
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আবু সাঈদরা স্লোগান দিয়েছিলেন ‘উই ওয়ান জাস্টিস’। আমরাও ন্যায়বিচার চাই, বৈষম্য চাই না। ন্যায়বিচারের দাবি হচ্ছে, প্রত্যেক খুনের বিচার হতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রংপুরে আবু সাঈদ চত্বরে এক পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
হযরত মুহাম্মদকে (সা.) সর্বশ্রেষ্ঠ উল্লেখ করে জামায়াতে আমির বলেন, মক্কাবাসী তাকে অনেক কষ্ট দিয়েছে। শেষ পর্যন্ত হত্যার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। হিজরত করে মদিনায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। মক্কা বিজয় শেষে প্রত্যেককে ক্ষমা করে দেন। কিন্তু ১০-১২ জনের নাম উল্লেখ করে বলেন, যারা মানুষ খুন করেছে এদের বিষয়ে আমি মাফ করে দিতে পারবো না। এদের শাস্তি হচ্ছে মৃত্যুদণ্ড।
রাজনীতিবিদদের উদ্দেশে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রাজনীতি যারা করেন তাদের কাছে আমার অনুরোধ, ভাই, বন্ধু, সন্তান মেহেরবানী করে শহীদের রক্তের প্রতি সম্মান দেখান। আমাদের আহত ও পঙ্গু ভাইদের প্রতি সম্মান দেখান। সমাজবিরোধী কোনো কাজ করবেন না। চাঁদাবাজি করবেন না। দখল বাণিজ্য ও মানুষের ওপর জুলুম করবেন না। মামলা বাণিজ্য করবেন না। ঘুস খাবেন না।
তিনি আরও বলেন, যদি এসব অন্যায়-অত্যাচার বন্ধ না হয়, আমরা শহীদের রক্ত ছুঁয়ে শপথ নিয়েছি, এই সমাজ থেকে জঞ্জাল নিশ্চিহ্ন না হওয়া পর্যন্ত লড়াই অব্যাহত থাকবে। আমাদের এই যুদ্ধ সমাজ পরিচ্ছন্ন না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।
ঐক্যের ডাক দিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, পরস্পরকে সহযোগিতা করবেন। এই জাতিকে বিভক্ত দেখতে চাই না। টুকরো টুকরো জাতি হিসেবে দেখতে চাই না। ঐক্যবদ্ধ দেখতে চাই।
পথসভায় উদ্বোধনী বক্তৃতা দেন তাজহাট থানা জামায়াতের আমির রবিউল ইসলাম।

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আবু সাঈদরা স্লোগান দিয়েছিলেন ‘উই ওয়ান জাস্টিস’। আমরাও ন্যায়বিচার চাই, বৈষম্য চাই না। ন্যায়বিচারের দাবি হচ্ছে, প্রত্যেক খুনের বিচার হতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রংপুরে আবু সাঈদ চত্বরে এক পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
হযরত মুহাম্মদকে (সা.) সর্বশ্রেষ্ঠ উল্লেখ করে জামায়াতে আমির বলেন, মক্কাবাসী তাকে অনেক কষ্ট দিয়েছে। শেষ পর্যন্ত হত্যার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। হিজরত করে মদিনায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। মক্কা বিজয় শেষে প্রত্যেককে ক্ষমা করে দেন। কিন্তু ১০-১২ জনের নাম উল্লেখ করে বলেন, যারা মানুষ খুন করেছে এদের বিষয়ে আমি মাফ করে দিতে পারবো না। এদের শাস্তি হচ্ছে মৃত্যুদণ্ড।
রাজনীতিবিদদের উদ্দেশে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রাজনীতি যারা করেন তাদের কাছে আমার অনুরোধ, ভাই, বন্ধু, সন্তান মেহেরবানী করে শহীদের রক্তের প্রতি সম্মান দেখান। আমাদের আহত ও পঙ্গু ভাইদের প্রতি সম্মান দেখান। সমাজবিরোধী কোনো কাজ করবেন না। চাঁদাবাজি করবেন না। দখল বাণিজ্য ও মানুষের ওপর জুলুম করবেন না। মামলা বাণিজ্য করবেন না। ঘুস খাবেন না।
তিনি আরও বলেন, যদি এসব অন্যায়-অত্যাচার বন্ধ না হয়, আমরা শহীদের রক্ত ছুঁয়ে শপথ নিয়েছি, এই সমাজ থেকে জঞ্জাল নিশ্চিহ্ন না হওয়া পর্যন্ত লড়াই অব্যাহত থাকবে। আমাদের এই যুদ্ধ সমাজ পরিচ্ছন্ন না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।
ঐক্যের ডাক দিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, পরস্পরকে সহযোগিতা করবেন। এই জাতিকে বিভক্ত দেখতে চাই না। টুকরো টুকরো জাতি হিসেবে দেখতে চাই না। ঐক্যবদ্ধ দেখতে চাই।
পথসভায় উদ্বোধনী বক্তৃতা দেন তাজহাট থানা জামায়াতের আমির রবিউল ইসলাম।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠিয়েছে। তাই তারা যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করবেন।
৫ দিন আগে
বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৫ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৫ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে