
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসিচব মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, ‘ইসলামের সঙ্গে ধর্মনিরপেক্ষতা চলে না। রাজনৈতিক কারণে মুসলমানরা ধর্মনিরপেক্ষ হতে পারে না। তাই আগামীতে বাংলাদেশ চলবে ইসলামের আলোকে। আর সেই আলোকে অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের ধর্ম পালনে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবে মুসলিম ভাইয়েরা।’
বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) বিকালে যশোরের অভয়নগরে মাদরাসা ইহইয়াউল উলূম আল ইসলামীয়া আয়োজনে দরসে বুখারী, দস্তরে ফযীলত ও দুআ মাহিফলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মামুনুল হক আরো বলেন, ‘দেশের ৯০ শতাংশ মুসলমান ইসলামী আদর্শ নিয়ে চলতে চায়। তার প্রমাণ গত ৫ আগস্ট বিপ্লবে মূর্তি ভেঙে বুঝিয়ে দিয়েছে দেশের জনতা। সুতরাং সেই একই পথে দেশ চলতে পারে না। তাই বাংলাদেশ চলবে ইসলাম অনুযায়ী। কুরআন হবে আমাদের সংবিধান।’
তিনি ধর্মনিরপেক্ষতার বিষয়ে বলেন, ‘হাসিনা ও তার সহযোগিরা যেমন পালিয়ে ধর্মনিরপেক্ষ দেশে চলে গিয়েছে। বিএনপিসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সুরে তাল মিলিয়ে ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলছে।
ধর্মনিরপেক্ষতা নয়, ইসলামের আলোকে চলবে আগামীর বাংলাদেশ। যাদের সমস্যা মনে হবে তারাও হাসিনার মত চলে যেতে পারেন। ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় আমাদের সংগ্রাম চলবে।’ বক্তব্য শেষে দুআ পরিচালনা করেন মাওলানা মামুনুল হক।
হেফাজতে ইসলাম অভয়নগর শাখার সভাপতি হাফেজ মাওলানা গোলাম মওলার সভাপতিত্ব বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, যশোর জেলা খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওলানা আব্দুল মান্নান।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, হেফাজতে ইসলাম অভয়নগর শাখার সাধারণ সম্পাদক ও মাদরাসা ইহইয়াউল উলূম আল ইসলামীয়ার মুদীর মাওলানা মাসুম বিল্লাহ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, মুফতী শহীদুল ইসলাম কাসেমী।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসিচব মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, ‘ইসলামের সঙ্গে ধর্মনিরপেক্ষতা চলে না। রাজনৈতিক কারণে মুসলমানরা ধর্মনিরপেক্ষ হতে পারে না। তাই আগামীতে বাংলাদেশ চলবে ইসলামের আলোকে। আর সেই আলোকে অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের ধর্ম পালনে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবে মুসলিম ভাইয়েরা।’
বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) বিকালে যশোরের অভয়নগরে মাদরাসা ইহইয়াউল উলূম আল ইসলামীয়া আয়োজনে দরসে বুখারী, দস্তরে ফযীলত ও দুআ মাহিফলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মামুনুল হক আরো বলেন, ‘দেশের ৯০ শতাংশ মুসলমান ইসলামী আদর্শ নিয়ে চলতে চায়। তার প্রমাণ গত ৫ আগস্ট বিপ্লবে মূর্তি ভেঙে বুঝিয়ে দিয়েছে দেশের জনতা। সুতরাং সেই একই পথে দেশ চলতে পারে না। তাই বাংলাদেশ চলবে ইসলাম অনুযায়ী। কুরআন হবে আমাদের সংবিধান।’
তিনি ধর্মনিরপেক্ষতার বিষয়ে বলেন, ‘হাসিনা ও তার সহযোগিরা যেমন পালিয়ে ধর্মনিরপেক্ষ দেশে চলে গিয়েছে। বিএনপিসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সুরে তাল মিলিয়ে ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলছে।
ধর্মনিরপেক্ষতা নয়, ইসলামের আলোকে চলবে আগামীর বাংলাদেশ। যাদের সমস্যা মনে হবে তারাও হাসিনার মত চলে যেতে পারেন। ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় আমাদের সংগ্রাম চলবে।’ বক্তব্য শেষে দুআ পরিচালনা করেন মাওলানা মামুনুল হক।
হেফাজতে ইসলাম অভয়নগর শাখার সভাপতি হাফেজ মাওলানা গোলাম মওলার সভাপতিত্ব বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, যশোর জেলা খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওলানা আব্দুল মান্নান।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, হেফাজতে ইসলাম অভয়নগর শাখার সাধারণ সম্পাদক ও মাদরাসা ইহইয়াউল উলূম আল ইসলামীয়ার মুদীর মাওলানা মাসুম বিল্লাহ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, মুফতী শহীদুল ইসলাম কাসেমী।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠিয়েছে। তাই তারা যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করবেন।
৫ দিন আগে
বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৫ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৫ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে