
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আসনের লোভ দেখিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নেতাদের জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপি কিনতে চেয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপি গণঅভ্যুত্থানের নেতাদের আসনের লোভ দেখিয়ে কিনতে চেয়েছিল। আমরা বলেছিলাম, নব্বইয়ের ছাত্রনেতারা বিক্রি হয়েছে, চব্বিশের কোনো ছাত্রনেতা ইনশাল্লাহ বিক্রি হবে না। কেউ বিক্রি হয়ওনি।
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) বিকেলে ঢাকায় জাতীয় যুব শক্তির জাতীয় প্রতিনিধি সম্মেলনে যোগ দিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এসব কথা বলেন।
এনসিপির কেন্দ্রীয় এই নেতা বলেন, আমরা কোনো শহিদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করার জন্য পলিটিকসে নামি নাই। আমরা কোনো চেতনা ব্যবসা করতে চাই না।
বিএনপির দিকে ইঙ্গিত করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, দেশের রাজনীতিতে ‘চেতনার ব্যবসায়ী’রা নতুন রূপে আবির্ভূত হয়েছে।
‘আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ব্যবসা করেছিল। এখন নতুন চেতনার ব্যবসাদার হাজির হয়েছে আমাদের সামনে। আমরা তাদের উদ্দেশ্য বলব— চেতনা দিয়ে পলিটিকস হয় না,’— বলেন এনসিপির এই নেতা।
জামায়াতে ইসলামী প্রসঙ্গে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘আরেকটা নতুন দলের এখন পাখনা গজাইছে— জামায়াত ইসলামী। গণঅভ্যুত্থানের এখন নতুন চেতনার কথা বলে তারা নতুন ধর্ম ব্যবসা করে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে।’
জামায়াতে ইসলামীকে অতীত স্মরণ করিয়ে দিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, যদি রাজনীতি করতে চান, সোজা পথে আসুন। তাদের মিষ্টি মিষ্টি কথার আড়ালে কী আছে, সেটা তো আল্লাহ জানে।... পাকিস্তানেও এ ধরনের জামায়াতে ইসলামীর একটি পাখা গজিয়েছিল। একটি আসনও তারা পায়নি।
নির্বাচনি বা রাজনৈতিক জোট গঠন নিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির দীর্ঘ দিন আলোচনা চলেছে বলে এসব দলের সূত্রগুলো জানিয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত কোনো দলের সঙ্গেই এনসিপির জোট হয়নি। সবশেষ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন ও এবি পার্টিকে নিয়ে জোট করেছে এনসিপি।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আসনের লোভ দেখিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নেতাদের জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপি কিনতে চেয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপি গণঅভ্যুত্থানের নেতাদের আসনের লোভ দেখিয়ে কিনতে চেয়েছিল। আমরা বলেছিলাম, নব্বইয়ের ছাত্রনেতারা বিক্রি হয়েছে, চব্বিশের কোনো ছাত্রনেতা ইনশাল্লাহ বিক্রি হবে না। কেউ বিক্রি হয়ওনি।
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) বিকেলে ঢাকায় জাতীয় যুব শক্তির জাতীয় প্রতিনিধি সম্মেলনে যোগ দিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এসব কথা বলেন।
এনসিপির কেন্দ্রীয় এই নেতা বলেন, আমরা কোনো শহিদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করার জন্য পলিটিকসে নামি নাই। আমরা কোনো চেতনা ব্যবসা করতে চাই না।
বিএনপির দিকে ইঙ্গিত করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, দেশের রাজনীতিতে ‘চেতনার ব্যবসায়ী’রা নতুন রূপে আবির্ভূত হয়েছে।
‘আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ব্যবসা করেছিল। এখন নতুন চেতনার ব্যবসাদার হাজির হয়েছে আমাদের সামনে। আমরা তাদের উদ্দেশ্য বলব— চেতনা দিয়ে পলিটিকস হয় না,’— বলেন এনসিপির এই নেতা।
জামায়াতে ইসলামী প্রসঙ্গে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘আরেকটা নতুন দলের এখন পাখনা গজাইছে— জামায়াত ইসলামী। গণঅভ্যুত্থানের এখন নতুন চেতনার কথা বলে তারা নতুন ধর্ম ব্যবসা করে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে।’
জামায়াতে ইসলামীকে অতীত স্মরণ করিয়ে দিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, যদি রাজনীতি করতে চান, সোজা পথে আসুন। তাদের মিষ্টি মিষ্টি কথার আড়ালে কী আছে, সেটা তো আল্লাহ জানে।... পাকিস্তানেও এ ধরনের জামায়াতে ইসলামীর একটি পাখা গজিয়েছিল। একটি আসনও তারা পায়নি।
নির্বাচনি বা রাজনৈতিক জোট গঠন নিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির দীর্ঘ দিন আলোচনা চলেছে বলে এসব দলের সূত্রগুলো জানিয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত কোনো দলের সঙ্গেই এনসিপির জোট হয়নি। সবশেষ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন ও এবি পার্টিকে নিয়ে জোট করেছে এনসিপি।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠিয়েছে। তাই তারা যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করবেন।
৫ দিন আগে
বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৫ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৫ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে