
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বর্তমান পরিবর্তনশীল ও ক্রমবর্ধমান সংঘাতপূর্ণ আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে কোনো পরাশক্তির ভূরাজনৈতিক স্বার্থের হাতিয়ার বা কোনো সামরিক জোটের অংশীদার না করে দেশের জনগণের স্বার্থ, জাতীয় সার্বভৌমত্ব, রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকারের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পরিচালনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বামপন্থি রাজনৈতিক দলগুলোর মোর্চা গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের পক্ষে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মঞ্জুর মঈনের পাঠানো এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানানো হয়।
গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট মনে করে, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি হওয়া উচিত জাতীয় সার্বভৌমত্ব, রাষ্ট্রসমূহের সমমর্যাদা, পারস্পরিক অনাক্রমণ, ভিন্ন দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং জনগণের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্বার্থের সুরক্ষা। মক্কা প্যাক্টসহ কোনো সামরিক জোট বা পরাশক্তির সংঘাতের অংশীদার না হয়ে বাংলাদেশকে শান্তি, নিরপেক্ষতা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিতে হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান সামরিকীকরণ এবং কৌশলগত প্রতিযোগিতার বিষয়ে বাংলাদেশকে সতর্ক থাকতে হবে। বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা, বন্দর, দ্বীপ, যোগাযোগ অবকাঠামো, জ্বালানি ও অন্যান্য কৌশলগত সম্পদ যেন কোনো বিদেশি শক্তির সামরিক বা ভূরাজনৈতিক পরিকল্পনার অংশে পরিণত না হয়, তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের জনগণ কোনো পরাশক্তির প্রতিদ্বন্দ্বিতার বোঝা বহন করতে চায় না। দেশের জনগণের প্রয়োজন শান্তি, খাদ্য, কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা এবং একটি মর্যাদাপূর্ণ জীবন। অতএব আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না, যার ফলে বাংলাদেশের জনগণকে কোনো বিদেশি শক্তির সংঘাতের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক বা সামরিক মূল্য পরিশোধ করতে হয়।
বাংলাদেশের জ্বালানি সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তাকে দীর্ঘমেয়াদে বিদেশি বহুজাতিক কোম্পানি ও আন্তর্জাতিক জ্বালানি মনোপলি গোষ্ঠীর ওপর নির্ভরশীল করে তোলা হলে তা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সার্বভৌমত্বের জন্য গুরুতর ঝুঁকি সৃষ্টি করবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, কয়েকটি মার্কিন বহুজাতিক কোম্পানিসহ আন্তর্জাতিক জ্বালানি মনোপলি গোষ্ঠী বাংলাদেশের জ্বালানি বাজার, আমদানি-নির্ভরতা ও অবকাঠামোর ওপর দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার সুযোগ খুঁজছে। এ ধরনের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হলে বাংলাদেশ শুধু জ্বালানি পণ্যের বাজার হিসেবে ব্যবহৃত হবে না, বরং দীর্ঘমেয়াদে মূল্য নির্ধারণ, সরবরাহ ও জ্বালানি নীতির ক্ষেত্রেও বিদেশি করপোরেট স্বার্থের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট ‘মক্কা প্যাক্ট’কে ‘যুদ্ধজোট’ উল্লেখ করে অবিলম্বে এতে বাংলাদেশকে যুক্ত করার অভিপ্রায় থেকে সরে আসতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে আজকের জ্বালানি আমদানির চুক্তি যেন আগামী দিনের জ্বালানি-নির্ভরতা ও বাজার-দাসত্বের ভিত্তি হয়ে না দাঁড়ায়, সে বিষয়ে সরকারকে সতর্ক করেছে।
বিবৃতিতে সই করেন গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ও সিপিবির সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন, সিপিবির সভাপতি সাজ্জাদ জহির চন্দন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ, বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ।
এতে আরও সই করেন গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, বাসদের (মার্কসবাদী) সমন্বয়ক মাসুদ রানা, বাসদের (মাহবুব) সাধারণ সম্পাদক হারুনার রশীদ ভূইয়া, সমাজতান্ত্রিক পার্টির নির্বাহী সভাপতি আব্দুল আলী, জাতীয় গণফ্রন্টের ভারপ্রাপ্ত সমন্বয়ক রজত হুদা এবং সোনার বাংলা পার্টির সভাপতি সৈয়দ হারুন অর রশীদ।

বর্তমান পরিবর্তনশীল ও ক্রমবর্ধমান সংঘাতপূর্ণ আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে কোনো পরাশক্তির ভূরাজনৈতিক স্বার্থের হাতিয়ার বা কোনো সামরিক জোটের অংশীদার না করে দেশের জনগণের স্বার্থ, জাতীয় সার্বভৌমত্ব, রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকারের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পরিচালনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বামপন্থি রাজনৈতিক দলগুলোর মোর্চা গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের পক্ষে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মঞ্জুর মঈনের পাঠানো এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানানো হয়।
গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট মনে করে, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি হওয়া উচিত জাতীয় সার্বভৌমত্ব, রাষ্ট্রসমূহের সমমর্যাদা, পারস্পরিক অনাক্রমণ, ভিন্ন দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং জনগণের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্বার্থের সুরক্ষা। মক্কা প্যাক্টসহ কোনো সামরিক জোট বা পরাশক্তির সংঘাতের অংশীদার না হয়ে বাংলাদেশকে শান্তি, নিরপেক্ষতা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিতে হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান সামরিকীকরণ এবং কৌশলগত প্রতিযোগিতার বিষয়ে বাংলাদেশকে সতর্ক থাকতে হবে। বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা, বন্দর, দ্বীপ, যোগাযোগ অবকাঠামো, জ্বালানি ও অন্যান্য কৌশলগত সম্পদ যেন কোনো বিদেশি শক্তির সামরিক বা ভূরাজনৈতিক পরিকল্পনার অংশে পরিণত না হয়, তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের জনগণ কোনো পরাশক্তির প্রতিদ্বন্দ্বিতার বোঝা বহন করতে চায় না। দেশের জনগণের প্রয়োজন শান্তি, খাদ্য, কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা এবং একটি মর্যাদাপূর্ণ জীবন। অতএব আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না, যার ফলে বাংলাদেশের জনগণকে কোনো বিদেশি শক্তির সংঘাতের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক বা সামরিক মূল্য পরিশোধ করতে হয়।
বাংলাদেশের জ্বালানি সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তাকে দীর্ঘমেয়াদে বিদেশি বহুজাতিক কোম্পানি ও আন্তর্জাতিক জ্বালানি মনোপলি গোষ্ঠীর ওপর নির্ভরশীল করে তোলা হলে তা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সার্বভৌমত্বের জন্য গুরুতর ঝুঁকি সৃষ্টি করবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, কয়েকটি মার্কিন বহুজাতিক কোম্পানিসহ আন্তর্জাতিক জ্বালানি মনোপলি গোষ্ঠী বাংলাদেশের জ্বালানি বাজার, আমদানি-নির্ভরতা ও অবকাঠামোর ওপর দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার সুযোগ খুঁজছে। এ ধরনের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হলে বাংলাদেশ শুধু জ্বালানি পণ্যের বাজার হিসেবে ব্যবহৃত হবে না, বরং দীর্ঘমেয়াদে মূল্য নির্ধারণ, সরবরাহ ও জ্বালানি নীতির ক্ষেত্রেও বিদেশি করপোরেট স্বার্থের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট ‘মক্কা প্যাক্ট’কে ‘যুদ্ধজোট’ উল্লেখ করে অবিলম্বে এতে বাংলাদেশকে যুক্ত করার অভিপ্রায় থেকে সরে আসতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে আজকের জ্বালানি আমদানির চুক্তি যেন আগামী দিনের জ্বালানি-নির্ভরতা ও বাজার-দাসত্বের ভিত্তি হয়ে না দাঁড়ায়, সে বিষয়ে সরকারকে সতর্ক করেছে।
বিবৃতিতে সই করেন গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ও সিপিবির সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন, সিপিবির সভাপতি সাজ্জাদ জহির চন্দন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ, বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ।
এতে আরও সই করেন গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, বাসদের (মার্কসবাদী) সমন্বয়ক মাসুদ রানা, বাসদের (মাহবুব) সাধারণ সম্পাদক হারুনার রশীদ ভূইয়া, সমাজতান্ত্রিক পার্টির নির্বাহী সভাপতি আব্দুল আলী, জাতীয় গণফ্রন্টের ভারপ্রাপ্ত সমন্বয়ক রজত হুদা এবং সোনার বাংলা পার্টির সভাপতি সৈয়দ হারুন অর রশীদ।

দেশের জননিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতিতে ক্ষোভ জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। দলটি বলেছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ও সংশ্লিষ্ট বাহিনী ব্যর্থ হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।
১ দিন আগে
জোটের নেতারা পথসভায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট, দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, দলীয়করণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের মতো বিষয় সামনে আনেন। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার দাবি না মানলে আট দফা যেকোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে।
২ দিন আগে
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভার্চ্যুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করলেও এবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
২ দিন আগে
জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
২ দিন আগে