
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়কার আলোচিত ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালানের ঘটনা নিয়ে তখনকার স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা লুৎফুজ্জামান বাবরের প্রতি এবার প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
তিনি বলেন, ১০ ট্রাক অস্ত্র চালান করলেন। যদি তা হ্যান্ডেলিং করতেই না পারবেন, তবে আনলেন কেন? এই ১০ ট্রাক অস্ত্রের কারণে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়েছে। বাংলাদেশের জনগণের জীবন বিপন্নতার মধ্যে পড়েছে।
শনিবার (২৭ জুলাই) দুপুরে নেত্রকোনা জেলা শহরের কালেক্টরেট মাঠে এনসিপির জুলাই পদযাত্রা-পরবর্তী সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। এরই মধ্যে তার এই বক্তব্য ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা তৈরি করেছে। রাজধানীর পল্টন এলাকায় লুৎফুজ্জামান বাবরের সমর্থনে বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে। নাসীর যেখানে বক্তব্য দিয়েছেন, সেই নেত্রকোনাতেও বিক্ষোভ হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজনীতি ডটকমের নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি।
রোববার সন্ধ্যায় ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে পল্টন পর্যন্ত এলাকায় সাবেক প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের সমর্থনে বিক্ষোভ করেছেন একদল মানুষ। ‘সর্বস্তরের জনগণে’র ব্যানারে তারা স্লোগান দেন— ‘বাবর ভাইয়ের কিছু হলে জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে।’
বিক্ষোভ হয়েছে নেত্রকোনাতেও। সেখানেও লুৎফুজ্জামান বাবরের সমর্থনে নানা স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয়রা।
২০০৪ সালের ১ এপ্রিল চট্টগ্রামের সিইউএফএল ঘাট থেকে আটক করা হয় ১০ ট্রাক অস্ত্রের একটি চালান। এ নিয়ে কর্ণফুলী থানায় অস্ত্র আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে অস্ত্র চোরাচালানের অভিযোগে দুটি মামলা হয়।
২০১৪ সালের ৩০ জানুয়ারি চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালত এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১ অস্ত্র চোরাচালান মামলায় সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামী (অন্য মামলায় ফাঁসি কার্যকর), সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন উলফার সামরিক কমান্ডার পরেশ বড়ুয়া ও দুটি গোয়েন্দা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ১৪ জনকে ফাঁসির আদেশ দেন। অস্ত্র আইনের আরেক মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ হয় একই আসামিদের।
অস্ত্র চোরাচালান মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ের পর ২০১৪ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি রায়সহ মামলার নথিপত্র হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখায় পৌঁছায়, যা ডেথ রেফারেন্স মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়। অন্যদিকে কারাগারে থাকা দণ্ডিত আসামিরা সাজার রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালে হাইকোর্টে পৃথক আপিল করেন।
ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের ওপর শুনানি শেষে গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি নাসরিন আক্তারের হাইকোর্ট বেঞ্চ লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ছয়জনকে খালাস দেন। আরও ছয় আসামির সাজা কমিয়ে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেন। আর উলফা নেতা পরেশ বড়ুয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত।
অন্যদিকে অস্ত্র আইনে করা অন্য মামলাতেও বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে পৃথক আপিল করেন আসামিরা। আপিলের ওপর শুনানি শেষে বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি নাসরিন আক্তারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ বছরের ১৪ জানুয়ারি লুৎফুজ্জামানসহ বাবর ও মতিউর রহমান নিজামীসহ ছয়জনকে খালাস দেন। উলফার সামরিক কমান্ডার পরেশ বড়ুয়াসহ পাঁচজনের সাজা কমিয়ে দেন। মৃত্যুজনিত কারণে মতিউর রহমান নিজামীসহ চারজনের আপিল হাইকোর্ট অ্যাবেট (পরিসমাপ্তি) ঘোষণা করেন।
এনসিপির অন্যতম কেন্দ্রীয় নেতা নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর বক্তব্য নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা অবশ্য নতুন নয়। সবশেষ গত শনিবার কক্সবাজারে পদযাত্রা-পরবর্তী সমাবেশে বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় প্রভাবশালী নেতা সালাহউদ্দিন আহমদকে নিয়ে তার দেওয়া বক্তব্যও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি করে।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘আওয়ামী লীগের আমলে নারায়ণগঞ্জে ছিল বিখ্যাত গডফাদার শামীম ওসমান। এখন শুনছি, কক্সবাজারে নব্য গডফাদার এসেছে শিলং থেকে। ঘের দখল করছে, মানুষের জায়গা-জমি দখল করছে, চাঁদাবাজি করছে।’
তার সেদিনের বক্তব্যের পর স্থানীয় বিএনপি ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখায়। বিকেলে কক্সবাজার সদর, ঈদগাঁও, চকরিয়া, ফাঁসিয়াখালী ও হারবাং এলাকায় রাস্তায় নেমে আসেন শত শত নেতাকর্মী। চকরিয়ায় এনসিপির পথসভার মঞ্চ ভাঙচুরও করা হয়। সেখানে এনসিপির পথসভা করার কথা থাকলেও তা বাতিল করতে বাধ্য হয় দলটি।
এর আগেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নেতাদের নিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর দেওয়া বিভিন্ন বক্তব্য অনলাইন-অফলাইনে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। তার বক্তব্য কতটুকু রাজনৈতিক শিষ্টাচার সমর্থন করে— এমন প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়কার আলোচিত ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালানের ঘটনা নিয়ে তখনকার স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা লুৎফুজ্জামান বাবরের প্রতি এবার প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
তিনি বলেন, ১০ ট্রাক অস্ত্র চালান করলেন। যদি তা হ্যান্ডেলিং করতেই না পারবেন, তবে আনলেন কেন? এই ১০ ট্রাক অস্ত্রের কারণে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়েছে। বাংলাদেশের জনগণের জীবন বিপন্নতার মধ্যে পড়েছে।
শনিবার (২৭ জুলাই) দুপুরে নেত্রকোনা জেলা শহরের কালেক্টরেট মাঠে এনসিপির জুলাই পদযাত্রা-পরবর্তী সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। এরই মধ্যে তার এই বক্তব্য ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা তৈরি করেছে। রাজধানীর পল্টন এলাকায় লুৎফুজ্জামান বাবরের সমর্থনে বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে। নাসীর যেখানে বক্তব্য দিয়েছেন, সেই নেত্রকোনাতেও বিক্ষোভ হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজনীতি ডটকমের নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি।
রোববার সন্ধ্যায় ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে পল্টন পর্যন্ত এলাকায় সাবেক প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের সমর্থনে বিক্ষোভ করেছেন একদল মানুষ। ‘সর্বস্তরের জনগণে’র ব্যানারে তারা স্লোগান দেন— ‘বাবর ভাইয়ের কিছু হলে জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে।’
বিক্ষোভ হয়েছে নেত্রকোনাতেও। সেখানেও লুৎফুজ্জামান বাবরের সমর্থনে নানা স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয়রা।
২০০৪ সালের ১ এপ্রিল চট্টগ্রামের সিইউএফএল ঘাট থেকে আটক করা হয় ১০ ট্রাক অস্ত্রের একটি চালান। এ নিয়ে কর্ণফুলী থানায় অস্ত্র আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে অস্ত্র চোরাচালানের অভিযোগে দুটি মামলা হয়।
২০১৪ সালের ৩০ জানুয়ারি চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালত এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১ অস্ত্র চোরাচালান মামলায় সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামী (অন্য মামলায় ফাঁসি কার্যকর), সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন উলফার সামরিক কমান্ডার পরেশ বড়ুয়া ও দুটি গোয়েন্দা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ১৪ জনকে ফাঁসির আদেশ দেন। অস্ত্র আইনের আরেক মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ হয় একই আসামিদের।
অস্ত্র চোরাচালান মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ের পর ২০১৪ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি রায়সহ মামলার নথিপত্র হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখায় পৌঁছায়, যা ডেথ রেফারেন্স মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়। অন্যদিকে কারাগারে থাকা দণ্ডিত আসামিরা সাজার রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালে হাইকোর্টে পৃথক আপিল করেন।
ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের ওপর শুনানি শেষে গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি নাসরিন আক্তারের হাইকোর্ট বেঞ্চ লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ছয়জনকে খালাস দেন। আরও ছয় আসামির সাজা কমিয়ে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেন। আর উলফা নেতা পরেশ বড়ুয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত।
অন্যদিকে অস্ত্র আইনে করা অন্য মামলাতেও বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে পৃথক আপিল করেন আসামিরা। আপিলের ওপর শুনানি শেষে বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি নাসরিন আক্তারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ বছরের ১৪ জানুয়ারি লুৎফুজ্জামানসহ বাবর ও মতিউর রহমান নিজামীসহ ছয়জনকে খালাস দেন। উলফার সামরিক কমান্ডার পরেশ বড়ুয়াসহ পাঁচজনের সাজা কমিয়ে দেন। মৃত্যুজনিত কারণে মতিউর রহমান নিজামীসহ চারজনের আপিল হাইকোর্ট অ্যাবেট (পরিসমাপ্তি) ঘোষণা করেন।
এনসিপির অন্যতম কেন্দ্রীয় নেতা নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর বক্তব্য নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা অবশ্য নতুন নয়। সবশেষ গত শনিবার কক্সবাজারে পদযাত্রা-পরবর্তী সমাবেশে বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় প্রভাবশালী নেতা সালাহউদ্দিন আহমদকে নিয়ে তার দেওয়া বক্তব্যও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি করে।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘আওয়ামী লীগের আমলে নারায়ণগঞ্জে ছিল বিখ্যাত গডফাদার শামীম ওসমান। এখন শুনছি, কক্সবাজারে নব্য গডফাদার এসেছে শিলং থেকে। ঘের দখল করছে, মানুষের জায়গা-জমি দখল করছে, চাঁদাবাজি করছে।’
তার সেদিনের বক্তব্যের পর স্থানীয় বিএনপি ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখায়। বিকেলে কক্সবাজার সদর, ঈদগাঁও, চকরিয়া, ফাঁসিয়াখালী ও হারবাং এলাকায় রাস্তায় নেমে আসেন শত শত নেতাকর্মী। চকরিয়ায় এনসিপির পথসভার মঞ্চ ভাঙচুরও করা হয়। সেখানে এনসিপির পথসভা করার কথা থাকলেও তা বাতিল করতে বাধ্য হয় দলটি।
এর আগেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নেতাদের নিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর দেওয়া বিভিন্ন বক্তব্য অনলাইন-অফলাইনে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। তার বক্তব্য কতটুকু রাজনৈতিক শিষ্টাচার সমর্থন করে— এমন প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠিয়েছে। তাই তারা যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করবেন।
৫ দিন আগে
বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৫ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৫ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে