
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, আওয়ামী লীগের প্রতিটি কার্যক্রম ভারত সরকারের স্বার্থকে ঘিরে করা হতো। তাদেরকে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা করতে খুব একটা দেখা যায়নি।
শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ২৪ -এর গণঅভ্যুত্থানে রেশ এখনো কাটেনি, এমন অবস্থাতেও দেখতে পাচ্ছি অন্তর্বর্তী সরকার অগোছালোভাবে দেশ পরিচালনার কাজ করে যাচ্ছে। তাদের ভুল ত্রুটি থাকতেই পারে। আমাদের দায়িত্ব হলো তাদের সহযোগিতা করা ও পরামর্শ দেওয়া।
আমির আরও বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার চব্বিশের নির্বাচনে যেভাবেই হোক সরকার গঠন করেছিল। বর্তমানে এই ফ্যাসিস্টের দোসররা বিভিন্ন জায়গায় ঘাপটি মেরে বসে আছে, সুযোগ পেলেই আক্রমণ করবে। এ উদ্দেশ্যে তারা বিভিন্ন জায়গায় তাণ্ডব চালিয়েছে, কিন্তু তা সফল করতে পারেনি। যারা দেশপ্রেমিক রয়েছেন, তাদের বলতে চাই এ দেশটা আমাদের। যারা এ দেশ নিয়ে ছিনিমিনি খেলবে, তাদের ছেড়ে দেওয়া যাবেনা।
রেজাউল করীম বলেন,বারবার এই দেশটাকে বিশ্বের কাছে চোরের দেশ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন করা হয়েছে। ফ্যাসিস্টদের এসব কর্মকাণ্ড বাংলার মাটিতে আর মেনে নেওয়া হবে না। সেই লক্ষ্যে বলতে চাই, সবাই একত্রিত হয়ে সুন্দর দেশ গড়ে তুলি, যার ভিত্তি হবে ইসলাম।
তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার ৫৩ বছরে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ইসলামের পক্ষে একটি অবস্থান তৈরি করার যে ক্ষেত্র হয়েছে, যা আগে কখনো হয় নি। সেদিন এক প্রবাসীর সঙ্গে কথা বলছিলাম তিনি কথায় কথায় বললেন যে বিদেশে এতো সুশৃঙ্খল শাসন ব্যবস্থা ও নিয়মনীতি থাকলেও বাংলাদেশে কেবলই অরাজকতার রাজত্ব । এর কারণ হিসেবে আমি বলতি চাই, বিগত দিনে যারা দেশ শাসন করেছে, তারা কেউ নিজেদের জনদরদি হিসেবে প্রমাণ করতে পারেনি।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, আওয়ামী লীগের প্রতিটি কার্যক্রম ভারত সরকারের স্বার্থকে ঘিরে করা হতো। তাদেরকে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা করতে খুব একটা দেখা যায়নি।
শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ২৪ -এর গণঅভ্যুত্থানে রেশ এখনো কাটেনি, এমন অবস্থাতেও দেখতে পাচ্ছি অন্তর্বর্তী সরকার অগোছালোভাবে দেশ পরিচালনার কাজ করে যাচ্ছে। তাদের ভুল ত্রুটি থাকতেই পারে। আমাদের দায়িত্ব হলো তাদের সহযোগিতা করা ও পরামর্শ দেওয়া।
আমির আরও বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার চব্বিশের নির্বাচনে যেভাবেই হোক সরকার গঠন করেছিল। বর্তমানে এই ফ্যাসিস্টের দোসররা বিভিন্ন জায়গায় ঘাপটি মেরে বসে আছে, সুযোগ পেলেই আক্রমণ করবে। এ উদ্দেশ্যে তারা বিভিন্ন জায়গায় তাণ্ডব চালিয়েছে, কিন্তু তা সফল করতে পারেনি। যারা দেশপ্রেমিক রয়েছেন, তাদের বলতে চাই এ দেশটা আমাদের। যারা এ দেশ নিয়ে ছিনিমিনি খেলবে, তাদের ছেড়ে দেওয়া যাবেনা।
রেজাউল করীম বলেন,বারবার এই দেশটাকে বিশ্বের কাছে চোরের দেশ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন করা হয়েছে। ফ্যাসিস্টদের এসব কর্মকাণ্ড বাংলার মাটিতে আর মেনে নেওয়া হবে না। সেই লক্ষ্যে বলতে চাই, সবাই একত্রিত হয়ে সুন্দর দেশ গড়ে তুলি, যার ভিত্তি হবে ইসলাম।
তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার ৫৩ বছরে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ইসলামের পক্ষে একটি অবস্থান তৈরি করার যে ক্ষেত্র হয়েছে, যা আগে কখনো হয় নি। সেদিন এক প্রবাসীর সঙ্গে কথা বলছিলাম তিনি কথায় কথায় বললেন যে বিদেশে এতো সুশৃঙ্খল শাসন ব্যবস্থা ও নিয়মনীতি থাকলেও বাংলাদেশে কেবলই অরাজকতার রাজত্ব । এর কারণ হিসেবে আমি বলতি চাই, বিগত দিনে যারা দেশ শাসন করেছে, তারা কেউ নিজেদের জনদরদি হিসেবে প্রমাণ করতে পারেনি।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠিয়েছে। তাই তারা যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করবেন।
৫ দিন আগে
বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৫ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৫ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে