবিত রাখেন, বাঁচিয়ে রাখেন, সুস্থতা দেন।
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনার বিষয় নিয়ে বিএনপির এ নেতা বলেন, এ প্রেক্ষিতে আমাদের আলোচনা হলো। আমরা ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য অটুট রাখবো, সুদৃঢ় করবো। আমাদের মধ্যে রাজনৈতিক বিতর্ক হতে পারে। সামনে নির্বাচন, বিভিন্ন রকমের রাজনৈতিক বিতর্ক হবে, কিন্তু আমরা ওই পর্যায়ে বিতর্ক করবো না-যাতে করে আমাদের ঐক্য বিনষ্ট হয়। আমাদের চেতনা হচ্ছে জুলাই, ২০২৪-এর ছাত্র গণঅভ্যুত্থানের চেতনা, প্রত্যাশা, জনআকাঙ্খা। এটাকে আমরা ঊর্ধ্বে তুলে ধরবো। ঐক্য হিসেবে আমরা ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্যকে অটুট রাখবো। এ জায়গা আমাদের কোনো আপস নাই।
তিনি বলেন, আমরা মনে করি, নির্বাচনের এসময়ে যারা বাংলাদেশে নির্বাচন চায় না। নির্বাচনকে যারা একটি গণতন্ত্রের উত্তরণের পথ হিসেবে দেখতে চায় না, শক্তিশালী রাষ্ট্র বিনির্মাণের বিপক্ষে যারা, প্রকৃতপক্ষে গণতন্ত্রের বিরুদ্ধের শক্তি, এ কাজ তাদেরই। তারা বাংলাদেশেও আছে এবং বাংলাদেশের বাইরেও আছে। পতিত ফ্যাসিবাদকে অবশ্যই আমরা এ বার্তা দিতে চাই, এ জাতীয় কোনো ধরনের হামলা করে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না, প্রতিহত করতে পারবে না।
জাতীয় ঐক্যে অটুট থাকার কথা জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা সব গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল, আমরা ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্যে অটুট থাকবো। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে যেকোনো মূল্যে আমরা অর্থবহ করবো, বিশ্বাসযোগ্য করবো।
শুক্রবার দুপুর সোয়া ২টার দিকে রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হন হাদি। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে মস্তিষ্কে একটি অস্ত্রোপচার শেষে, খুলি খুলে রেখে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানকার নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন আছেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ওসমান হাদির ওপর এ হামলা প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশের ওপরই হামলা। এটা বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা বলে আমরা মনে করি না। যারা বাংলাদেশে নির্বাচন চায় না, তারাই শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলা করেছে। এসময় তিনি দেশের রাজনৈতিক দলের সব নেতাদের নিরাপত্তায় ব্যবস্থা নিতে সরকারকে আহ্বান জানিয়েছেন।
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এ কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমেদ হাদির সুস্থতা কামনা করেন এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য ধরে রাখতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, নির্বাচন তফসিল ঘোষিত হয়েছে ১০ তারিখ। তার পরদিনই বাংলাদেশের একজন সম্ভাব্য জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীর ওপরে প্রাণনাশের হামলা হলো।
তিনি বলেন, এখন ওসমান হাদি জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছে, মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি তাকে (হাদিকে) জীবিত রাখেন, বাঁচিয়ে রাখেন, সুস্থতা দেন।
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনার বিষয় নিয়ে বিএনপির এ নেতা বলেন, এ প্রেক্ষিতে আমাদের আলোচনা হলো। আমরা ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য অটুট রাখবো, সুদৃঢ় করবো। আমাদের মধ্যে রাজনৈতিক বিতর্ক হতে পারে। সামনে নির্বাচন, বিভিন্ন রকমের রাজনৈতিক বিতর্ক হবে, কিন্তু আমরা ওই পর্যায়ে বিতর্ক করবো না-যাতে করে আমাদের ঐক্য বিনষ্ট হয়। আমাদের চেতনা হচ্ছে জুলাই, ২০২৪-এর ছাত্র গণঅভ্যুত্থানের চেতনা, প্রত্যাশা, জনআকাঙ্খা। এটাকে আমরা ঊর্ধ্বে তুলে ধরবো। ঐক্য হিসেবে আমরা ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্যকে অটুট রাখবো। এ জায়গা আমাদের কোনো আপস নাই।
তিনি বলেন, আমরা মনে করি, নির্বাচনের এসময়ে যারা বাংলাদেশে নির্বাচন চায় না। নির্বাচনকে যারা একটি গণতন্ত্রের উত্তরণের পথ হিসেবে দেখতে চায় না, শক্তিশালী রাষ্ট্র বিনির্মাণের বিপক্ষে যারা, প্রকৃতপক্ষে গণতন্ত্রের বিরুদ্ধের শক্তি, এ কাজ তাদেরই। তারা বাংলাদেশেও আছে এবং বাংলাদেশের বাইরেও আছে। পতিত ফ্যাসিবাদকে অবশ্যই আমরা এ বার্তা দিতে চাই, এ জাতীয় কোনো ধরনের হামলা করে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না, প্রতিহত করতে পারবে না।
জাতীয় ঐক্যে অটুট থাকার কথা জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা সব গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল, আমরা ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্যে অটুট থাকবো। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে যেকোনো মূল্যে আমরা অর্থবহ করবো, বিশ্বাসযোগ্য করবো।
শুক্রবার দুপুর সোয়া ২টার দিকে রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হন হাদি। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে মস্তিষ্কে একটি অস্ত্রোপচার শেষে, খুলি খুলে রেখে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানকার নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন আছেন।

পোস্টে মাহদী আমিন লেখেন, ঢাকা-৮ আসনের এনসিপির প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নির্বাচনী প্রচারণার বিধিসম্মত সময়ের অনেক আগেই ভোট চাইতে শুরু করেছিলেন। তার কথাবার্তা ও আচরণে যে ঔদ্ধত্য এবং প্রচারে থাকার জন্য যে মুখরোচক বক্তব্য, তা সবার নজরে পড়েছে। দেশি-বিদেশি মানুষের সামনে বিএনপির বিরুদ্ধে বিষোদগার, কখনো
১৮ ঘণ্টা আগে
দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে পাবনা-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীকে সমর্থন ও নির্বাচনি প্রচারণা চালানোর অভিযোগে পাবনার চাটমোহর উপজেলা বিএনপির চার নেতাকে দলের সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
স্বৈরাচার পতনের মধ্য দিয়ে ৫ আগস্ট দেশে যে পরিবর্তন এসেছে, তা ধরে রাখার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, '৫ আগস্ট দেশে একটি পরিবর্তন এসেছে। বহু ত্যাগ, তিতিক্ষা ও জান কোরবানির বিনিময়ে এই পরিবর্তন অর্জিত হয়েছে। এই পরিবর্তনের মূল লক্ষ্য হলো গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, মানুষের ভোট ও কথা বলার
১৯ ঘণ্টা আগে
বহিষ্কৃত ছয় নেতা হলেন, জেলা বিএনপির সদস্য অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান আসাদ ও মেহেবুবুল হক কিশোর, বাগেরহাট পৌরসভার অন্তর্গত ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য মাহবুবুর রহমান টুটুল, ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য শেখ রফিকুল ইসলাম, ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য রনি মিনা ও যাত্রাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য শেখ সোহেল হোসেন।
২১ ঘণ্টা আগে