
দিনাজপুর প্রতিনিধি

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সমন্বয়ক ও কুমিল্লা-৪ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, আমাদের মৃত্যুর ভয় দেখাবেন না, মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়েই আমরা ফ্যাসিবাদের জনক শেখ হাসিনাকে বিদায় দিয়েছি।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে দিনাজপুর-৫ (পার্বতীপুর-ফুলবাড়ী) আসনের পার্বতীপুর শহীদ মিনারে ১১ দলীয় জোটের আয়োজনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি এ বক্তব্য দেন।
এসময় হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রে কোনো ধরনের অরাজকতার চিন্তা যেন কেউ না করে। অরাজকতা করার কুচিন্তা করবেন না।
দিনাজপুর-৫ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ডা. আহাদের সমর্থনে তিনি বলেন, আপনারা কি সন্ত্রাসবাদ, চাঁদাবাজি ও কেসিনোমুক্ত পার্বতীপুর চান? তাহলে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ডা. আহাদ ভাইকে শাপলা কলি প্রতীকে ভোট দিন।
জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সাবেক উপদেষ্টা ও জুলাই বিপ্লবের আরেক মহানায়ক আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া বলেন, নতুন বাংলাদেশ গড়তে হলে বিপ্লবের পক্ষের শক্তিকে বিজয়ী করতে হবে। আগামী দিনে জিম্মিদশা থেকে মুক্ত হতে চাইলে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ডা. আব্দুল আহাদ ভাইকে শাপলা কলি প্রতীকে ভোট দিন।
তিনি আরও বলেন, দেশের একটি দল ভোটারদের বিভিন্ন সুবিধার কথা বলে। কিন্তু তারা কি ভুলে গেছে, কৃষকরা যখন ন্যায্য দাবিতে আন্দোলনে নেমেছিল, তখন তাদের ওপর কী ঘটেছিল? মুরুব্বীরা নিশ্চয়ই সেই ঘটনাগুলো ভুলে যাননি।
পার্বতীপুর উপজেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক আবু সায়েমের সঞ্চালনায় জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের শূরা সদস্য ও পার্বতীপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন, ফুলবাড়ী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল কাদির, ফুলবাড়ী উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাবিবুর রহমানসহ জামায়াত ও এনসিপির জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সমন্বয়ক ও কুমিল্লা-৪ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, আমাদের মৃত্যুর ভয় দেখাবেন না, মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়েই আমরা ফ্যাসিবাদের জনক শেখ হাসিনাকে বিদায় দিয়েছি।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে দিনাজপুর-৫ (পার্বতীপুর-ফুলবাড়ী) আসনের পার্বতীপুর শহীদ মিনারে ১১ দলীয় জোটের আয়োজনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি এ বক্তব্য দেন।
এসময় হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রে কোনো ধরনের অরাজকতার চিন্তা যেন কেউ না করে। অরাজকতা করার কুচিন্তা করবেন না।
দিনাজপুর-৫ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ডা. আহাদের সমর্থনে তিনি বলেন, আপনারা কি সন্ত্রাসবাদ, চাঁদাবাজি ও কেসিনোমুক্ত পার্বতীপুর চান? তাহলে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ডা. আহাদ ভাইকে শাপলা কলি প্রতীকে ভোট দিন।
জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সাবেক উপদেষ্টা ও জুলাই বিপ্লবের আরেক মহানায়ক আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া বলেন, নতুন বাংলাদেশ গড়তে হলে বিপ্লবের পক্ষের শক্তিকে বিজয়ী করতে হবে। আগামী দিনে জিম্মিদশা থেকে মুক্ত হতে চাইলে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ডা. আব্দুল আহাদ ভাইকে শাপলা কলি প্রতীকে ভোট দিন।
তিনি আরও বলেন, দেশের একটি দল ভোটারদের বিভিন্ন সুবিধার কথা বলে। কিন্তু তারা কি ভুলে গেছে, কৃষকরা যখন ন্যায্য দাবিতে আন্দোলনে নেমেছিল, তখন তাদের ওপর কী ঘটেছিল? মুরুব্বীরা নিশ্চয়ই সেই ঘটনাগুলো ভুলে যাননি।
পার্বতীপুর উপজেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক আবু সায়েমের সঞ্চালনায় জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের শূরা সদস্য ও পার্বতীপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন, ফুলবাড়ী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল কাদির, ফুলবাড়ী উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাবিবুর রহমানসহ জামায়াত ও এনসিপির জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

দেশের জননিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতিতে ক্ষোভ জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। দলটি বলেছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ও সংশ্লিষ্ট বাহিনী ব্যর্থ হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।
১ দিন আগে
জোটের নেতারা পথসভায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট, দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, দলীয়করণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের মতো বিষয় সামনে আনেন। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার দাবি না মানলে আট দফা যেকোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে।
২ দিন আগে
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভার্চ্যুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করলেও এবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
২ দিন আগে
জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
২ দিন আগে