
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গভীর শোক আর পরম শ্রদ্ধায় মা বেগম খালেদা জিয়াকে চিরবিদায় জানিয়ে দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তাঁর বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, ‘যেখানে মায়ের পথচলা থেমেছে সেখান থেকে শুরু করার প্রত্যাশা করছেন তিনি।’
তারেক রহমান বলেন, ‘তিনবারের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী কেবল তাঁর জননীই ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন সমগ্র জাতির মা। বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পাশে মাকে সমাহিত করার মুহূর্তে লাখ-লাখ মানুষের ভালোবাসা ও বিশ্বনেতাদের সহমর্মিতায় তিনি আবেগাপ্লুত।’
শোক বার্তায় তিনি বলেন, ‘গভীর শোক ও কৃতজ্ঞতায় ভাস্বর হয়ে আমি আমার প্রিয় মা, জীবনের প্রথম শিক্ষক, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে আমার বাবা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করেছি। তাঁর অনুপস্থিতির শূন্যতা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। তবু, এই কঠিন মুহূর্তে দেশের মানুষের অভূতপূর্ব উপস্থিতি আমাকে একাকিত্বে ভুগতে দেয়নি।’
তারেক রহমান আরও বলেন, ‘অগণিত নেতাকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী, পরিবার ও দেশবাসীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধায় আমি গভীরভাবে আবেগাপ্লুত। লাখ-লাখ মানুষ একসাথে এসে যেভাবে সম্মান জানিয়েছে, ভালোবাসা দিয়েছে, এবং এই কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়িয়েছে; তা আমাকে আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে: তিনি শুধু আমার মা ছিলেন না; অনেক দিক থেকে, তিনি ছিলেন সমগ্র জাতির মা।’
তিনি বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের শীর্ষ প্রতিনিধি, বৈশ্বিক কূটনীতিক এবং উন্নয়ন সহোযোগীরা সশরীরে উপস্থিত থেকে শ্রদ্ধা জানান, এবং আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। যেসব দেশ সমবেদনা প্রকাশ করেছে, তাদের প্রতিও আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। আপনাদের এই সহমর্মিতা আমাদের হৃদয় গভীরভাবে ছুঁয়ে গেছে।’
তারেক রহমান বলেন, ‘শোকের এই মুহূর্তে আমি আমার প্রাণপ্রিয় বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং ভাই আরাফাত রহমান কোকোকে স্মরণ করছি। আজ এত মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে মনে হচ্ছে, নিকটজন হারানোর শূন্যতা পেরিয়ে, পুরো বাংলাদেশই আমার পরিবার হয়ে উঠেছে।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, ‘আমার মা সারাজীবন নিরলসভাবে মানুষের সেবা করেছেন। আজ তাঁর সেই দায়িত্ব ও উত্তরাধিকার আমি গভীরভাবে অনুভব করছি। একাগ্রতা ও দায়বদ্ধতার সঙ্গে আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি: যেখানে আমার মা’র পথচলা থেমেছে, সেখানে আমি চেষ্টা করবো সেই পথযাত্রাকে এগিয়ে নিতে। সেই মানুষদের জন্য, যাদের ভালোবাসা ও বিশ্বাস তাঁকে শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত শক্তি দিয়েছে, প্রেরণা যুগিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আল্লাহ যেন আমার মা’র রূহকে শান্তি দান করেন, আর তিনি যে অসীম ভালোবাসা, ত্যাগ ও উদারতার উদাহরণ আমাদের সবাইকে দিয়ে গেছেন, সেখান থেকেই আমরা শক্তি, ঐক্য এবং দেশপ্রেম খুঁজে পাই।’

গভীর শোক আর পরম শ্রদ্ধায় মা বেগম খালেদা জিয়াকে চিরবিদায় জানিয়ে দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তাঁর বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, ‘যেখানে মায়ের পথচলা থেমেছে সেখান থেকে শুরু করার প্রত্যাশা করছেন তিনি।’
তারেক রহমান বলেন, ‘তিনবারের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী কেবল তাঁর জননীই ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন সমগ্র জাতির মা। বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পাশে মাকে সমাহিত করার মুহূর্তে লাখ-লাখ মানুষের ভালোবাসা ও বিশ্বনেতাদের সহমর্মিতায় তিনি আবেগাপ্লুত।’
শোক বার্তায় তিনি বলেন, ‘গভীর শোক ও কৃতজ্ঞতায় ভাস্বর হয়ে আমি আমার প্রিয় মা, জীবনের প্রথম শিক্ষক, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে আমার বাবা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করেছি। তাঁর অনুপস্থিতির শূন্যতা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। তবু, এই কঠিন মুহূর্তে দেশের মানুষের অভূতপূর্ব উপস্থিতি আমাকে একাকিত্বে ভুগতে দেয়নি।’
তারেক রহমান আরও বলেন, ‘অগণিত নেতাকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী, পরিবার ও দেশবাসীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধায় আমি গভীরভাবে আবেগাপ্লুত। লাখ-লাখ মানুষ একসাথে এসে যেভাবে সম্মান জানিয়েছে, ভালোবাসা দিয়েছে, এবং এই কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়িয়েছে; তা আমাকে আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে: তিনি শুধু আমার মা ছিলেন না; অনেক দিক থেকে, তিনি ছিলেন সমগ্র জাতির মা।’
তিনি বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের শীর্ষ প্রতিনিধি, বৈশ্বিক কূটনীতিক এবং উন্নয়ন সহোযোগীরা সশরীরে উপস্থিত থেকে শ্রদ্ধা জানান, এবং আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। যেসব দেশ সমবেদনা প্রকাশ করেছে, তাদের প্রতিও আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। আপনাদের এই সহমর্মিতা আমাদের হৃদয় গভীরভাবে ছুঁয়ে গেছে।’
তারেক রহমান বলেন, ‘শোকের এই মুহূর্তে আমি আমার প্রাণপ্রিয় বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং ভাই আরাফাত রহমান কোকোকে স্মরণ করছি। আজ এত মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে মনে হচ্ছে, নিকটজন হারানোর শূন্যতা পেরিয়ে, পুরো বাংলাদেশই আমার পরিবার হয়ে উঠেছে।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, ‘আমার মা সারাজীবন নিরলসভাবে মানুষের সেবা করেছেন। আজ তাঁর সেই দায়িত্ব ও উত্তরাধিকার আমি গভীরভাবে অনুভব করছি। একাগ্রতা ও দায়বদ্ধতার সঙ্গে আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি: যেখানে আমার মা’র পথচলা থেমেছে, সেখানে আমি চেষ্টা করবো সেই পথযাত্রাকে এগিয়ে নিতে। সেই মানুষদের জন্য, যাদের ভালোবাসা ও বিশ্বাস তাঁকে শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত শক্তি দিয়েছে, প্রেরণা যুগিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আল্লাহ যেন আমার মা’র রূহকে শান্তি দান করেন, আর তিনি যে অসীম ভালোবাসা, ত্যাগ ও উদারতার উদাহরণ আমাদের সবাইকে দিয়ে গেছেন, সেখান থেকেই আমরা শক্তি, ঐক্য এবং দেশপ্রেম খুঁজে পাই।’

ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে দ্বিতীয় দফায় অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। আজ শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাতে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
১ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, আসিফ মাহমুদসহ আন্দোলনের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক আইনি পদক্ষেপের এই অপচেষ্টা প্রমাণ করে যে, ৫ আগস্টের পরাজিত শক্তি এখনো ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তিনি এই ঘটনাকে তরুণ প্রজন্মের লড়াই ও জুলাই বিপ্লবের চেতনার বিরুদ্ধে একটি গভীর ষড়যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করেন।
২ দিন আগে
বিবৃতিতে সিপিবির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন বলেন, একাত্তরের গণহত্যা ও গণধর্ষণে জড়িত জামায়াতে ইসলামী এবং তাদের মতাদর্শী ব্যক্তিরা সংসদে আসন গ্রহণ করে গতকাল যে ধৃষ্টতা দেখিয়েছে, তা এ দেশের মানুষ কখনোই ভুলবে না।
২ দিন আগে
গত বুধবার ইফতারের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। আজ সন্ধ্যায় এয়ার অ্যাম্বুলেন্স যোগে তাকে সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে।
২ দিন আগে