
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে দেশের প্রতিটি শিশুর শিক্ষার ব্যয়ভার বহন করবে এবং স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) পর্যন্ত সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পড়াশোনার সুযোগ নিশ্চিত করবে।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) নওগাঁর ঐতিহাসিক এ.টিম মাঠে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান এই যুগান্তকারী ঘোষণা দেন।
তরুণ প্রজন্মের কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “জুলাই আন্দোলনে ছাত্র-জনতা বেকার ভাতা চায়নি, বরং তারা কাজের অধিকার চেয়েছিল।”
যুবসমাজকে আশ্বস্ত করে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে তরুণদের সঠিক শিক্ষা ও পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পেশাগতভাবে দক্ষ করে তোলা হবে। এরপর তাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে যোগ্য ও সম্মানজনক কাজ।
তিনি ঘোষণা করেন, সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে দলীয় আনুগত্য নয়, বরং ‘যোগ্যতা ও দেশপ্রেমই’ হবে একমাত্র মাপকাঠি।
নওগাঁর ঐতিহ্যবাহী পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার, কুসুম্বা মসজিদ ও দুপলাহাটি রাজবাড়ির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘অবহেলা আর দুর্নীতির কারণে দেশের পর্যটন শিল্প আজ ধ্বংসের মুখে।’ তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, এই প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনাগুলোকে বিশ্বমানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে, যা দেশের অর্থনীতিতে নতুন প্রাণ সঞ্চার করবে এবং হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে।
আগামী ১২ তারিখের নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে তিনি জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ মানে আজাদি’, ‘না মানে গোলামী।’ দুর্নীতিমুক্ত, শোষণহীন ও ইনসাফ কায়েমের লক্ষ্যে জনগণকে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করার আহ্বান জানান ডা. শফিকুর রহমান।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে দেশের প্রতিটি শিশুর শিক্ষার ব্যয়ভার বহন করবে এবং স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) পর্যন্ত সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পড়াশোনার সুযোগ নিশ্চিত করবে।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) নওগাঁর ঐতিহাসিক এ.টিম মাঠে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান এই যুগান্তকারী ঘোষণা দেন।
তরুণ প্রজন্মের কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “জুলাই আন্দোলনে ছাত্র-জনতা বেকার ভাতা চায়নি, বরং তারা কাজের অধিকার চেয়েছিল।”
যুবসমাজকে আশ্বস্ত করে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে তরুণদের সঠিক শিক্ষা ও পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পেশাগতভাবে দক্ষ করে তোলা হবে। এরপর তাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে যোগ্য ও সম্মানজনক কাজ।
তিনি ঘোষণা করেন, সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে দলীয় আনুগত্য নয়, বরং ‘যোগ্যতা ও দেশপ্রেমই’ হবে একমাত্র মাপকাঠি।
নওগাঁর ঐতিহ্যবাহী পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার, কুসুম্বা মসজিদ ও দুপলাহাটি রাজবাড়ির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘অবহেলা আর দুর্নীতির কারণে দেশের পর্যটন শিল্প আজ ধ্বংসের মুখে।’ তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, এই প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনাগুলোকে বিশ্বমানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে, যা দেশের অর্থনীতিতে নতুন প্রাণ সঞ্চার করবে এবং হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে।
আগামী ১২ তারিখের নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে তিনি জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ মানে আজাদি’, ‘না মানে গোলামী।’ দুর্নীতিমুক্ত, শোষণহীন ও ইনসাফ কায়েমের লক্ষ্যে জনগণকে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করার আহ্বান জানান ডা. শফিকুর রহমান।

জোটের নেতারা পথসভায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট, দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, দলীয়করণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের মতো বিষয় সামনে আনেন। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার দাবি না মানলে আট দফা যেকোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে।
২ দিন আগে
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভার্চ্যুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করলেও এবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
২ দিন আগে
জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
২ দিন আগে
লংমার্চের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘আপনাদের দাবিতে আমরা রাস্তায় নেমেছি। কোনো দলীয় নয়, ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে নেমেছি।’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থে ঘোষিত আট দফা দাবি যেকোনো সময় এক দফায় রূপ নিতে পারে।
২ দিন আগে