
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে জুলাই অভ্যুত্থান থেকে সৃষ্ট জনআকাঙ্ক্ষার কোনো প্রতিফলন ঘটেনি বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ। এ বাজেটকে ‘গণবিরোধী, লুটপাটের ও গতানুগতিক ঋণ বাজেট’ বলে অভিহিত কছেন তিনি।
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, বিএনপি সরকারের প্রথম এই বাজেটে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের’ প্রকৃত আকাঙ্ক্ষার কোনো প্রতিফলন ঘটেনি। এই বাজেট দেশবাসীকে চরমভাবে হতাশ করেছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে এক বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলে অংশ নিয়ে এ কথা বলেন তিনি। বাজেট নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানাতে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতে ইসলামী এ বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজন করে।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর বলেন, ‘বিশাল ঋণ ও ঘাটতি বাজেট দিয়ে বর্তমান সরকার প্রথম বাজেটেই জাতিকে চরমভাবে হতাশ করেছে। এই বাজেটে সামষ্টিক অর্থনীতি বা কাঠামোগত সংস্কারের কোনো নীতিগত প্রস্তাব নেই। এটি গতানুগতিক আমলাতান্ত্রিক বাজেট ছাড়া আর কিছুই নয়।’
বিশাল এই বাজেটের প্রায় ৭০ শতাংশই পরিচালন ব্যয় বা সরকারি চলতি খরচ হিসেবে ধরা হয়েছে উল্লেখ করে এর সমালোচনা করেন হামিদুর রহমান আযাদ। অনুৎপাদনশীল খাতে এত বরাদ্দ দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করেন তিনি।
হামিদুর রহমান বলেন, এই বাজেট মূলত ধনী শ্রেণির স্বার্থ রক্ষার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ফলে সাধারণ ও নিম্নবিত্ত মানুষ তীব্র অর্থনৈতিক চাপে পড়বে। এত বড় ও ঋণনির্ভর বাজেট বাস্তবায়ন করা বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে কোনোভাবেই সম্ভব নয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় শুরু হওয়া সংসদ অধিবেশনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি সরকার গঠনের পর এটিই তাদের প্রথম বাজেট।
প্রস্তাবিত বাজেটে সামগ্রিক ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। এই ঘাটতি পূরণে ব্যাংক খাতসহ অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা এবং বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে জুলাই অভ্যুত্থান থেকে সৃষ্ট জনআকাঙ্ক্ষার কোনো প্রতিফলন ঘটেনি বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ। এ বাজেটকে ‘গণবিরোধী, লুটপাটের ও গতানুগতিক ঋণ বাজেট’ বলে অভিহিত কছেন তিনি।
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, বিএনপি সরকারের প্রথম এই বাজেটে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের’ প্রকৃত আকাঙ্ক্ষার কোনো প্রতিফলন ঘটেনি। এই বাজেট দেশবাসীকে চরমভাবে হতাশ করেছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে এক বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলে অংশ নিয়ে এ কথা বলেন তিনি। বাজেট নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানাতে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতে ইসলামী এ বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজন করে।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর বলেন, ‘বিশাল ঋণ ও ঘাটতি বাজেট দিয়ে বর্তমান সরকার প্রথম বাজেটেই জাতিকে চরমভাবে হতাশ করেছে। এই বাজেটে সামষ্টিক অর্থনীতি বা কাঠামোগত সংস্কারের কোনো নীতিগত প্রস্তাব নেই। এটি গতানুগতিক আমলাতান্ত্রিক বাজেট ছাড়া আর কিছুই নয়।’
বিশাল এই বাজেটের প্রায় ৭০ শতাংশই পরিচালন ব্যয় বা সরকারি চলতি খরচ হিসেবে ধরা হয়েছে উল্লেখ করে এর সমালোচনা করেন হামিদুর রহমান আযাদ। অনুৎপাদনশীল খাতে এত বরাদ্দ দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করেন তিনি।
হামিদুর রহমান বলেন, এই বাজেট মূলত ধনী শ্রেণির স্বার্থ রক্ষার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ফলে সাধারণ ও নিম্নবিত্ত মানুষ তীব্র অর্থনৈতিক চাপে পড়বে। এত বড় ও ঋণনির্ভর বাজেট বাস্তবায়ন করা বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে কোনোভাবেই সম্ভব নয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় শুরু হওয়া সংসদ অধিবেশনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি সরকার গঠনের পর এটিই তাদের প্রথম বাজেট।
প্রস্তাবিত বাজেটে সামগ্রিক ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। এই ঘাটতি পূরণে ব্যাংক খাতসহ অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা এবং বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।

সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
৩ দিন আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
৩ দিন আগে
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার ওসি তদন্ত নুর মোহাম্মদ। তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।
৩ দিন আগে
নাহিদ আরও বলেন, কে বোমা হামলা করেছে, আমরা জানি না। আমরা জানি, এর দায় হলো প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের। ফলে আমরা এখানকার পুলিশ-প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের কাছে জবাবদিহিতা চাইব— কেন তারা নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে? তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে সন্ত্রাসীরা কীভাবে বোমা হামলা করার সুযোগ পেল?
৪ দিন আগে